রাজনৈতিক ক্ষেত্রে
ভারত একটি বড়দেশ, যার রাজনীতি রাজ্য এবং কেন্দ্র ভিত্তিক। এখন বাংলাদেশ যদি একটি প্রদেশ হয়ে যাই তাহলে খালেদা জিয়া হয়ে যাবেন রাজ্যের বিরধীদলীয়ও নেত্রী। তার কেন্দ্রে রাজনীতি করার কোন সুযোগ থাকবে না। তিনি আর জাতীয় ইস্যু তে পাকিস্তান প্রেম দেখাতে পারবেন না।
ক্রিড়া ক্ষেত্রে
ভারতের একটি জাতীয় দলে কে কে সুযোগ পাবে তা নিয়ে একটা ঝামেলা হবে। টেস্ট অধিনায়ক ভিরাট থাকবেন নাকি মুশফিক থাকবেন তা নিয়ে ক্যাচাল হবে। রাতারাতি আমরা টেস্ট র্যাঙ্কিঙ্ক এর ১ নং দল হয়ে যাবে।
রাঞ্জি ট্রফি তে দলের সংখ্যা বেড়ে ২৭ থেকে ২৮ হবে নাকি ৩৪ হবে তা নিয়ে আলচনা হবে।
আইপিএলএ নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজি তৈরি হবে, বিপিএল নামে কিছু থাকবে না। দলের কোচ বদলে যাবেন।
ফুটবলে আমদের দলের সবাই হিরো সুপার লিগ খেলতে পারবে।
দিবসগুলো
বাংলাদেশের জাতীয় দিবস গুলো বৃদ্ধি পাবে তখন ২৬ শে জানুয়ারী একদিন ছুটি বেশি পাওয়া যাবে।কিন্তু ১৫ আগস্ট নিয়ে ঝামেলা বাধবে, একদিকে আমাদের শোক দিবস আবার ভারতের স্বাধীনতা দিবস। আবার আমাদের ২৬ মার্চ কিংবা ১৬ ডিসেম্বর নিয়েও ঝামেলা হতে পারে।
বিনোদন ক্ষেত্রে
টলিউড আর ঢালিউড ভেঙ্গে বাংলা সিনেমার জন্য নতুন কিছু নাম হবে, বলিঊড কিংবা তামিল,তেলেগু, ভোজপোরি, হাইড্রাবাদি সিনেমা গুলো আমরা সহজেই হলে বসে দেখতে পারব। এতে করে পরিচালক সবাই খুশি হবেন। নতুন নতুন ছবি তৈরি হবে। সানি লিওন, দিপিকা, ক্যাট্রিনা, প্রিয়াঙ্কা আমাদের দেশের নায়িকা হবে।
যোগাযোগ ক্ষেত্রে
ভারত কারগারি তৈরি করছে, আমরা সহজেই অল্প দামে কার কিনে চরতে পারব, ইচ্ছা করলেই টিকেট কেটে ট্রেন কিংবা হানিফ, দেশ ট্রাভেল করে কলকাতা, দিল্লি যেতে পারব। সেমিস্টার শেষে কিংবা প্রেমিকা নিয়ে তাজমহল ডেটিং এ যেতে পারব। দার্জিলিং যেতে পারব।
শিক্ষাক্ষেত্রে
দেশের বিশ্ববিদ্যালয় এর সংখ্যা বেরে যাবে, ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের সংখ্যাও বাড়বে।
অনেক কিছুই লিখলাম, এতে আমাকে কোন দলীয় লোক মনে করবার কারণ নাই। গত দুইদিন দেশ বিক্রি নিয়ে ট্রল হচ্ছে তাই আমিও একটু সামিল হলাম।
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই এপ্রিল, ২০১৭ বিকাল ৫:১৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




