প্রতি বছরের মত এবারও হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের পূজা শেষ হল। এই কতদিন কিছু কথা পেটের ভিতর চেপে রেখেছিলাম। কোন কিছু প্রশ্নপত্রের মত ফাঁস করি নাই। আজকে পেটটা খালি করার জন্য লিখতেছি, যদি কারো ব্যক্তিত্ব তে আঘাত হানে তাহলে আমার কোন দোষ নাই।
.
এই বছরের পূজাতে কিছু উন্নতি দেখলাম, একটা হল সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে বিশেষভাবে কঠোর নিরাপত্তা , আর কিছু উন্নতি আছে মানুষের ভিতরে। মানুষের ভিতর যেগুলো আছে সেইটা হল,
.
- সকলে একটা বাক্য পেয়েছে 'ধর্ম যার যার, উৎসব সবার' কিন্তু এর মর্মার্থ কেউ ঠিকমত বলতে পারে না। ইহার মর্মার্থ হল, ধর্ম যার যার ঠিক রেখে, অন্য ধর্মাবলম্বীদের বিশেষ দিনে তাদের সাহায্য করা। অর্থাৎ, তাদের বিশেষ কাজে ব্যাঘাত না করা। তার মানে এই নয় যে তাদের সাথে সেটা পালন করতে হবে। সবাই হয়তো এই কথাটার জন্য আমাকে গালি দিবেন। কিন্তু যাহা সত্যি তাহাই বলেছি। এখন মন্তব্য করা সবার ব্যক্তিগত ব্যাপার। মন্তব্য করার সময় নিজের ব্যক্তিত্ব বজায় রেখে মন্তব্য করার চেষ্টা করবেন।
.
- গত কিছু পূজাতে খেয়াল করছি, মেয়েদের জামা-কাপড় এর ব্যাপারটা সে যেই হোক মুসলিম অথবা হিন্দু। তারা ছিল বলিউডের বিখ্যাত সব নায়িকারা। এবছর খেয়াল করলাম তার উল্টাসব (হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা বাদে) যে সকল মেয়েরা পূজায় আসছে। তাদের বেশির ভাগই হিজাব পড়ে আসছে। এর মাঝে একটা কথা, পূর্বে হিজাব ছিল পর্দার জন্য, আর এখন হিজাব হয়েছে মডেলিং এর জন্য। পূর্বে বোরকা ছিল পর্দার জন্য, আর এখন হয়েছে মডেলিং এর জন্য। তাহলে বুঝতেই পারছেন কত উন্নতি। হায়রে মেয়ে! তুমি যখন পূজায় আসবেই, তাহলে হিজাব পড়ে আসছো কেন? অন্য সব দিনে যেভাবে চলাফেরা কর, সেভাবে আসলে তো ভাল লাগত। তাহলে এভাবে মুসলিম জাতির আপনার জন্য লজ্জা পেতে হতো না। মেয়েজাতি যদি কষ্ট পেয়ে থাকেন। তাহলে দয়া করিয়া, আপনাদের চরিত্রটাকে পরিবর্তন করবেন।
.
- আরও কিছু কথা জমা আছে, সেইগুলো হয়তো না ই বের করলাম। সময় হলে অন্য একদিন আপনাদের সব শুনাবো।
'ধন্যবাদ'

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


