
আত্মার ধনাঢ্যতা সকল চাহিদার উর্ধ্বে
লভিবে যে তার কারোর দোরগোড়ায় যেতে হবে না
এরপর অমুখাপেক্ষিতার আঘাতে-প্রহারে জর্জরিত
যদিও বা কখনো আসে কঠিন দরিদ্র
তবুও ভীত-বিহবল হবার কিছু নেই,
অনিষ্টতা তার দরজাও মাড়াতে পারবে না।
মেঘালো সন্ধ্যের সব পাখি নীড়ে ফেরার পর
আকাশে লেপ্টে থাকা উড়ন্ত পশমের মতো
দুঃখগুলো যদি আঁছড়েও পরে গৃহচালার 'পর
তবে ধৈর্য ধরো-
মেঘ ঘামানো বৃষ্টি নামবে একটু পরে,
তখন ধোয়া-মোছা স্বচ্ছ প্রবাহে ঝিম ধরে আসবে
অনাবিল বৃষ্টি-সুখের ঘুম
......................................
কবি : হযরত ওসমান গনি রাযি.
ভাষান্তর : রিদওয়ান হাসান
হযরত ওসমান গনি রাযিয়াল্লাহু আনহু অনেক বিত্তবৈভবের অধিকারী ছিলেন। তিনি কোনো কবি ছিলেন না। প্রকৃতিগত কবিতার প্রতি তিনি আকৃষ্ট না হলেও বিরূপও ছিলেন না। তার কথা-বার্তা কী আশ্চর্য নিপুণতায় হয়ে উঠত একেকটি কবিতা!! বিদ্রোহীরা তাকে নির্মমভাবে শহীদ করে। শাহাদতের দিন বিদ্রোহীরা তাকে শহীদ করে ঘরে তল্লাশি চালিয়ে একটি সিন্ধুক পায়। সিন্ধুকে তারা একটি কাগজের টুকরা দেখতে পায়, যাতে অসিয়তনামা লেখা ছিল। সেই কাগজের অপর পাশে 'আরবিতে' কিছু লেখা ছিল, উপরিউক্ত কবিতাটি সেই লেখারই ভাষান্তর। (সূত্র : আলউমদা ১/১৪)
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই মার্চ, ২০১৬ সন্ধ্যা ৭:২৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




