
২। মহামারী প্রাদুর্ভাবের সময় হাদিসে কুদসিতে আল্লাহ তায়ালার প্রতি সুধারণা রাখার তাগিদ এসেছে। তাই যা হবে আমাদের মঙ্গলের জন্যই হবে।
৩। আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা করার একটি নিয়ম হল, তা কবুলের ব্যাপারে আশাবাদী হওয়া। আপনি যদি দোয়ার পরও প্রবল হতাশাই প্রকাশ করতে থাকেন, তবে কেমন দোয়া করেছেন আপনি?
৪। আতঙ্কিত হয়ে কোনো লাভ নেই। যে সব দেশে করোনার ব্যাপক বিস্তার হয়েছে, তারা কম সতর্ক ছিল না; বরং আতঙ্ক মানুষের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট করে দেয়।
৫। আতঙ্কিত মানুষ সর্দি-কাশি-জ্বরে আক্রান্ত ব্যক্তির সঙ্গে অমানবিক আচরণ করছে, লাশ দাফনে বাধা দিচ্ছে; এমনকি হাসপাতাল বানাতেও বাধা দিচ্ছে।
৬। যদি ধরেও নেন, সতর্ক থাকলে করোনা হবে না, তারপরও প্রশ্ন, কয়দিন ঘরে বসে থাকবেন? এই ভাইরাসের প্রতিষেধক বাজারজাত হতে কমপক্ষে ২০২১ সাল পর্যন্ত সময় প্রয়োজন। এত সময় বসে থাকতে পারবেন তো?
৭। জনগণের পরিসংখ্যানই যদি সব হয়, তাহলে আল্লাহ তায়ালার কুদরতের কাজ কী? করোনা ছাড়াও তো প্রত্যহ কত মানুষই মারা যায় সেগুলোর পরিসংখ্যান কি কখনো কেউ করেছে?
৮। গত কয়েক দিনে ঢাকা এবং ঢাকার বাইরে মৃত্যুর ঘটনায় উদ্বেগ দেখা দিয়েছিল। সৎকারের আগেই যাঁদের শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল, তাঁদের কারোরই কোভিড–১৯ ছিল না। তিনি মৃত্যু হলেই কোভিড–১৯ ভেবে দুঃশ্চিন্তাগ্রস্ত না হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন মীরজাদি সেব্রিনা।
৯। আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে করোনাকে তার গতিতে ছেড়ে দেয়া ছাড়া উপায় নেই। অন্যথায় ভাইরাসের চেয়ে বড় বিপদ হয়ে উঠবে মন্দা ও দুর্ভিক্ষ। এটা পরিষ্কার যে, সরকার জনগণের অন্ন বস্ত্রের দায়িত্ব নেবে না।
১০। এখনও পর্যন্ত করোনার প্রকোপ অমুসলিম দেশগুলোতে বেশি। মুসলমান দেশগুলো (শিয়া-ইরান ছাড়া) প্রযুক্তি ও সামর্থ্যে পিছিয়ে থাকা সত্ত্বেও করোনায় তুলনামূলক কম বিপর্যস্ত। একে আল্লাহর রহমত ভাবতে দোষ কী?
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে মার্চ, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৪০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




