somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ট্রাম্পের প্রথম দিনের কাল্পনিক ওভাল অফিস মিটিং

১৬ ই নভেম্বর, ২০১৬ বিকাল ৫:২১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



ট্রাম্পঃ আমাদের এক্ষুণি ISIS কে ধ্বংস করা উচিৎ, এই মুহূর্তেই।

সিআইএঃ আমরা সেটা করতে পারবো না, স্যার। আমরা ISIS কে টার্কি, সৌদি, কাতার এবং আরও অনেককে সাথে নিয়ে একসাথে গড়ে তুলেছি।

ট্রাম্পঃ আমি না, ডেমোক্র্যাটরা ওদের গড়ে তুলেছে।

সিআইএঃ না স্যার, আমরা (CIA) ওদের গড়ে তুলেছি। ISIS কে আমাদের খুব দরকার। নাহলে আমরা ন্যাচারাল গ্যাস লবি থেকে ফান্ডিং হারাবো...

ট্রাম্পঃ তাহলে পাকিস্তানকে ফান্ডিং করা বন্ধ করো। ইন্ডিয়াকে ওদের নিয়ে ডিল করতে দাও।

সিআইএঃ সেটাও করা যাবেনা স্যার।

ট্রাম্পঃ কেন?

সিআইএঃ ইন্ডিয়া তাহলে বেলুচিস্থানকে পাকিস্থান থেকে আলাদা করে ফেলবে।

ট্রাম্পঃ করুক, আমার কিছু যায় আসে না।

সিআইএঃ তাহলে কাশ্মীরে শান্তি চলে আসবে। তারা আমাদের অস্ত্র কেনা বন্ধ করে দেবে। ইন্ডিয়া সুপার পাওয়ার হয়ে যাবে। ইন্ডিয়াকে কাশ্মীরে ব্যাস্ত রাখার জন্য আমাদের পাকিস্থানকে ফান্ডিং করে যেতেই হবে।

ট্রাম্পঃ ওকে ওকে, তাহলে তালেবানকে ধ্বংস করো।

সিআইএঃ স্যার, সেটাও করা পসিবল না। রাশিয়াকে ৮০'র দশকে চেক দিয়ে রাখতে আমরা তালেবান সৃষ্টি করেছিলাম। এখন তারা পাকিস্থানকে ব্যাস্ত রেখেছে।

ট্রাম্পঃ আমাদের তাহলে মিডল ইস্টের যেসব সরকার টেরোরিস্টদের স্পন্সর করছে তাদেরকে ধ্বংস করা উচিৎ। সৌদিকে দিয়ে শুরু করা যাক, কী বলো?

সিআইএঃ স্যার সেটা আরও অসম্ভব। আমরা ওইসব সরকারকে ক্ষমতায় এনেছি কারণ তাদের তেল আমাদের দরকার। এসব সরকারকে ক্ষমতায় রাখতে হবে, নাহলে দেশগুলিতে ডেমোক্রেসি চলে আসবে। ডেমোক্রেসি চলে আসলে সর্বনাশ। তখন তাদের তেল সব তাদের নিজেদের হাতে চলে যাবে। আমরা তেল হারাবো, স্যার।

ট্রাম্পঃ তাহলে চলো ইরান আক্রমণ করি।

সিআইএঃ সম্ভব না স্যার।

ট্রাম্পঃ কেন?

সিআইএঃ তাদের সাথে আমাদের আলোচনা চলছে।

ট্রাম্পঃ কিসের আলোচনা?

সিআইএঃ আমরা আগে তাদের স্টিলথ ড্রোনগুলি ফিরিয়ে আনতে চাই। আমরা যদি এক্ষুণি তাদের আক্রমণ করি তাহলে রাশিয়া তাদেরকে সাহায্য করবে এবং আমাদের সৈন্যকে নিমেষে ধ্বংস করে ফেলবে; যেমন সিরিয়াতে করেছিলো। তাছারা ইসরাইলকে চেক দিয়ে রাখতে আমাদের ইরানকে দরকার আছে।

ট্রাম্পঃ তাহলে ইরাককেই আবার আক্রমণ করা যাক।

সিআইএঃ স্যার, আমাদের বন্ধুরা (ISIS) অলরেডি ইরাকের এক তৃতীয়াংশের দখল নিয়ে রেখেছে।

ট্রাম্পঃ পুরো ইরাক কেন নয়?

সিআইএঃ কারণ আমাদের ইরাকের শিয়া সরকারকে দরকার ISIS কে চেক দিয়ে রাখার জন্য।

ট্রাম্পঃ ওকে ওকে, কিন্তু আমি মুসলিমদের আমেরিকায় ঢোকা বন্ধ করতেছি।

সিআইএঃ স্যার, সেটা আপনি করতে পারবেন না।

ট্রাম্পঃ কেন? সিআইএঃ তাহলে আমাদের দেশের স্থানীয় জনগণ বেশী সাহসী হয়ে যাবে, তাদের মনে কোন ভয় থাকবে না। তাদেরকে এত সাহসী হতে দেয়া যাবেনা, ভয়ে রাখতে হবে। নাইলে আমাদের বিষয়ে নাক গলাবে।

ট্রাম্পঃ আমি চাই সব অবৈধ ইমিগ্র্যান্টদের তাদের দেশে ফেরত পাঠিয়ে দেয়া হোক।

সিআইএঃ ওরা চলে গেলে আপনার ওয়াল কে বানাবে, স্যার? এতো কম মুল্যের শ্রমিক আর পাবেন কোথায়?

ট্রাম্পঃ তাহলে HIV ভিসাধারিদের অবৈধ করা হোক।

সিআইএঃ স্যার, সম্ভব না।

ট্র্যাম্পঃ কেন? কেন? কেন?

সিআইএঃ তাহলে আমাদের হোয়াইট হাউজের কাজ গুলো পর্যন্তও ইন্ডিয়া থেকে কম মুল্যে আউটসোর্স করতে হবে।
ট্র্যাম্পঃ তাহলে আমি প্রেসিন্ডেন্ট হইলাম কী বালটা ফালাইতে?

সিআইএঃ এনজয় করুন স্যার, হোয়াইট হাউজ এনজয় করুন। বাকিটা আমরা.....

[Collected]
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই নভেম্বর, ২০১৬ বিকাল ৫:২৩
৫টি মন্তব্য ৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বঙ্গভঙ্গ থেকে চব্বিশ, পূর্ব বাংলার ইতিহাস ও বাংলাদেশের আত্মপরিচয়

লিখেছেন ওয়াসিম ফারুক হ্যাভেন, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ২:৩৩

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে বর্তমান সময়ে একটি বিরাট পরিবর্তনের ধাক্কা লেগেছে যা এক গভীর মনস্তাত্ত্বিক রূপান্তর এবং আত্মোপলব্ধির ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণ। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার রক্তক্ষয়ী গণঅভ্যুত্থানে দীর্ঘ পনের... ...বাকিটুকু পড়ুন

সৌদি আরবে নারীসহ দুই বাংলাদেশির শিরশ্ছেদ: প্রতিমন্ত্রী, নাকি পাপেট?

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৩:৫০


গত বুধবার সৌদি আরবের শরিয়া আদালত একজন নারীসহ দুই বাংলাদেশি অভিবাসী শ্রমিকের শিরশ্ছেদ কার্যকর করেছে। এ বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ যে বিবৃতিটি দিয়েছেন, সেটা পড়ে বোঝা গেল যে, পররাষ্ট্র... ...বাকিটুকু পড়ুন

মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের খবর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানল পত্রিকা পড়ে: তাহলে দূতাবাসের কাজটা কী?

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৮:১১

মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের খবর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানল পত্রিকা পড়ে: তাহলে দূতাবাসের কাজটা কী?

১৪ অক্টোবর মক্কায় দুজন বাংলাদেশি নাগরিকের শিরশ্ছেদ করা হয়েছে। তাঁদের নাম নজরুল ইসলাম আবদুল বাসির ও সিতি আখতার।... ...বাকিটুকু পড়ুন

ছবি ব্লগ -৭ বিনীত, অবনত বৃক্ষ

লিখেছেন হুমায়রা হারুন, ১৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১:০৯

পথে যেতে চোখে পড়লো নুয়ে পড়া বৃক্ষের শাখাগুলো। মনে হলো স্রষ্টার কাছে সে যেন নিবেদিত প্রার্থনায় অবনত। সব অহংকার, সব আত্মগরিমা, কৃতিত্বের ভার সে ধীরে ধীরে ঝরে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা কোন ইসলাম পালন করছি! কাদের ফলো করছি!

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১০:৫১

খোদা ও নবীজীকে অবমাননা করলে অর্থাৎ ধর্মীয় অবমাননা করলে মৃত্যুদণ্ড দিতে হবে, এমন আয়াত কোরআনে পেলাম না!
অনেক খুঁজলাম.........আমি পাই নাই। আপনি পেয়েছেন কি?



পবিত্র কোরআনে উল্লেখ আছে যে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

×