জার্মানিতে ক্রিকেট খেলা বন্ধ করে দেওয়া হয় শুধুমাত্র জনগনের সময় নষ্ট হবে এই কথা ভেবে। যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ জার্মানি সময়কে সঠিক ব্যাবহার করে আজ বিশ্বের সবথেকে বেশি উন্নত একটা দেশ হিসেবে নিজেকে প্রমান করেছে। জার্মানিতে অবস্থানরত কতিপয় বাংলাদেশী ভাইয়ের কাছে এবং অনলাইনে কিছু কিছু সাইট থেকে জার্মানির ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প জানতে পারি।
অবাক করা বিষয় হল যে উপমহাদেশে একসময় ব্রিটিশরা/ডয়েচ'রা জীবিকার তাগিদে ব্যাবসা করতে আসতো এখন সেই উপমহাদেশ থেকে আমাদের পাড়ি জমাতে হচ্ছে ব্রিটেনে/ডয়েচল্যান্ডে। তাও আবার তাঁদের দেশের হোটেলে প্লেট ধুয়ে আবার ক্লিনিং এর মত কাজ করে।
উপরোল্লিখিত চলমান বিপরীত গতিধারা এমনি এমনি গড়ে উঠেনি। প্রধান কারন আপনারা লক্ষ্য করবেন আজকে বাংলাদেশ আর পাকিস্থানের ম্যাচে। আমাদের দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি এখন কোন পর্যায়ে তা সকলের জানা। প্রতিনিত ঘটে যাচ্ছে বিভিন্ন ঘটনা। কিন্তু সেসব ঘটনা নিয়ে ২/৩ দিন মানুষ খুব বেশি মাতামাতি করে আবার ঠাণ্ডা হয়ে যায় সবকিছু। প্রধানমন্ত্রী তো এসব বর্বর কর্মকাণ্ড কোনভাবে আমলেই নেন না। বরং সকল ঘটনাকে তিনি দায়সারা করে অন্যের উপর দোষ চাপিয়ে দেন। বাংলাদেশ বনাম পাকিস্থানের মধ্যকার প্রায় প্রতি ম্যাচেই তাকে দেখেছি স্টেডিয়ামে গিয়ে হই হুল্লোড় করে খেলা দেখতে। এতো মজা যে কোথায় পান আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমার ছোট মাথায় বিষয়টা কিছুতেই ঢুকতে চায়না।
যেখানে অসামাজিক বিভিন্ন পরিস্থিতিতে দেশ কুলুসিত হচ্ছে প্রতিনিয়ত সেখানে আরাম আয়েশে খেলা দেখে সময় অতিবাহিত করে প্রধানমন্ত্রী জীবন কাটাচ্ছেন। এই দেশের উন্নতি এখন যা আছে এর থেকে কতটুকু আশা করেন আপনারা? ঢাকা শহরে যানজটের কথাই শুধু আপনারা চিন্তা করেন কেন? এটাও তো চিন্তা করতে পারেন যে, আমাদের দেশে অনেক গাড়িঘোড়া আছে। আমরা অনেক উন্নত দেশ। আমাদের প্রধানমন্ত্রী তো আমাদের সেটাই ভাবতে শেখাচ্ছেন।
পদ্মা সেতু দিয়ে কি বা হবে? তার থেকে আবুল হোসেনের মত একজন গরীব মানুষ ঐ টাকায় ধনী হয়েছে এটাই বা কম কিসে? আমাদের প্রধানমন্ত্রীর কথা হল মন্ত্রীপরিষদের সদস্যদের আগে দরিদ্রতা দূর করতে হবে তারপর দেশ নিয়ে চিন্তা করার সময় আসবে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


