চট্টগ্রামের বাশখালীতেই শুধু মারা যায় ৪৩ হাজার এবং সব মিলিয়ে মারা যায় ১লক্ষ্য ৪৫ হাজারেরও বেশি মানুষ ।
উপরের পরিসংখ্যাটা ১৯৯১ সালের ঘূর্ণিঝড়ে মারা যাওয়া মানুষের সংখ্যা । এছাড়া
শুধু মাত্র ৫ লক্ষ্য এর বেশিই মানুষ মারা যায় ১৯৭০ সালের ঘূর্ণিঝড়েই ।
ঘন্টায় ২২০ কিমিঃ গতি ছিলো ১৯৯১ সালের ঘূর্ণিঝড়ের ।
কিন্তু প্রায় ২০০ বছরের ইতিহাসে সেই ১৮২২ সালে থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত সবচেয়ে ভয়ানক ঘূর্ণিঝড় ছিলো ২০০৭ সালের ঘূর্ণিঝড় ঘন্টায় ২৪৫ কিমিঃ গতির সিডর । যাতে প্রায় সাড়ে ৩০০০ হাজারের মত মানুষ মারা যায় । গত : ২০০ বছরের সব থেকে বড় ঘূর্ণিঝড়ই কিন্তু ছিলো এই সিডর ।
এখন আসি আসল কথায় , সেটাই হইলো আমাদের বাংলাদেশকে বহিঃবিশ্বের দেশ গুলো জানতো শুধু মাত্র ঘূর্ণিঝড় বন্যা কবলিত দেশ হিসাবেই । অসংখ্য বার প্রাকৃতিক বিপদ এসে গুড়িয়ে দিয়েছে আমাদের কিন্তু প্রতিবারই আমরা জেগে উঠেছি নতুন করে । আমাদের মত সংগ্রাম করে খুব কম দেশই জেগে উঠতে পেরেছে ।
আমরা কথায় কথায় মালেশিয়ার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে বলি তারাও ১৯৭০ এর দিকে আমাদের থেকেও গরীব ছিলো কিন্তু তারা এতো এতো বার প্রাকৃতিক বিপদের মূখে পড়ে নাই । আর যদি এর অর্ধেক পরিমান বিপদেও মালেশিয়া বা তার থেকেও উন্নত দেশ পড়তো তাহলেও তাদের অবস্থা এখন ঐঅবস্থায় থাকতো না ।
আমাদের মাঝে হাজারটা দোষ আছে তবুও হাজার বার বিপদের পরলে ঠিকই কাঁধে কাধ মিলিয়েই জেগে উঠি নতুন করে । এর বড় প্রমান আমার সেই আগের প্রসঙ্গ । যেটা ছিলো ঘূর্ণিঝড় সিডর । যাতে আমরা বিভিন্ন জনসচেতনতা মূলক উদ্দ্যোগ নেওয়ার ফলে প্রাণহানী অনেক কম হয়ছিলো । যারা সর্বশেষ উদাহরন ঘূর্ণিঝড় মহাসেন এর সময় প্রায় ১০ লাখ মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যাওয়া ।
অনেক গুলো ব্যর্থতার মাঝেও খুজতে থাকা কিছু আশা । যা হয়তো আমাদের বাচিয়ে নিয়ে যাবে আরো অনেক সামনে । অবশ্য রাজনৈতিক সমস্যা না থাকলে আমাদের অবস্থা এর থেকে অনেক গুন বেশি ভালো থাকতো কিন্তু তারপরও দেশ নিয়ে আমি হতাশ হবার মত কিছু দেখি না ।
#Ronykhan_ron

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

