দিনের আলোয় চেন্নাই শহর। প্রথমে যে কথাটা ভাবলাম তা হলো, সকালের নাস্তা তো চেন্নাইয়ের ঐতিহ্যবাহী কিছু হওয়া উচিত। হোটেলের রুম সার্ভিসকে কথাটা বলতেই সে 'দোসা'র কথা জানালো। বেশ পেল্লাই সাইজের এক প্রকার মসলাদার রুটি, একজনের জন্য একটাই যথেষ্ট। এই দোসা চাটনি অথবা ঝোলজাতীয় কিছু দিয়ে খেতে হয়। আমার কাছে খাবারটা ভালই লাগলো, কিন্তু আন্না তেমন পছন্দ করলো না। এখানে তিন ধরনের রেস্টুরেন্ট রযেছে, এক শুধু সবজিভোজী, দুই আমিষভোজী এবং দুই ধরনের খাবার এক সাথে পাওয়া যায়। সবজিভোজীরা কলাপাতায় খায়।
এখানে সবচেয়ে জনপ্রিয় বাহন হলো মটরবাইক। নারী-পুরুষ উভয়ই দেদারসে মটরবাইক চালিয়ে বেড়াচ্ছে। স্কুর্ফ পড়া মুসলিম মেয়েরাও বাইক চালিয়ে যাতায়াত করছে। নারী-পুরুষের স্বাচ্ছন্দ চলাফেরা এদের লাইফস্টাইলকে গতিশীল করে তুলেছে। এর ছোঁয়া লেগেছে প্রতিটি কর্মযজ্ঞে। ভাবলাম আমাদের দেশের নারীদের কথা, সামাজিক প্রবঞ্চনার সাথে তাদের আত্মপ্রবঞ্চনার মানসিকতা কতটা গভির তা বেগম রোকেয়ার 'মানসিক দাসত্ব' কথাটার মাঝে প্রকাশ হয়।
রাস্তার মোড়ে মোড়ে ফলের দোকান, ফলের জুস বেশ সস্তা, সেই সাথে রযেছে মিল্কসেক, বিভিন্ন ফলের সাথে দুধের মিশ্রণ। তৃষ্ণা মেটানোর হরেক রকম ব্যবস্থা। আবহাওয়াটা বেশ গরম। এই সময়ে তাপমাত্রা ৩২ থেকে ৩৬ ডিগ্রী উঠানামা করছে।
বিকেলে ভেল্যুর যেতে হবে। সেখানেই আমার গন্তব্য।
[চলবে......]

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




