somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

শিশির খান ১৪
সময় পাইলে ব্লগ লেখাটা এখন নেশায় পরিণত হয়েছে। ব্যাস্ততার ফাকে যারা আমার ব্লগ দেখেন তাদের কাছে কৃতজ্ঞ। আপনাদের অনুপ্রেরণা থাকলে নিশ্চই সামনের দিন গুলোতে লেখা চালিয়ে যাবো।

ভারত কি এইবার ও আমাদের হাতে কলা ধরায় দিবে ?

১৯ শে মে, ২০১৫ দুপুর ১২:২২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ভারতের প্রধান মন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী প্রথম ঢাকা সফরে আসবেন সামনের মাসে।এই তো কিছু দিন আগে চায়না ভ্রমন করলেন। চায়না তে ভ্রমনের শেষ দিন প্রবাসী ভারতীয়দের উদ্দেশে ভাষন দিচ্ছিলেন। এটা বলতেই হবে তার ভাষন দেওয়ার ক্ষমতা বা বচন ভঙ্গি খুব সুন্দর যা মানুষকে আকর্ষণ করে খুব সহজেই।চায়না তে উনি বৈশ্বিক উষ্ণতা নিয়ে কথা বলছিলেন। হাসতে হাসতে ভাবলাম বাংলাদেশের নদীর নায্য পানিটা পর্যন্ত আটকায় রাখে যেই ভারত বা সুন্দর বনের পাশে কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্র তৈরী করে তাদের কাছ থেকে বৈশ্বিক উষ্ণতার কথা শুনলে কার না রাগ লাগে বলেন ?গ্রাউন্ড ওয়ার্ক হলেও চুরান্ত তিস্তা চুক্তি এবারও হবে বলে মনে হচ্ছে না।জানুয়ারি ২০০১ থেকে এপ্রিল ২০১৫ পর্যন্ত বিএসএফ এবং সাধারণ ভারতীয়দের হাতে ৮৫৩ বাংলাদেশি হত্যা হয়েছে।সীমান্তে ফেলানী হত্যাকান্ডের মতো ঘটনা এটা প্রমান করে ভারত নিজের স্বার্থে সব করতে পারে।

এবার আসুন ভারতের প্রধান মন্ত্রীর সফরে কি কি চাহিদা রয়েছে তা জেনে নেই চট্টগ্রাম ও মংলা সমুদ্রবন্দর ব্যবহার করে বাংলাদেশের ওপর দিয়ে ওই দেশটি আরও ১৫টি রুটে ট্রানজিট চেয়েছে। একই সঙ্গে দেশটির উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোতে পণ্য এবং যাত্রী পরিবহনে নৌ, সড়ক, রেল ও সমুদ্রপথে সংযোগও বাড়াতে চায় দিল্লি। এ জন্য উপযুক্ত অবকাঠামো উন্নয়নে ভারত সহায়তা দিতেও প্রস্তুত রয়েছে।তার নিদর্শন স্বরূপ ভারতের তরফে বাংলাদেশকে নতুন করে কোটি ডলারের ঋণ দেয়ার একটি ঘোষণা আসতে পারে।এটি ১০০ কোটি হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশেষ করে বাংলাদেশের গভীর সমুদ্র বন্দর নির্মাণে ভারত আগ্রহ দেখাবে এটা নিশ্চিত।

বাংলাদেশের মতো ছোট দেশ যার তিন দিকেই সুপার পওয়ার ভারতের অবস্তান তাদের কাছ থেকে দাবি আদায় করা কিন্তু বেশ কঠিন বেপার যে খানে বাংলাদেশের রাজনীতি তাদের ইশারায় চলে। তোফায়েলের মতো বর্ষীয়ান নেতারা দেশের জন্য কি আদায় করেন তার একটা পরক্ষা হয়ে যাবে।

০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মুহাম্মদ আলি জিন্না

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১১:৩৫



১৮৭৬ সালে করাচিতে এক দুষ্ট বালকের জন্ম হয়।
এবং ৭৬ বছর বয়সে দীর্ঘদিন যক্ষা রোগে ভূগে- দেশ ভাগের পরের বছর মারা যান। এই দুষ্ট বালক'ই পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা। নাম তার... ...বাকিটুকু পড়ুন

মতামত পোস্ট: ২২ সালে লিখেছিলাম: যে শঙ্কা ছিলো তা আজকের বাস্তবতা

লিখেছেন অর্ক, ০৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১:৩১



আমাদের কওমি জননী সত্যি কি অসাম্প্রদায়িক? হলে কতোটা? প্রশ্ন থাকলো সবার কাছে। তেতুল হুজুর মাওলানা শফি খুব ভক্তিভরে তাকে কওমি জননী উপাধি দিয়েছিলেন। এমনি এমনি তো আর নয়। অত্যন্ত মহব্বত... ...বাকিটুকু পড়ুন

"রিকন্সিলিয়েশান"....ইহা কি খায় নাকি মাথায় দেয়?

লিখেছেন মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ, ০৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:০০



সত্যি সত্যিই তাদের সুযোগ ছিলো ২৫ শে মার্চ এর পর যাবতীয় অপকর্ম জনগণের কাছে স্বীকার পূর্বক,
/মুক্তিযুদ্ধে তাদের দ্বারা নৃশংসতার শিকার জনগণের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা,
/তাদের ক্ষতিপূরণ দিয়ে এবং,
/সব... ...বাকিটুকু পড়ুন

সেরা লেখক

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ০৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৮:৪৭



বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে ভালো লেখক এক কথায় - হুমায়ূন আহমেদ। হুমায়ূন আহমেদের লেখা উপন্যাস মধ্যাহ্ন বা দেয়াল - এর পাশাপাশি রাখার মতো বাংলাদেশে আর কোনো উপন্যাস আছে কিনা আমার জানা... ...বাকিটুকু পড়ুন

=ডায়াটে একদিনের খাবার=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১১:৫১

ডায়াটের প্রথম দিকে-একদিনের খাবার। বর্তমানে আমাদের দেহে রোগসুগের অভাব নাই। ডায়াবেটিস, প্রেসার, ক্যান্সারসহ নানাবিধ রোগ বলা নাই কওয়া নাই শরীরে এসে বাসা বাঁধে।

আর এসব রোগের একমাত্র কারণ আনহেলদি... ...বাকিটুকু পড়ুন

×