কি করলো বিসিবি? কোচিং স্টাফ চেঞ্জ করলেই কি রেজাল্ট চেঞ্জ হয়ে যায়? টুকটাক যে প্রবলেমগুলো ছিলো সে প্রবলেম সলভ না করেই ভারতের দ্বিতীয় সারির দলের সাথে যে স্কোয়াড ঘোষণা করা হলো তারা যে আগের বিপর্যয়ই উপহার দেবে এটাইতো স্বাভাবিক তাইনা? মাঠে কোচ গিয়ে খেলে দিয়ে আসেনা। কোচের মূল কাজ ভূল শুধরে দেয়া, পরিকল্পনাটা ঠিক করা। খেলোয়াড়রা যদি বারবার সে পরিকল্পনা মাঠে গিয়ে মাটি করে দিয়ে আসে তাহলে তাকে বাদ না দেয়া গেলেও অন্তত একটা দুইটা সিরিজের জন্য বিশ্রামে পাঠানোতো উচিত।
হ্যাঁ ইঙ্গিতটা তামিমের দিকে। সে কি আশরাফুলের চেয়েও বড় কোন ম্যাজিকাল ব্যাপার স্যাপার হয়ে গেলো নাকি বাংলাদেশের জন্য বুঝতে পারছি না, নাকি আকরাম খানের ভাতিজা আর চিফ সিলেক্টর ফারুক আহমেদের ঘনিষ্ঠ আত্মীয় এ পরিচয়ই বড় ফ্যাক্টর হয়ে দাঁড়াচ্ছে? আশরাফুল বারবার শুরুতেই আউট হয়ে বাংলাদেশকে বেকায়দায় ফেললেও বাংলাদেশের আজকের এ অবস্থানের ভিত্তিতো তাঁর হাত দিয়েই রচিত। ক্রিকেটের মোড় ঘোরানো জয়গুলোতো তাঁর হাতেই রচিত হয়েছিল। যেখানটায় সাকিবও আশরাফুলের চেয়ে যোজন যোজন পিছিয়ে। অন্তত সে তুলনায় বলতে গেলে তামিমতো একা জিতিয়েছেন মাত্র একটা ওয়ানডে জিম্বাবুয়ের সাথে ৩০০ রান তাড়া করে। সে জয় আবার বাংলাদেশের ক্রিকেটের মোড় ঘুরিয়ে দেয়ার জয়ের মধ্যে পড়েনা।
নিজের স্বর্ণালী সময়ে আশরাফুল যদি একাধিকবার জাতীয় দল থেকে বাদ পড়তে পারেন তাহলে নিজের খারাপ সময় তামিম পড়বেন না কেন? বোলিং ডিপার্টমেন্টে নিয়েই সবচেয়ে ভাবার সময় এসেছে এখন। সাকিব মাশরাফি ছাড়া কেউই ঠিকঠাক কাজটা করছে না। সসম্মানে আবদুর রাজ্জাককে বিদায় বোলার সময় বোধহয় হয়ে এসেছে এখন। লাস্ট এক দেড় বছর ধরেই ফর্মহীন অবস্থায় প্রতিটি ম্যাচই খেলে যাচ্ছেন তিনি। রুবেল বাদ যাবে একেবারে। কেবল গায়ের জোরেই বল করতে পারে সে এছাড়া আর কোন যোগ্যতা নেই তার। নাসির হোসেন আর মাহমুদুল্লাহ রিয়াদকে নিয়েও ভাবার সময় এখন।
খেলোয়াড় তৈরির পাইপলাইন যদিও এখন আগের মত আর হ-য-ব-র-ল নেই। তবুও বিসিবি এজ লেভেল অতটা গুরুত্ব দিচ্ছে বলে মনে হয়না। এজ লেভেলকে ইন্টারন্যাশনাল লেভেলের ফ্যাসিলিটিস এখনো পুরোপুরি না দেয়াটা বিসিবির মুর্খতা ছাড়া আর কিছুই না। ছোটখাট এই ভুল গুলো যতক্ষণ না শুধরোবে বিসিবি ততদিন যতই কোচিং স্টাফ চেঞ্জ করা হোক কোন কাজ হবেনা।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



