somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

সাব্বির আহমেদ সাকিল
আমার ব্লগে ঘুরতে আসায় আপনার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি । আশা করছি আমার লেখালেখি, ফটোগ্রাফি আপনার ভালো লাগবে । ফেসবুকে আমার সাথে যুক্ত হতে পারেন— https://www.facebook.com/SA.Sabbir666

সর্বদা খোঁজ-খবর রাখা সেই মানুষটিই হলো ‘মা’

১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ১:১৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



মা নামক মানুষগুলো একটু বেশীই ভালো জানেন মশারি না টাঙিয়ে ঘুমালে মশা কামড়ায়‚ রক্ত খায়; ফলে রক্তশূন্যতা হতে পারে‚ শরীর খারাপ করতে পারে । এবং সেই মানুষটাই পারেন গভীর রাতে আপনি যখন ঘুমে অচেতন তখন সেই মানুষটা এসে মশারি টাঙ্গিয়ে দেন‚ বিছানার চারপাশে ভালোভাবে মুড়ে দেন যেন মশা প্রবেশ করতে না পারে ।

আমার জীবনে বহুকাল এই ঘটনা ঘটেছে । রাতে লাইট জ্বালানোই আছে ওদিকে মশারী না টাঙিয়েই ঘুমিয়ে গেছি । মা আরামের ঘুম থেকে উঠে রুমে এসে মশার টাঙ্গিয়ে দিতেন‚ মশারির ভিতরে মশা থাকলে সেটা যখনই ঝারতেন তখনই জেগে উঠতাম আর বললাম‚ “মা যাও তো কই মশা এখানে । মশা নাই ।” অথচ মশারির ভিতরে অগণিত মশা । এবং নিজেও টের পাচ্ছি যে এতক্ষণে কত রক্ত খেয়ে গেছে মশার দলবল ।

কি এক আধ্যান্তিক আকর্ষণ মায়ের সাথে । ঢাকাতে থাকতে মিল হতো দু’বেলা সকালে আর রাতে । সকালেরটা দুপুরেই খেতাম‚ এতে করে একবেলার মিলরেট বেঁচে যেত । যদিও ঢাকাতে অধিকাংশ দিন-ই অনাহারে কেটেছে আমার । প্রতিদিন সকালে মা ফোন দিয়ে বলতেন‚ খেয়েছি কি-না তখন বেশিরভাগ সময় মিথ্যার আশ্রয় নিতে হতো মা’র মনকে আহত না করতে । বলতাম যে খেয়েছি । এই কথা শোনার পর-ই মা’র কণ্ঠস্বর অন্যরকম হয়ে যেত । অর্থ্যাৎ মা’র কাছে ধরা পড়ে গেছি । মা যে আমার কথাটা বিশ্বাস করেননি সেটি আমার কাছে সুস্পষ্ট ।

অথচ নিষ্ঠুরতম পৃথিবীর জাগতিক নিয়মতান্ত্রিকতার কারণে মা’কে সবসময়ই বলি ‘নিষ্ঠুর’ হয়ে যেতে । কিন্তু মা পারেনি কখনও‚ এও জানি কখনও পারবেনওনা । কি অমায়িক মানুষ । নিষ্ঠুর হতে পারেননা‚ কঠোর হতে পারেননা‚ স্বার্থপর হতে পারেননা‚ সেবা-যত্ন করতে ভোলেননা একারণেই বোধহয় তিনি ‘মা’ । একারণেই তিনি চিরসুন্দর‚ চির কোমল‚ চির অতুলনীয়া...

সাব্বির আহমেদ সাকিল
২৪ ভাদ্র ১৪২৮ বঙ্গাব্দ‚ শরতকাল | বুধবার | ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ ইং | ময়মনসিংহ

#সাব্বিরসাকিল #মা #ময়মনসিংহ
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ১:২০
১টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বাংলাদেশের আন্ডারওয়ার্ল্ডের ডন সমগ্রঃ পর্ব ২

লিখেছেন গিয়াস উদ্দিন লিটন, ১০ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৩৪



আকবর শেঠ।



'বৈঠকি খুনের জনক' আকবর শেঠ এর জন্ম ১৯৫০ এর দশকে। আকবরের প্রথমদিককার জীবন সম্পর্কে তেমন কিছু জানা যায়না। আকবর শেঠ প্রথম লাইমলাইটে... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেখ মুজিব হল → ওসমান হাদি হল: নতুন বাংলাদেশের শুরু ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১১ ই জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:২৩


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শেখ মুজিবুর রহমান হল ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব নিয়ে দেশের শিক্ষাঙ্গনে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে। একদিকে ডাকসু নেতারা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট নাম... ...বাকিটুকু পড়ুন

সাত কোটি বাঙালির হে মুগ্ধ জননী রেখেছো বাঙালি করে মানুষ করনি‼️রবিন্দ্র নাথ সঠিক ছিলেন বঙ্গবন্ধু ভুল ছিলেন। বাঙালি আজও অমানুষ!

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ১১ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৮:১৩


১০ই জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু স্বাধীন বাংলাদেশের জনগন সহ সমগ্র বিশ্বের প্রতি যে নির্দেশনা। তা এই ভাষণে প্রতিটি ছত্রে ছত্রে রচিত করেছিলেন। ৭ই মার্চের চাইতেও গুরুত্বপূর্ণ ছিলো ভাষণের নির্দেশনাগুলো! কি অবলীলায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

জন্মের শুভেচ্ছা হে রিদ্ধী প্রিয়া

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ১১ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:০১



জন্মের শুভেচ্ছা নিও হাজার ফুলের
শৌরভে হে রিদ্ধী প্রিয়া, তোমার সময়
কাটুক আনন্দে চির।স্মৃতির সঞ্চয়
তোমার নিখাঁদ থাক সারাটা জীবন।
শোভাতে বিমুগ্ধ আমি তোমার চুলের
যখন ওগুলো দোলে চিত্তাকর্ষ হয়
তখন... ...বাকিটুকু পড়ুন

=হাঁটি, আমি হাঁটি রোজ সকালে-মনের আনন্দে=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১১ ই জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:৩৭

রোজ সকালে খুব হাঁটার অভ্যাস আমার, সকালটা আমার জন্য আল্লাহর দেয়া অনন্য নিয়ামত। হাঁটা এমন অভ্যাস হয়েছে যে, না হাঁটলে মনে হয় -কী যেন করি নাই, কী যেন হলো... ...বাকিটুকু পড়ুন

×