বাসার থেকে বাবা, অফিসে যাবার জন্য যখন বের হয়; ঘরে সবার দিকে এক অদ্ভুত দৃষ্টিতে তাকিয়ে রওনা হন।
এরপর ছেলেও বের হয়; তারও সেই চাহনি।
তারপর মেয়েটি স্কুলের ব্যাগভর্তি করে স্কুলের দিকে যায়।
প্রত্যেক সদস্যের যাত্রাবেলায় মা বারান্দায় এক অসহ্য অসহায় চেহারা নিয়ে তাকিয়ে থাকেন।
আর মনে মনে ইশ্বরকে স্বরন করে বলেন "রক্ষা রর প্রভু" !
আর যারা কর্মজীবনে আর শিক্ষার উদ্দেশ্য নিয়ে সারাদিন বাইরেপ; তাদের মাথায় আবার চিন্ত একাকী যে মানুষটি ঘরে আছেন; তাকে নিয়ে ।
এভাবেই প্রতিটিদিন কাটাচ্ছে বাংলার প্রতিটি পরিবার্। পুরো পৃথিবীর প্রতিটি পরিবার যখন অনু হতে হতে অতি আনুবিক্ষণিকে রুপান্তরিত হচ্ছে; পারিবারিক সম্পর্ক গুলো তুচ্ছ হয়ে যাচ্ছে; ঠিক তখনই বাংলাদেশর পরিবারিক বন্ধন শক্তিশালী হচ্ছে !
So; স্যালুট টু পলিটিক্স!
বিএনপির দাবি ইহা আন্দোলন!
আসলেই কি তা আন্দোলন এর সংজ্ঞা বাঙ্গালীর থেকে ভালো কে যানে ?
৫২,৫৪,৬৬,৬৯,৭১,৯০-কোনটিতে পুলিশী বেরিকেড ছিলোনা ?
জলপাই রঙ্গের চোখরাঙ্গানী ছিলো না ?
কবে কোন পথচারী আন্দোলনকারীদের হাতে নিহত হয়েছেন ?
আন্দোলন হচ্ছে -"রাষ্ট্রের স্বার্থে অত্যাচারীদের অন্যায়ের প্রতিবাদ করে রাস্তায়, সমাবেশ-মিছিল-মিটিং-গণসংগীত পরিবেশন করে সাধারণ জনগন প্রথমে সচেতন করা; তারপর জনগনকে সাথে নিয়ে অত্যাচারীদের পতন নিশ্চিত করা। তবে বিএনপি -জামায়াত অবরোধ -হরতালের ঘোষণা দিয়াই পগাম্পর !
গ্রেফতার অতঙ্কে থাকেন তারা; আরে পাগলা ভয়ই যদি পাস;রাজনীতি করনের দরকার কি?
আন্দোলন পাশের বাড়ির আপুর সেলফোন নম্বর নহে!
জামায়াত -শিবিরকর্মীরা যেভাবে সাধারণ মানুষের উপর আক্রমণ করছে; আর যাইহোক তা গনতান্ত্রিক আন্দোলন নয়!
আবারো বলছি যারা আমায় প্রশ্ন করে আমি কি আওয়ামীলীগ করি ?
তাদের বলি; আরে পাগলা আওয়ামীলীগ কি আর করা যায় !
করিতো ব্যাট্যা জামাত -বিএনপি!
থ্রি সামের মাজাহি; কুচ অরহে!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



