somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

হঠাৎ ঝলক

১৪ ই আগস্ট, ২০১২ বিকাল ৫:৪৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

রবিন ছেলেটাকে আমার একটুও পছন্দ হয় না। দেখলেই গায়ের মধ্যে জ্বলে ওঠে। রাগে, হিংসাই আমার মুখ দিয়ে ফেনা বের হয়। আর তখন পৃথিবীর সমস্ত গালিগুলি আমি বিড়বিড় করে একটার পর একটা দিতে থাকি। মনে হয় যেন, লাফ দিয়ে ওর গলাটা টিপে ধরি। অবশ্য ছেলেটির মধ্যে বেশ কয়েকটি ভালো গুন আছে। যেমন- ভদ্রতা, নম্রতা, সুরুচিবোধ ইত্যাদি ইত্যাদি। আমার বেস্টফ্রেন্ড অর্ণবকে সে বস করে ফেলেছে। প্রত্যেক স্যারের মুখে তার প্রশংসা। এমনকি মেয়েরাও পর্যন্ত ওর জালে আটকেছে। রবিন ভাল ছেলে আমি মানলাম, কিন্তু ওর মধ্যে এমন কি আছে যা আমার মধ্যে নেই? ওর রোল চার, আমার দুই। আমিও সুরুচিসম্পন্ন ভদ্র-নম্র ছেলে। আর সবচেয়ে বড় কথা হলো যে, গতবার আমার জন্যই স্কুল ফুটবল খেলায় জিতেছে। সামনের খেলায় আমিই হবো ক্যাপ্টেন।

রবিনের বাড়ি চট্টগ্রাম। ওর বাবা নেই, মা কোনো এক এনজিও তে চাকুরি করে। ওর মাথা ভর্তি চুল। আমার মনে হয়, চুলতো নয় যেন কাকের বাসা। তার গায়ের রঙ আমার থেকে খারাপ, মুখটা ফুটবলের মতো। শরীরটা পাটকাঠির মত চিকন। আমাদের স্কুলের স্যার-ম্যাডাম থেকে শুরু করে আমার বন্ধুরা, ছোটরা, বড় ভাইয়া-আপুরা সবাই ওকে খুব পছন্দ করে। সেই দিনই দেখলাম স্কুলের বারান্দায় হেডস্যারের সাথে হেসে-হেসে পাথরের মতো বত্রিশ খানা দাঁত বের করে কথা বলছে। আমার বড় ভাই রকিবের মুখেও তার গুণগান। আমি বেশ কয়েক দিন ধরে লক্ষ্য করছি যে, রবিন ছেলেটি আমার দিকে আড়চোখে তাকাচ্ছে। একদিন স্কুলের বারান্দায় আমি দাঁড়িয়ে আছি, হঠাৎ কোথা থেকে ব্যাটা এসে জিঞ্জাসা করল- তোমার নাম কি?
আমি উত্তর দিলাম – অন্তু। এরপর সে আমাকে আরো কিছু বলবার আগেই আমি সেখান থেকে কেটে পড়লাম।

আজ গণিত পরীক্ষা। রাতে ঘুমাতে পারিনি। লম্বা সিলেবাস। এবার খালেদকে হারিয়ে আমি ক্লাসে ফার্স্ট হবো এই আসায় আছি। আমার সিলেবাস ফুল কমপ্লিট। তিনবার সব রিভাইজ দিয়েছি। ১০০তে ইনশাল্লাহ্ ১০০ পাবো। সারা বছরের আমার অক্লান্ত পরিশ্রম আজ সফল করবার দিন। ক্লাসে নিজের সিট খুঁজতে বেশ সময় লেগে গেল। শেষ পর্যন্ত ক্লাসের লাস্ট বেঞ্চে সিট পেলাম। হাতে মাত্র দশটা মিনিট বাকি আছে পরীক্ষা শুরু হতে। কাজেই সময় নষ্ট না করে মনোযোগ সহকারে শেষ বারের মতো রিভাইজ দিচ্ছি। এমন সময় হঠাৎ ক্লাসে রবিন প্রবেশ করলো। আমার মনে হলো যে, পরীক্ষার আগে ওর মুখ দেখা ঠিক হলো না। রবিন ক্লাসে সামনে তার জায়গা খুঁজছে। আমি আবার আমার পড়াই মনোযোগী হলাম। হঠাৎ দেখি রবিন আমার সামনে বসে আমার দিকে ফ্যাল ফ্যাল করে তাকিয়ে আছে। আমার ভিতরটা তখন জ্বলে উঠল। মনে হলো - যেখানে বাঘের ভয়, সেখানেই রাত হয়। আমি তাকে মারবার জন্য হাত বাড়াবার আগেই স্যার ক্লাসে প্রবেশ করল। আমি স্যারকে দেখে নিজেকে কন্ট্রোল করে নিলাম।

স্যার খাতা দিচ্ছেন। আমি আমরা কলম-পেন্সিল সব রেডি করলাম। এবার প্রশ্ন দেবার পালা। আমি মনে-মনে প্রভুর নাম করছি। প্রশ্ন পেলাম। তিন বার চুমু খেলাম। বুকে ঠেকালাম। এবার প্রভুর নাম নিয়ে চোখের সামনে প্রশ্নপত্র ধরলাম এবং তাতে স্পষ্ট সহকারে লেখা দেখলাম –
২য় সাময়িক পরীক্ষা
কাশেমপুর স্কুল এণ্ড কলেজ
শ্রেণীঃ দশম ; সময়ঃ ২ ঘন্টা
বিষয়ঃ বিজ্ঞান
বুকের মধ্যে ধক করে উঠল। ইস, আমি জানতাম যে আজকে গণিত পরীক্ষা, এখন দেখি বিজ্ঞান। মাথা চক্কর দিচ্ছে। চোখ ফেটে জল এল। কি করবো, কি লিখবো তা কিছুই ভেবে পাচ্ছিনা। এদিকে দশটা মিনিট পার হয়ে গেছে। আমার দ্বারা এতো বড় ভুল কি ভাবে হলো? এমন সময় হঠাৎ সামনে থেকে রবিন বলল, “আমারটা দেখ”। আমি অবাক হলাম। আমার মনের কথা ও কিভাবে বুঝল জানিনা। তবে ওর প্রস্তাবটা বেশ ভালো। তাই বেশি না ভেবে শুরু করলাম।

সব পরীক্ষা শেষ। আজ রেজাল্ট দিয়েছে। আমি ১০ম হয়েছি। রবিন ৩য় হয়েছে। রবিনের প্রতি আমার একটু কৌতুহল জেগেছে। একদিন ক্লাসের বেঞ্চে রবিনকে একা বসে থাকতে দেখলাম। সেদিন তখনও সবাই ক্লাসে এসে পৌছেইনি। এই প্রথমবারের মতো রবিনের সাথে মন থেকে কথা বলবার ইচ্ছা করল। আমি ওর কাছে যেয়ে বসলাম। বললাম –
- সেদিনের সাহায্যের জন্য তোমাকে ধন্যবাদ।
- ঠিক আছে। ওটা আমার কর্তব্য ছিলো।
- হি! হি! তা তোমার ভালো নাম কি?
- রবিন আহমেদ।
- তোমাকে আমার ভালো লেগেছে। আমার সাথে বন্ধুত্ব পাতাবে?
- অবশ্যই।
এমন সময় ক্লাস শুরু হবার বেল পড়লো। স্যার ক্লাসে চলে এসেছেন। আমি মনে মনে হাস্সি। সব রাগ-হিংসা এতো সহজেই ভুলে গেলাম, বিশ্বাস হচ্ছেনা। সত্যি রবিন ছেলেটি অন্যদের থেকে একটু আলাদা।

বেশ কয়েকদিন কেটে গেছে। অর্ণবের সাথে সাথে রবিনও আমার বেস্টফ্রেন্ডে পরিণত হয়েছে। শুধু স্কুলের সময় নয়, দিনের পুরো সময়টায় আমরা তিনজন একসাথে কাটাই। আমরা তিনজনে এমন কোনো কাজ নেই যা পারিনা, আবার এমন কোনো কাজ নাই যা করিনা। স্কুলের স্যার-ম্যাডাম থেকে শুরু করে বড়-ছোট সবাই জানে আমরা তিনজন একে অপরের বেস্টফ্রেন্ড। সবাই আমাদেরকে থ্রী-ডায়মন্ড নামে চেনে। সামনে ফুটবল ম্যাচ। তাই কড়া প্রাক্টিস চলছে। আমি ক্যাপ্টেন হয়েছি। রবিন ভালো খেলে। ওকে তাই সহ-ক্যাপ্টেন বানিয়েছি। অর্ণব আমাদের দলের গোলকিপার।

আজ খেলা। রোদ্রময় দুপুর। মেঘমুক্ত নীল আকাশ। আমাদের স্কুলের জন্য আজকের দিনটা একটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিন। মাঠ ভর্তি দর্শক। আমাদের অভিভাবকরাও এসেছেন। রবিনের মাও এসেছেন। আমি উনাকে এই প্রথম দেখলাম। উনি সাদা বোরখা পরে এসেছেন। আমার বড়ভাই তার বন্ধুদের নিয়ে খেলা দেখতে এসেছেন। আমরা যদি জিতি তবে হাজারপতি না হতে পারলেও অন্তত একেক জন শতপতি হতে পারব। আর যদি হারি তবে হয়তো আর বাড়ি যাওয়া হবেনা। এখানেই আমাদের পুতে ফেলবে। আমাদের হেডস্যার আমাদেরকে সাহস দেবার জন্য পানির বোতল হাতে নিয়ে জোরে-জোরে চিল্লাচ্ছেন। সবার মনে টান-টান উত্তেজনা চলছে। আমাদের প্রতিপক্ষ দল আদর্শ স্কুল এণ্ড কলেজ।

খেলা শুরু হলো। দাউ-দাউ করে জ্বলন্ত রৌদের মধ্যে আমরা গুলির মতো সাই-সাই করে খেলছি। পাশ থেকে আমাদের মনোবল বাড়াবার জন্য গলা ফাটানো চিল্লানির কোনো অভাব নেই। আমার একটা কিক ওদের বারে লেগে ফিরে এসেছে। ওরাও কম নই। অর্ণব বাঘের মতো লাফ দিয়ে একের পর এক বল ঠেকাচ্ছে। রেফারির বাঁশি ঘন-ঘন পড়ছে। হলুদ কার্ড পাওয়া খেলোয়ারে মাঠ ভরে গেছে। কিন্তু খেলার শেষ পর্যন্ত কোনো দলই বল গোলবক্সে বল ঢুকাতে পারলোনা। শেষমেশ রেফারি সিদ্ধান্ত নিলেন যে ট্রাইবেকার হবে।

আমরা সবাই মাঠের এক পাশে বসে ঠিক করছি যে কে কে ট্রাইবেকারে শর্ট নেবে। এমন সময় রবিন আমাকে সবার সামনে বলে উঠল, “আমি গোলকিপার থাকবো”।
সবাই চুপ । যে ছেলে আজ পর্যন্ত কোনদিন গোলকিপিং প্রাক্টিস করেনি সে কিভাবে এমন কথা বলতে পারে। আমি বললাম, “রবিন তুই কি নিশ্চিত, যে তুই ওদের বল ঠেকাতে পারবি”? রবিন বললো, “পারবো”।
রবিনের জেদ দেখে সত্যিই খুব অবাক হলাম। সবাই নিষেধ করলো, রবিনকে গোলকিপার বানাতে। কিন্তু আমি অর্ণবকে অনেক বুঝিয়ে গোলকিপার থেকে সরিয়ে, রবিনকে গোলকিপার বানালাম। দল যদি হারে তবে এর জন্য আমিএকা সম্পূর্ণরূপে দায়ী থাকব।

প্রত্যেক দল পাঁচটি করে গোলকিক করবে। প্রথমে আমাদের পালা। চারটি করে কিক করার পর ওদের তিন গোল, আমাদেরও তিন গোল। বারে লাগার জন্য ওদের একটি গোল কম হয়েছে। আর আমাদের একটি কিক ওদের গোলকিপার ঠেকিয়েছে। আমাদের দলের শেষ কিকটি আমার। বল রেখে বলের পিছনে পজিশন নিলাম। কিক করলাম। ভাগ্যক্রমে গোলবারের পাশঘেষে গোল হলো। প্রতিপক্ষের ক্যাপ্টেন এই মাঠের বেষ্টপ্লেয়ার। গুলির মত তার কিক করার গতি। কাজেই এবার বল ধরাটা অত্যন্ত কঠিন হবে রবিনের জন্য। রবিন প্রস্তুত। আমি গোলবারের পাশে যেয়ে দাড়ালাম। ওদের ক্যাপ্টেন বল রেখে পজিশন নিচ্ছে। মাঠের সবাই চুপ। বল কিক করলো। গুলির বেগে বল আসছে। হঠাৎ আমার ঝলক লাগলো। দেখলাম রবিনের ছায়া নেই। রবিন অদ্ভূত ভাবে লাফ মেরে সবাইকে অবাক করে দিয়ে বলটা ধরে ফেললো। সবাই খুশিতে ফেটে পড়ল। চার-তিন গোলে আমরা জিতলাম। ফুটবল কাপ পেলাম।

বেশ কয়েকদিন কেটে গেছে। রবিনের সাথে মাঝে আর দেখা হয়নি। আমার মনের মধ্যে রবিনের ব্যাপারটা বারবার পাক খাচ্ছে। স্কুলে যেয়ে রবিনকে দেখলাম অর্ণবের সাথে কথা বলতে। আমাকে দেখে রবিন অর্ণবের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে এগিয়ে এলো। আর বলল –
- তুমি কি বলতে চাও, তা আমি জানি।
আমি অবাক হলাম। বললাম –
- ও, তাহলে তুমি সত্যি মনের কথা বুঝতে পারো তাইনা?
- হ্যাঁ। আমি পারি।
- তোমার ছায়া ছিলোনা কেনো সে সময়?
- আমি জানতাম তুমি আমাকে এই প্রশ্নটি করবে।
- তুমি আসলে কে?
- আমি চাইনা তুমি তা জানো। আমিকে তা তুমি জানবার আগেই আমি এখান থেকে চলে যাব।
আমি চোখে অশ্রু নিয়ে বললাম,
- না, তুমি যাবে না। তুমি আমাদের ছেড়ে যেতে পারনা। আমার প্রয়োজন নেই, তুমি কে তা জানবার।
- আমাকে যে যেতেই হবে বন্ধু। তা না হলে এই আমিই যে একদিন তোমার মৃত্যুর কারণ হবো। আর আমি তা কখনই চাইনা। আমার সময় এই জায়গাতে শেষ। খোদা হাফেজ।
এই কথা বলে রবিন পিছনে ফিরে হাঁটতে শুরু করল। আমি পাথরের মত দাঁড়িয়ে রইলাম।

আজ নতুন বছর শুরু হলো। সবাই ক্লাসে হৈ চৈ করছে। আমি ক্লাসের এক কোণায় চুপ করে বসে আছি। রবিন আর নেই। সে আর কোনো দিনই ফিরে আসবে না। ভাবলেই চোখে জল আসে। সত্যি সে আজব ছিল। আমাকে হঠাৎ ঝলক দিয়ে চলে গেল। আচ্ছা, ওর খোঁজ করা যাবেনা, এমনটি তো নয়। সে কি তাহলে মানুষ ছিল না? …………………………
-সমাপ্ত-
২টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মেধা নয়, রাজনৈতিক পরিচয়ই কি আমাদের রাষ্ট্রে যোগ্যতার মাপকাঠি?

লিখেছেন raselabe, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ ভোর ৬:২৯

বিসিএসসহ বিভিন্ন সরকারি চাকরির নিয়োগ প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক পরিচয় বা ভেরিফিকেশনের কারণে প্রার্থীদের বাদ পড়ার অভিযোগ আমাদের প্রিয় মাতৃভূমিতে নতুন কোনো ঘটনা নয়। রাজনৈতিক দলগুলো ক্যাম্পাসে ক্যাম্পাসে নিজেদের ছাত্রসংগঠনের কার্যক্রম চালু... ...বাকিটুকু পড়ুন

তাবলিগে গিয়ে যা শিখলাম না

লিখেছেন মুনতাসির, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৮:৫৯

আমি যখন ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ি, তখন আমার কয়েকজন বন্ধু তাবলিগ করত। তাবলিগের প্রতি আমার কখনোই আগ্রহ ছিল না। তবে ওরা নিজেরা রান্না করত, আর আমি রান্না করতে পছন্দ করি। তাই একদিন... ...বাকিটুকু পড়ুন

যার যার ধর্ম, তার তার উৎসব....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:১০


যার যার ধর্ম, তার তার উৎসব....

“ধর্ম যার যার, উৎসব সবার”- শুনতে চমৎকার, জনপ্রিয়ও বটে। কিন্তু কথাটি কি ধর্মীয় বিশ্বাসের বাস্তবতার সঙ্গে পুরোপুরি সংগতিপূর্ণ?
আমার কাছে তা নয়। এধরণের বাণী... ...বাকিটুকু পড়ুন

সৌদি আরবে নারীসহ দুই বাংলাদেশির শিরশ্ছেদ: প্রতিমন্ত্রী, নাকি পাপেট?

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৩:৫০


গত বুধবার সৌদি আরবের শরিয়া আদালত একজন নারীসহ দুই বাংলাদেশি অভিবাসী শ্রমিকের শিরশ্ছেদ কার্যকর করেছে। এ বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ যে বিবৃতিটি দিয়েছেন, সেটা পড়ে বোঝা গেল যে, পররাষ্ট্র... ...বাকিটুকু পড়ুন

ছবি ব্লগ -৭ বিনীত, অবনত বৃক্ষ

লিখেছেন হুমায়রা হারুন, ১৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১:০৯

পথে যেতে চোখে পড়লো নুয়ে পড়া বৃক্ষের শাখাগুলো। মনে হলো স্রষ্টার কাছে সে যেন নিবেদিত প্রার্থনায় অবনত। সব অহংকার, সব আত্মগরিমা, কৃতিত্বের ভার সে ধীরে ধীরে ঝরে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×