
একটা ব্যাপার লক্ষ্য করেছি তা হল, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দার্শনিকের অভাব নাই। উপরের লেখাটি একজন ফেসবুক দার্শনিক লিখেছেন। সমালোচনা করতে নাকি জ্ঞান লাগে না, বুদ্ধি লাগে না, বিবেক লাগে না শুধু মুখ থাকলেই হয়! ভুল এটা একেবারেই ভুল। বরং সমালোচনা তর্ক বিতর্ক এগুলো মেধাবীদের কাজ। মূর্খরা যুক্তি দেখাতে পারে না মানতেও পারেনা। গালি এবং তালগাছ আমার এ দুটোই তাদের প্রধান অস্র।
ব্যক্তিগত ভাবে আমি সমালোচনাকে এভাবে সংজ্ঞায়িত করি, যখন নৈতিক যুক্তি প্রদান পূর্বক এবং ক্ষেত্র বিশেষে গ্রহনযোগ্য প্রমান সহ কোন ব্যাক্তি অথবা বিষয়ের বিরুদ্ধে আলোচনা করা হয় তখন সেটাকে সমালোচনা বলে।
কারো নামে নেগেটিভলি আবল তাবল বললেই সমালোচনা হয় না। সেটা কেবলি বিরধিতা হয়। আপনি চাইলে ভালো অথবা খারাপ যে কারো বিরোধিতা করতে পারেন। ভালো সর্বদা খারাপের বিরধিতা করে আর খারাপ সর্বদা ভালোর। স্বার্থে টান পরলে খারাপও খারাপের বিরোধিতা করে।
সমালোচনার অন্যতম উপাদান হচ্ছে যুক্তি এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে গ্রহনযোগ্য প্রমান। যে প্রকৃত সমালোচনা করতে পারে, সে সমালোচনাকে পজেটিভলি নিতেও পারে। পৃথিবীতে কেউই শতভাগ সঠিক না, আমিও না। সমালোচনা মানুষের ভুলগুলো ধরিয়ে দেয়। সমালোচনা মানুষের এ্যাকুরেসি বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। কিন্তু দুঃখের বিষয় হল আমরা না পারি সমালোচনা করতে না পারি সমালোচনা সইতে। সমালোচকদের সর্বদাই প্রতিপক্ষ মনে করি, শত্রু মনে করি । আশেপাশে থেকে যারা সব কিছুতেই ঠিক ঠিক বলে মাথা নাড়ায় কিংবা জ্বি হুজুর জ্বি হুজুর করে তাদেরই বন্ধু মনে করি। এজন্যই বিপদে বন্ধু খুজে পাই না।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

