somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

এখানে নির্জন, অনিকেত প্রান্তর!

১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৬ রাত ৯:১৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


ছবিঃ শিল্পী’র তুলিতে আঁকা তপন চত্বরের একটি সন্ধ্যা।
চিত্রশিল্পীঃ অনু পীযূষ


হেমন্তের শেষ ক’টা দিন খুব ঘটা করে জানান দেয় ‘শীত আসছে’! যদি কাউকে প্রশ্ন করা হয় আপনার প্রিয় ঋতু কোনটা- উত্তরে শীত অথবা বর্ষা হবে এমন সম্ভাবনার কথা আপনিও জানেন! আমারও প্রিয় ঋতু শীতকাল।
শীত আসছে... এই আগমনী বার্তা আমাকে আবেগের উষ্ণতা দিয়ে যাচ্ছে। তবুও কেমন যেন হালকা আবছা একটা ‘না থাকার অনুভূতি’ টের পাচ্ছি অল্প-অল্প।
ঢাকার আকাশটা আজ একটু বেশীই নিস্তব্ধ, থমথমে। এই থমথমে আবহাওয়া মনটাকে আরও বিষন্ন করে তুলছে। আমার প্রিয় ক্যাম্পাসের ঝিমঝিম বিষণ্ণ সন্ধ্যাটা দেখতে পারছি না বলে। চাইলেই পারিনা এখন। জীবনের দুর্দান্ত সময়গুলো খুব দ্রুত যেন ফুরিয়ে গেল।


ছবিঃ হাদী চত্ত্বর, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়।
চিত্রগ্রাহকঃ আফরিনা নওশিন


খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের শীতের সন্ধ্যাটা পুরো বাংলাদেশের মধ্যে অনেকখানি ভিন্ন। নতুন একটা ঘোর লাগা আমেজের আবহ তৈরী হয় প্রত্যেকটা শীতের সন্ধ্যায়। সূর্য পূর্ব থেকে পশ্চিমাকাশে আসার সাথে সাথে পালটে যায় ক্যাম্পাসের পুরো চেহেরা। বিকেল ৫ টায় শেষ ট্রিপের বাস ক্যাম্পাস ছেড়ে চলে যায় ... সোডিয়াম বাতিগুলো জ্বলে উঠে মাগরিবের আজানের সাথে সাথে। সাইকেল, ভ্যান, অটোরিক্সার সংখ্যা কমে আসে ধীরে ধীরে। কোলাহল বিন্যস্ত হতে থাকে হাদীচত্ত্বর আর বাবলা তলা ছাড়িয়ে প্রথম ও ২য় একাডেমিক ভবনের মাঝামাঝি তপন চত্ত্বরে। তপন চত্ত্বরের নামকরণ হয়েছে তপন’দার চায়ের দোকানকে কেন্দ্র করে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সৃষ্টিলগ্ন থেকেই ক্যাম্পাসের সবচেয়ে ব্যাস্ততম স্থান এই তপন চত্ত্বর। আখতারুজ্জামান আজাদ তার ‘চা পানের ইতিবৃত্ত’ কবিতায় যেমন বলেছিলেন -

‘প্রিয় দেশবাসী,
আজ এই টিএসসির খোলা চত্বরে দাঁড়িয়ে ধূমায়মান চায়ের কাপ হাতে নিয়ে,
আপনাদেরকে আমি আমার লাগামহীন চা-পানের ইতিবৃত্ত বর্ণনা করব।
আমার হাতে চা-ভর্তি এই যে কাপটি দেখছেন—এই কাপটি একটি ইতিহাস,
টিএসসির টি স্টলের প্রতিটি কাপই একেকটি ইতিহাস!’



ছবিঃ সন্ধ্যার তপন চত্ত্বরের ব্যাস্ততা ।
চিত্রগ্রাহকঃ নাজমুল হাসিব


এমনি ভাবে আমাদের তপন’দার চায়ের দোকানের একেকটি কাপও একটি ইতিহাস, একটি কালের সাক্ষী। সোনালী ফ্রেমে বাধা রঙ্গিন সময়টাকে ফিরিয়ে দিবে এইখানকার চাঞ্চল্য। তপনদা’র চায়ের এক একটি কাপ যেনো হাজার হাজার মনের দুঃখ বেদনা,উচ্ছাস আর আবেগ অনুভুতির নীরব সাক্ষী। কত ভবিষ্যৎ কবির শত শত অস্ফুট চরন, কত নেতার দেশ গড়ার অব্যক্ত স্বপ্ন,গিটার হাতে গায়কের ফ্লার্টিং, ঘনিষ্ঠ বন্ধুর ভাঙা প্রেম জোড়া লাগানোর পরিকল্পনা কমিশন, কত মাস্টার সিজিপিএ ধারীর প্রত্যাশিত চাকরি না পাবার বেদনা ধারণ করে আছে এক একটি কাপ তার হিসেব কেউ জানেনা।
তপনদার চায়ের দোকানের পূর্ব পাশে সাইদুল ভাইয়ের দোকান, তার পিছনে '‘লাউঞ্জ'’। পশ্চিমে ভাবী আর হুমায়ূন ভাইয়ের দোকান- এইটুকু নিয়েই তপন চত্ত্বর। উত্তরের পুরোটা জুড়ে আছে বিশাল একটি প্রান্তর। নাম অনিকেত প্রান্তর!
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনিকেত প্রান্তর একটা স্বপ্নের মত।

‘মেঘের দূর পথ ভেঙ্গে বুকের গভীর অন্ধকারে
আলোর নির্বাসন স্মৃতির মতো
অবিকল স্বপ্নঘর বাঁধা স্মৃতির অন্ধ নির্জনে
সময় থেমে থাকে অনাগত’



ছবিঃ বর্ষাস্নাত অনিকেত প্রান্তর, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়।
চিত্রগ্রাহকঃ সাজ্জিদ আহমেদ


এখানে থেমে থাকে বহু সময়। সন্ধ্যার পর শত স্বপ্ন্বের প্রেমিক-প্রেমিকা আর বোহেমিয়ানদের আধিক্য দেখা যায় এইখানে। এখানেই প্রেমিকের কাঁধে মাথা রেখে প্রেয়সীরা নির্বান স্বপ্ন দেখে ঘর বাঁধবার, চলে বছর জুড়ে বসন্তকাল। দক্ষিণের হুহু হাওয়া যুদ্ধ করতে চায় এই প্রান্তরে। তারপর হঠাত্‌ই থেমে গিয়ে কী এক বিচিত্র ভাষায় শুরু হয় তার ফিসফিস। মন খারাপ থাকা বোহেমিয়ানেরও মনটা ভাল হয়ে যায় আস্তে-আস্তে। কারও কাছে নিজেকে বোঝাবার নিষ্ফল চেষ্টা করতে হয় না এখানে এলে,ত্রয়োদশীর চাঁদ কোন কৈফিয়তও চায় না।
ফাল্গুন মাসে আকাশে হীরের মতো কোটি-কোটি তারা জ্বলে, অনিকেত প্রান্তরের সবুজ ঘাসগুলো তখন মাদুরের মতো মনে হয়, দেখলেই ইচ্ছে করবে শুয়ে-শুয়ে সপ্তর্ষি খোঁজবার, স্বপ্নকে আঙুল দিয়ে আকাশের ক্যানভাসে এঁকে ফেলতে বারবার।
রাত সাড়ে আটটায় অপরাজিতা হল বন্ধ হওয়ার সাথে সাথে চায়ের দোকানে ভিড় হালকা হয়ে আসে, অনিকেত প্রান্তর, ক্যাফেটেরিয়া, বাবলাতলা, পুকুর ঘাট আর হতাশা বেঞ্চ থেকে প্রেমিক-প্রেমিকারা সেদিনকার মতো বিদায় নিয়ে হলে ঢোকে। একে-একে সব আওয়াজ থেমে যায়। ক্যাম্পাসের ব্যাস্ততম জায়গুলো ফাঁকা হয়ে আসে। জাগতে শুরু করে ২য় একাডেমিক ভবনের পিছনে থাকা পেঁচাগুলো।
এরপর কোলাহল বাড়তে থাকে আবাসিক হলগুলোতে। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হল মোট ৫ টা। মেয়েদের জন্যে রয়েছে অপরাজিতা ও ফজিলাতুন্নেসা হল। ছেলেদের জন্যে রয়েছে সমান্তরালে দাঁড়িয়ে থাকা তিন তিনটি হল । খান জাহান আলী হল, আহসানউল্লাহ হল ও বঙ্গবন্ধু হল।


ছবিঃ রাতের আহসানউল্লাহ হল, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়।
চিত্রগ্রাহকঃ কাজী আসাদুল্লাহ আল ইমরান


বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্যেকটি হলের প্রতিটি রুম যেন একেকটি অভিজ্ঞতা নেবার কারখানা। রাত সাড়ে আটটায় প্রেমিকেরা যখন হলে ঢুকেন প্রেমিকার সাথে স্বপ্ন ভাগাভাগির কোন রোমাঞ্চকর অনুভূতি নিয়ে তখন কিছু মানুষ ফিরেন একঝাক ক্লান্তি নিয়ে। যাদের টিউশনি করেই চালাতে হয় নিজের পুরোটা খরচ। কেউ কেউ আবার বাসায়ও টাকা পাঠাচ্ছেন এই টিউশনি করেই। এভাবেই ভিন্ন জেলার, ভিন্ন পরিবেশের হাজারটা মানুষ থাকছেন এক হয়ে। হয়ে উঠছেন বন্ধু, কখনোবা বন্ধুর চেয়ে বেশী কিছু।

হলের প্রতিটি রুমের পরিবেশ একটা থেকে অন্যটা সতন্ত্র। কোনো কোনো রুমে গভীর রাত পর্যন্ত আড্ডাবাজি চলে আবার কোনো রুমে খুব নিয়ম মেনে ১২টা বাজতে না বাজতেই লাইট অফ করে নিশ্চুপ হয়ে পড়ে। হলের টিভি রুম গুলোতে বছর জুড়ে লেগে থাকে রাত জাগা ফুটবল প্রেমিদের ভীড়, লাইব্রেরীগুলো যেন নিকট ভবিষ্যতের বিসিএস ক্যাডারদের ঘাটি, একটা স্বাধীন অঞ্চল!
সময় বাড়ে । রাত গভীর থেকে গভীরতর হয় । এরই মাঝে কোনো রুমের বাসিন্দা হয়তো নাক ডেকে ঘুমাচ্ছেন কিংবা অন্যকোন জন বেলকনিতে আপন মনে টুংটাং করে গিটারে লালনকে ধারণ করেছেন শেষ রাত অবধি।

ছাত্রদের হলগুলোর পিছনের পুরোটা রাস্তা ধরে সারিবদ্ধ ভাবে দাঁড়ানো আছে খাবার আর স্টেশনারীর দোকান। নাসিরের বটতলা থেকে শুরু করে আলেক্সের চায়ের দোকান, রাত-দিন সবসময় খোলা থাকে এই দোকানগুলো। তাই খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় কখনো ঘুমায় না।



ছবিঃ মধ্যরাতের ব্যাস্ততায় হলের পিছনের দোকানগুলো ।
চিত্রগ্রাহকঃ আহমাদ আল রাজী


হলের ছেলেদের প্রত্যেকের সকাল হয় ভিন্ন ভিন্ন সময়। ঘড়ি দেখে রাত ১১টার সময় ঘুমিয়ে পরা ছেলেটা জেগে উঠে ফজরের আজানের সাথে সাথে, খুব ভোরে। তাদের জীবন চলে রুটিন মাফিক। এদিকে সারা রাত জেগে ভোরের সময় ঘুমুতে যাওয়া ছেলেটার সকাল হয় অনেক বেলা করে। এরা কেন্টিনে সকালের নাস্তা কিংবা রাতের খাবার কোনটাই পায়না সময়মত। তার আগেই নিয়ম মানার দলেরা মুখে না দেওয়া গেলেও পুরো ক্যান্টিনটা গলাধঃকরণ করে ফেলে গেছে। সকাল বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মুখরিত হতে শুরু করে সবুজ ক্যাম্পাস আর সমানুপাতিক হারে ফাকা হতে থাকে এক একটি হল। জীবনের শ্রেষ্ঠ সময় যদি হয় ছাত্রজীবন তাহলে ছাত্র জীবনের স্বর্ণালি দিনগুলো হলো বিশ্ববিদ্যালয়ের হল জীবন। এখানেই একজন '‘ প্রকৃত মানুষ '‘হবার শিক্ষাটা পায়। মানিয়ে নিতে শিখে অনেককিছু।


ছবিঃ যখন শেষ হয়ে আসে আয়োজন, র‍্যাগ র‍্যালি-২০১৫ ইংরেজি

এভাবে যাপিত জীবন সামলে উঠতে এক সময় মেয়াদ ফুরিয়ে যায়। আয়োজন শেষ হয়ে আসে। ছেড়ে যেতে হয় প্রিয় বিশ্ববিদ্যালয়, ছাড়তে হয় প্রানের হল, প্রিয় প্রাঙ্গণ। চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থীদের জন্যে প্রতিটা আয়োজন যেন শুনিয়ে যায় অতল নৈশব্দের মাঝে বিলাপের সুতীক্ষ্ণ ধ্বণি । এরই সঙ্গে শেষ হয়ে যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জীবন। কোন এক নতুন সকালে অতীত হয়ে আসে বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের চার বছরের গল্প। গল্পগুলো স্মৃতি হয়ে আসে, জীবন্ত স্মৃতি। মাঝে মাঝে এই স্মৃতি চোখের কোণটা ঝাপসা করে তুলে। নস্টালজিয়ায় ভোগায়।


ছবিঃ রঙ আর নৃত্যে বিদায় নেমে আসে

আমাদের খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের ক্ষুদ্র থেকে বৃহৎ প্রতিটা বস্তু এক-একটি মায়ার নাম, একটি আবেগ, একটি ভালোবাসা্র নাম। এই ভালোবাসায় সিক্ত হয় এইখানকার প্রত্যেকটি গ্রেজুয়েট।
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ২:৪৭
১০টি মন্তব্য ৯টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

গল্পঃ মোহাম্মদপুরে কখনও বিচ্ছেদ হয় না

লিখেছেন রাজসোহান, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৪





আমার দোকানের নাম নিউ শাপলা কম্পিউটার ও ফটোস্ট্যাট। সাইনবোর্ডের শাপলা ফুলটা এঁকে দিয়েছিলো তাজমহল রোডের এক সাইনম্যান, দেখতে হয়েছিলো কচুরিপানার মতো। চৌদ্দ বছর ধরে ঝুলে আছে। রোদে রঙ উঠে... ...বাকিটুকু পড়ুন

২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলা তার সাথে কিছু রুঢ় সত্য যা বদলে দিয়েছিলো দেশের রাজনীতি।

লিখেছেন অন্তর্জাল পরিব্রাজক, ২১ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:৩৪





২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলা সম্পর্কে আমরা সবাই মোটামুটি জানি। এই হামলায় কারা জড়িত ছিল সেটাও আজকের দিনে অজানা নয় একমাত্র নিতান্ত দলকানা ছাড়া। তৎকালীন বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময়... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধানমন্ডি ৩২ যারা ভেঙেছিল, আর যারা বিচার চাওয়ার পথ বন্ধ করে দিল- তারা কি একই?

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ২১ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৯:৪৪



ধানমন্ডি ৩২ যারা ভেঙেছিল, আর যারা বিচার চাওয়ার পথ বন্ধ করে দিল- তারা কি একই?

ধানমন্ডি ৩২ ভাঙা হয়েছিল- কে দেখেনি, কে জানে না, এটা অস্বীকার করার উপায় নেই।,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন থেকে যারা আওয়ামী লীগকে ভালোবাসেন এখন তাদেরকে আওয়ামী লীগের প্রয়োজন

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ২১ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:৪০



ক্ষমতায় গেলে কোন দল যাদেরকে মনে রাখে না ক্ষমতায় গেলে তাদেরকেই তারা সবচেয়ে বেশী মিস করে। সেই নিখাঁদ দল প্রেমিকদেরকে এখন আওয়ামী লীগ খুঁজছে। তারা লগি বৈঠা নিয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

৫ই আগস্ট ছিলো আরো একটি ১৫/২১শে আগষ্টের অপচেষ্টা।

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ২১ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:৫২



২১শে আগস্ট পালন করা অর্থে , আমার কাছে মনে হচ্ছে আবারো জঘন্য কোনো ঘটনার পুনরাবৃত্তি হবে। কারন আমরা ঐ নারকীয় হত্যাকাণ্ডের কোনো বিচার সম্পন্ন করতে পারিনি। আমরা যারা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×