চিত্র-০১

কি আশ্চর্য হচ্ছেন। না আশ্চর্য হবার কিছু নেই। কারণ তারা শহীদ মিনার থেকে একটু সামনে। জুতা তাদের পায়ে ঠিক আছে কিন্তু তারা তো শহীদ মিনারে নয়। এবার ডাকো পুলিশ আমি মিথ্যা বলেছি।
পুলিশ!- ওমা পুলিম আমাকে ব্লগার বলে শহীদ মিনারের অবমাননা ও মিথ্যা মামলায় ফাসাবে। এখন আমি কি করবো। পত্রিকায় আসছে ব্লগার সালাউদ্দিন শাহরিয়া আটক। এখন কি ? কি আর পুলিশ তো একন পড়েছে ফান্দ। এখন পুলিশ জুতা নিয়ে শহীদ মিনারে। আমি চিত্র- ০১ এ মিথ্যা বললাম চিত্র-০২ তো ধরা হোক আগে। যারা আমাকে ধরবে তারাই অপরাধী। মিডিয়া আবার রুখলো। ব্লগার সালাউদ্দিন শাহরিয়া ঘটনা খাটাতে পুলিশের অপরাধ ধরা খেলো।
চিত্র-০২

না না না আমি মানবো না। মি: সাংবাদিক আপনি তো চিত্র-০১ না বুঝে নিয়ে পত্রিকার হেডলাইন ছাপা দিলেন এখন আপনাকে তো আমি ছাড়তে পারিনা। এখন সাংবাদিক পড়লো ফান্দে। আমার প্রতিশোধ শেষ।
চিত্র-০৩

এখন আরকি জনগন রুখলো সাংবাদিকদের প্রতি। পুলিশ ও সামাল দিতে লজ্জা পাচ্ছে সেও একই কেইসের আসামি। এখন কি ?
জনগণ সুযোগ পেয়েছে পুলিশ ও সাংবাদিকদের গালি দিতে। খাড়াও মি: জনগন আপনিও কিন্তু বাদ যাননি। আপনি এই কেইসের আসামী। চিত্র-৪ ও চিত্র- ০৫ এ তার প্রমাণ। ধরা খেলো জনগনও । এখন জনগনও চুপ।
চিত্র- ০৪

চিত্র- ০৫

এখন চিন্তবিদদের হাতে। তারা চিন্তায় খাওয়া দাওয়া নেই। পুলিশ, সাংবাদিক, জনগনও শহীদ মিনারে জুতা নিয়ে। এখন তো এর বিচার তো আমরা বুদ্ধিজীবীরা করতে হবে।
ওমা! এ আবার আপনারা বুদ্ধিজীবী ঠিক আছে আপনারা কেনো করবেন। আপনারাও তো একই কেইসের অপরাধী। আপনারাও তো শহীদ মিনারে চিত্র- ০৬ জুতা নিয়ে বসে আছেন।
চিত্র- ০৬

তাইতো। এখন একটা মুভির নাম মনে পড়লো। নাম হলো ফান্দে পড়িয়া .....কান্দেরে। বাকিটুকু থাক। শালীনতা বজায় রাখা ভদ্র মানুষের কাজ।
উপসংহার: আমাকে এমন একটি ব্লগ তৈরী করতে আমার বিবেক বাধ্য হয়েছে। আজ দেখি যারা সমাজ চালায় তারাই আবার এমন কাজ কিভাবে করতে পারে। আমার শিক্ষণীয় ব্লগে কোন ভুল হলে আমাকে মাফ করবেন। আমি সকল জনগণের কাছে মাফ চাই আমার ভুল হলে। তবে আমি বাঙ্গালি আমি, আমি বাংলায় কথা বলি। আমাকে স্মরণ রাখতে হবে ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের কথা। শহীদ মিনারকে যদি সম্মান করতে না জানি তাহলে আমরা কিভাবে পারবো ভাষাকে সম্মান করতে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

