
আজ নতুন নিয়ম অনুযায়ী ৯টায় অফিস শুরু করলাম । বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয় করার জন্য সরকার এ ব্যবস্থা নিয়েছে । পেটের টানে নিয়ম না মেনে কোন উপায় নেই । কিন্তু যারা নিয়ম বানায় তাদের আরও বিবেচক হওয়া উচিত। এ দেশে সবকিছু উল্টা হয় শুধু সঠিক নিয়ম না থাকার কারণে ।
সরকারের উচিত ছিলো জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সাশ্রয় করার জন্য সবার আগে প্রতিবন্ধী বা অটোরিকশা বন্ধ করা। হাইকোটের রায়কে বৃদ্ধা আঙুলি দেখিয়ে খোদ ঢাকাতেই এই মুহূর্তে নাকি, প্রায় ১২ থেকে ১৫ লাখ অটোরিকশা ঘুরে বেড়াচ্ছে। এসব অটোরিকশার কোনটিতে ৪টি, কোনটিতে আবার ৬টি করে ব্যাটারি লাগানো রয়েছে। এসব ব্যাটারি সাধারণত ১২ ভোল্টের হয়ে থাকে। দিনে যা চার্জ হতে ৫ থেকে ৭ ঘণ্টা পর্যন্ত সময় লাগে। সিপিডি’র তথ্য বলছে- প্রতিদিন অন্তত জাতীয় গ্রিড থেকে ৭৫০ থেকে ৮শ’ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ খরচ হচ্ছে । এসব সবই হচ্ছে , অবৈধ ভাবে । এরা বছরে আপনার আমার পকেট প্রায় ৪০০০ কোটি টাকা নিয়ে যাচ্ছে । লাভ গুনছে এসব রিকশার মালিকেরা অন্যদিকে বিল দিচ্ছি আপনি, আমি,রাস্ট্র ।
আর একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে, যারা এই সব রিকসা চালকদের বেশির ভাগই কোন না কোন অপরাধের সাথে জড়িত । পাডেল বা পায়ে চালানো রিকশা চালকেরা নিরিহ হলেও এই অটোচালকেরা মারমুখি এবং এদের
অনেকেই দিনে রিকশা চালক রাতে ছিনতাইকারী । সন্ত্রাসীদের আত্মগোপনের উত্তম একটা মাধ্যম হচ্ছে, প্রতিবন্ধী বা অটোরিকশা নিয়ে রাস্তায় ঘুরে বেড়ানো । দেশের বিদ্যূত ও জ্বালানি শাস্রয় করতে চাইলে দেশের সড়কগুলো থেকে প্রতিবন্ধী রিকসা বন্ধ করুণ। জনজীবনে নিরাপত্তা আনুন ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



