বিশেষজ্ঞ কমিটির মূল্যায়নে মানসম্মত অ্যান্টিবায়োটিক উৎপাদনে ব্যর্থ ২৮ কোম্পানির ওষুধ তৈরি ও বিক্রি ৭২ ঘণ্টার মধ্যে বন্ধে পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ দস্তগীর হোসেন ও বিচারপতি মোহাম্মদ আতাউর রহমান খানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ এ’ আদেশ দেন।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নীতিমালা ‘গুড মেনুফ্যাকচারিং প্র্যাকটিস’ অনুসরণ না করে ২৮টি কোম্পানি নিম্নমানের অ্যান্টিবায়োটিক, স্টেরয়েড এবং ক্যান্সার প্রতিরোধক ওষুধ উৎপাদন ও বিপণন করছে। এতে রোগ মুক্তির পরিবর্তে মারাত্মক ঝুঁকির সৃষ্টি হচ্ছে জনস্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে।
একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি প্রতিবেদন দাখিল করে এ’সব কোম্পানির ওষুধ মানসম্পন্ন না হওয়ায়, উৎপাদন বন্ধের সুপারিশ করে। কিন্তু এ’ বিষয়ে কর্তৃপক্ষ কোনো পদক্ষেপ না নেয়ায় জনস্বার্থে এই রিট আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে আদালত ২৮ কোম্পানির ওষুধ উৎপাদন ও বিক্রি বন্ধের নির্দেশ দেন।
যেসব কোম্পানির ওষুধ উৎপাদন ও বিক্রি বন্ধের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে সেগুলো হলো:-
1. এমিকো ফার্মাসিউটিক্যালস,
2. এজটেক ফার্মাসিউটিক্যালস,
3. বেঙ্গল টেকনো ফার্মা,
4. বেনহাম ফার্মাসিউটিক্যালস,
5. সেন্ট্রাল ফার্মাসিউটিক্যালস,
6. ডিসেন্ট ফার্মা,
7. ডক্টর টিমস ফার্মাসিউটিক্যালস,
8. গ্লোবেক্স ফার্মাসিউটিক্যালস,
9. গ্রিনল্যান্ড ফার্মাসিউটিক্যালস,
10. ইনোভা ফার্মাসিউটক্যিালস,
11. ম্যাকস ড্রাগস,
12. মেডিমেট ল্যাবরেটরিজ,
13. মডার্ন ফার্মাসিউটিক্যালস,
14. মিসটিক ফার্মাসিউটিক্যালস,
15. ন্যাশনাল ফার্মাসিউটিক্যালস,
16. অরগানিক হেলথকেয়ার,
17. অয়েস্টার ফার্মা,
18. প্রিমিয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস,
19. প্রাইম ফার্মাসিউটিক্যালস,
20. সীমা ফার্মাসিউটিক্যালস,
21. হোয়াইট হর্স ফার্মাসিউটিক্যালস,
22. মমতাজ ফার্মাসিউটিক্যালস,
23. ইউনিক ফার্মাসিউটিক্যালস,
24. ইউনাইটেড কেমিক্যালস অ্যান্ড ফার্মাসিউটিক্যালস,
25. এফ এন এফ ফার্মাসিউটিক্যালস,
26. টেকনো ড্রাগস।
ওষুধের মান ঠিক রাখতে উৎপাদন পদ্ধতি, জনবল, কারখানার অবস্থান, পদ্ধতি, মোড়কজাতকরণসহ অনেক বিষয়ে নির্দেশনা রয়েছে ‘গুড মেনুফ্যাকচারিং প্র্যাকটিস’ বা জিএমপি নীতিমালায়।
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে মার্চ, ২০১৭ বিকাল ৪:২২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




