
স্নেহের বৃত্ত, শাসনের বৃত্ত-
বাঁধতে পারেনি কিছুই ওকে,
তাই ও বৃন্তচ্যুত,
আশ্রয় ফুটপাতে।
বাবা গেছে চলে,
নতুন ঘর বেঁধেছে;
ঘর হারা মা,
তারে রেখে নানীর কাছে,
ছেড়েছে স্বদেশ,
বেশী রোজগার করে,
মা ও ছেলেকে দিতে যে হবে অন্ন,
বই-খাতা নিয়ে লেখা-পড়া করে,
ছেলে একদিন করবে যে তাকে ধন্য।
শীতার্ত রাতে বস্তির ঘরে,
অভুক্ত শীর্ণ নানী-
ছিন্ন-মলিন বস্ত্রে,
শীতে ঠক ঠক কাঁপে,
কাশির দমকে দমকে,
শরীর যে তার কাঁপে,
অসহায় নাতির কোমল হাতে,
শীর্ণ হাতখানি রেখে,
কী যেন খোঁজে,
মরণ পথযাত্রী নানীর চাহনী,
নিষ্পাপ-মায়াময়, ভয়-বিহ্বল নাতির চোখে।
তারপর থেকে-
ঠাঁই হয়েছে অবারিত ফুটপাথে,
হাত দু’টোকে বালিশ বানিয়ে,
চেয়ে রয় নীলাকাশে,
খুক-খুক করে কাশে,
আর খোঁজে,
নানী, না মাকে ?
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই নভেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১২:৪০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




