somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

শাওন আহমাদ
স্বপ্নপূরণই জীবনের একমাত্র লক্ষ্য নয়।তাই বলে স্বপ্নকে ত্যাগ করে নয়,তাকে সঙ্গে নিয়ে চলি।ভালো লাগে ভাবতে, আকাশ দেখে মেঘেদের সাথে গল্প পাততে, বৃষ্টি ছুঁয়ে হৃদয় ভেজাতে, কলমের খোঁচায় মনের অব্যক্ত কথাগুলোকে প্রকাশ করতে...

মন কেমনের দিনে

২৯ শে জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৩:৫৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



মাঝেমধ্যেই মনের ক্যানভাসটা কেমন যেন বিবর্ণ হয়ে যায়। পৃথিবীর সমস্ত রং হারিয়ে যায় অচেনা পথের বাঁকে। কোনো সংকেত ছাড়াই একরাশ এলোমেলো বিষণ্ণতা এসে জেঁকে বসে মনের কার্নিশে। চারপাশের চেনা জগৎটা মুহূর্তেই অচেনা হয়ে যায়। প্রাণের স্পন্দন জোগানো গানগুলো নগরের ব্যস্ততম রাস্তার অসহ্য যান্ত্রিক কোলাহলে রূপ নেয়। প্রিয় জায়গা, কফিশপ, বারান্দা, গলির মোড়—কোথাও মন বসে না। মনে হয় আমি যেন কোনো এক গোলকধাঁধায় হারিয়ে গেছি।


আমার ভেতরের এই গোলকধাঁধার সাথে বাইরের জগতের কোনো লেনদেন নেই; সেখানে সবকিছু ঠিকঠাক। জানলার ফাঁক দিয়ে রোদ উঁকি দেয়, পাখি ডাকে, দখিনা বাতাস গা ছুঁয়ে যায়, দূরে কারো হাঁক শোনা যায়; সবকিছু ঠিকঠাকই চলতে থাকে, কিন্তু ভেতরে কোথাও এক অদৃশ্য অস্থিরতা এসে ভর করে। বুকের মধ্যে জমে থাকা সেই অনুভূতিটাকে ঠিক ব্যাখ্যা করা যায় না। যেন পুরোনো কোনো নদী শুকিয়ে গিয়ে ভেজা কাদার গন্ধ রেখে গেছে। মন তখন এমন একটা জায়গায় আটকে থাকে, যেখানে আনন্দও পৌঁছাতে পারে না, আবার স্পষ্ট দুঃখও নয়। শুধু একটা নিঃশব্দ ভার, যা সারাদিন অশরীরী ছায়ার মতো পিছু তাড়া করে ফেরে।


প্রিয় মানুষ, প্রিয় মুখ—যাদের সাথে কথা বললে রাজ্যের সব ক্লান্তি নিমিষেই কর্পূরের মতো উড়ে যায়, তাদের উপস্থিতিও তখন ভারী বোঝা মনে হয়। মনে হয় জগতের সমস্ত বন্ধন, মায়া, আনন্দ-উৎসব, কোলাহল অর্থহীন এক প্রহসন ছাড়া আর কিছুই নয়। এক অদ্ভুত বিষাদে আমার সমস্ত সত্তা এমনভাবে ঢেকে যায়, মনে হয় মনের আকাশে হাজার বছরের মেঘ জমে গুমোট মেরে আছে। মনে হয় এই বুঝি সব ভাসিয়ে দিয়ে অঝোর ধারায় বৃষ্টি নামবে। কিন্তু সেই বহু কাঙ্ক্ষিত বৃষ্টি আর নামে না। ভেতরের গুমোট বিষাদও বিরাম পায় না, গুমরে মরা হাহাকার হয়ে বুকের পাঁজরে অবিরত আঘাত করতে থাকে।


তখন খুব ইচ্ছে করে কাউকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে আকাশ-বাতাস কাঁপিয়ে চিৎকার করে কাঁদতে। ইচ্ছে করে কান্নার নোনা জলে বিষাদমাখা মনটাকে ধুয়ে-মুছে সাফ করে ফেলতে। কিন্তু ইট-কাঠের এই ব্যস্ততম শহরে এমন মিত্র কোথায় পাব, যে তার ব্যস্ততার হাঁড়ি-কলস উল্টে রেখে আমার মন খারাপের গল্প শুনবে? মন কেমনের দিনে নির্দ্বিধায় পাশে এসে বসবে? এরকম মানুষ এই দুর্মূল্যের বাজারে এখন আর পাওয়া যায় না। এমন মানুষের দেখা কেবল গল্প-সিনেমাতেই মেলে। মানুষ আসলে ভালোবাসে আলো-ঝলমলে সুখের গল্প শুনতে। সাফল্যের গল্প, প্রেমের গল্প, উৎসবের গল্প। দীর্ঘশ্বাসের শব্দ মানুষকে অস্বস্তিতে ফেলে।


এমন উদাস দিনে ভেতরে অদ্ভুত শূন্যতা কাজ করে, তখন আর কোথাও স্থির থাকা যায় না। তাই কখনো কখনো বাইরে বেরিয়ে পড়ি, উদ্দেশ্যহীনভাবে হাঁটি। গন্তব্য ছাড়া হাঁটার মধ্যে অদ্ভুত এক শান্তি আছে। শহরের ভাঙা ফুটপাত, ধুলোজমা বিলবোর্ড, মোড়ের বুড়ো বটগাছ, দূরে ঝুলে থাকা বিদ্যুতের তার, তারের উপর বসা একলা পাখি—সবকিছু তখন নিজের মতো লাগে। মনে হয় এদেরও বাড়ি ফেরার কোনো তাড়া নেই। এরাও মানুষের বুকের ভেতরে জমে থাকা হাজার বছরের দীর্ঘশ্বাসের মতো দীর্ঘশ্বাস বুকে নিয়ে টিকে আছে।


ক্লান্ত পায়ে ফুটওভার ব্রিজে দাঁড়িয়ে মানুষের ছুটে চলা দেখি। চারপাশে এত ভিড়, এত আয়োজন, এত মানুষের আনাগোনা—তবুও নিজেকে বড্ড একা লাগে। নগরের এই অবিরাম ব্যস্ততা যেন আমার ভেতরের নিঃসঙ্গতাকে আরও নির্মমভাবে উপহাস করে। পৃথিবীর বীভৎসতম একাকিত্ব বোধহয় এটাই—সবার মাঝে থেকেও নিজেকে ভীষণ একা মনে হওয়া।


মানুষের ভেতরে আসলে অনেকগুলো ঘর আছে। কিছু ঘরে আলো জ্বলে, কিছু ঘরে জমে থাকে নিকষ আঁধার। আমরা বুকের গভীরে খুব যত্নে এই অন্ধকার কক্ষগুলো লুকিয়ে রাখি। এখানে জমা থাকে না-বলা অভিমান, নীরব কান্না, অপূর্ণ ইচ্ছে, হারিয়ে যাওয়া সময়ের ক্ষত। বাইরের মানুষ শুধু সাজানো ড্রয়িংরুম দেখে, ভেতরের বন্ধ দরজাগুলোর খবর কেউ রাখে না। সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয়, অনেক সময় আমরা নিজেরাও সেই দরজাগুলোর সামনে দাঁড়াতে ভয় পাই। হয়তো নিজের কাছ থেকেই পালাতে চাই। কিন্তু নিজেকে রেখে কি আদৌ পালানো যায়? মানুষ আসলে জগৎ, সংসার, মায়া, পিছুটান—সবকিছু থেকে পালাতে পারলেও নিজেকে রেখে পালাতে পারে না। সারাজীবন বৃথা চেষ্টা করে যায় শুধু।


এই বিষণ্ণ মুহূর্তগুলোতে চারপাশটাও কেমন যেন নিঝুম আর রহস্যময় হয়ে ওঠে। মনে হয় জগতে কোনো মানুষ নেই, কোনো ভালোবাসা নেই, এমনকি কোনো কাম-বাসনাও নেই। নীড়ে ফেরার যে চিরন্তন আকুলতা মানুষকে ঘরমুখো করে, সেই অনুভূতিটাও তখন ভেতর থেকে হঠাৎ উধাও হয়ে যায়। এই যে চিরচেনা পৃথিবী, খুব কাছের মানুষ—হঠাৎ করেই তারা সবাই কেমন যেন অচেনা হয়ে যায়। তাদের হাসি, গল্প-গুজব, জীবনকে উপভোগ করার ধরন—সবকিছুই ছায়াছবির মতো মনে হয়। তাদের মাঝে সশরীরে উপস্থিত থেকেও নিজেকে এক দুর্ভেদ্য কাচের খাঁচায় বন্দি আবিষ্কার করি। সেখান থেকে বাইরের কোলাহল দেখা যায় ঠিকই, কিন্তু তার উচ্ছ্বাস হৃদয়ে পৌঁছায় না। মনে হয় এই পৃথিবীটা কেবল সুখী মানুষদের জন্য সাজানো, যেখানে আমার মতো আগন্তুকের কোনো ঠাঁই নেই।


নিজের সাথে নিজের এক অদ্ভুত দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়ি তখন। আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজেকে প্রশ্ন করি—পৃথিবীতে আমার আসলে কী করার ছিল আর আমি দিনশেষে কী করছি? যা পাওয়ার অধিকার আমার ছিল, তার কতটুকু আমি অর্জন করতে পেরেছি? আমার চারপাশে যখন অন্য মানুষগুলো নিজেকে মেলে ধরছে, সুখের জাল বুনছে, ভালোবাসার মানুষকে জড়িয়ে থাকছে, তখন আমি কেন এই অন্ধকারে আস্তাকুঁড়ে পড়ে আছি? আমি স্পষ্ট বুঝতে পারি যে, আমি নিজেই নিজের সাথে চরম অন্যায় করছি। নিজেকে নিজেই অবর্ণনীয় যন্ত্রণার আগুনে দগ্ধ করছি, কিন্তু কেন?


এই প্রশ্নের কোনো উত্তর আমার জানা নেই। কেন আমি আর দশটা সাধারণ মানুষের মতো জীবনটাকে সহজভাবে গ্রহণ করতে পারছি না? কেন আমি নিজেকে এক অদৃশ্য কষ্টের জিঞ্জিরে বেঁধে অহর্নিশ পোড়াচ্ছি? কেন আমি প্রতিদিন নিজের অজস্র চাওয়া-পাওয়াকে নিজ হাতে গলা টিপে হত্যা করছি? এই প্রশ্নগুলো উইপোকার মতো আমার অস্তিত্বকে কুরে কুরে খায়, কিন্তু এদের কোনো কূল-কিনারা করতে পারি না।


আসলে কিছু কিছু দহন থাকে যা ভীষণ ব্যক্তিগত। সেগুলো কাউকেই বলা যায় না, চাইলেও বুঝিয়ে বলা সম্ভব হয় না। কাউকে বলার মতো জুতসই ভাষাও আমার জানা নেই। বলতে গেলে লোকে হয়তো এর অদ্ভুত কোনো নাম দেবে, পাগলের প্রলাপ বলবে, হয়তো শহরের কোনো নামকরা সাইকিয়াট্রিস্টের ঠিকানাও গুঁজে দেবে হাতে। এসব ভেবে কণ্ঠনালির ভেতরেই থেমে যায় বিষাদ, ভাষা হয়ে উঠে আসে না।


রাত হলে এই অনুভূতিগুলো আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। চারপাশ নিস্তব্ধ হলে নিজের ভেতরের আওয়াজগুলো বেশি শোনা যায়। তখন পুরোনো স্মৃতি এসে বসে শিওরের পাশে। হারিয়ে যাওয়া মানুষদের কথা মনে পড়ে, অপূর্ণ ইচ্ছেগুলো জেগে ওঠে। মনে হয় জীবনটা যেন অর্ধেক লেখা কোনো উপন্যাস, যার শেষটা লেখা হয়নি। দীর্ঘশ্বাসগুলো তখন ঘরের অন্ধকারের সাথে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে যায়। ঘুমদেবতারা অন্য পাড়ায় গিয়ে সুখী মানুষের কপালে রূপার কাঠি ছোঁয়ায়। দেয়াল ঘড়ির কাঁটার টিকটিক শব্দে আমার ঘুমহীন রাত ফুরিয়ে যায়।


বলি বলি করেও এসব যন্ত্রণা ব্যক্তিগতই থেকে যায়, যা অন্য কারো সাথে ভাগ করে নেওয়ার সামর্থ্য ঈশ্বর আমাকে দেননি। বুকের মধ্যে যন্ত্রণার গর্তগুলোকে কবর দিয়ে, ঠোঁটের কোণে কৃত্রিম হাসির রেখা টেনে সবাইকে আশ্বস্ত করি—পৃথিবীর সবচেয়ে সুখী মানুষটি আমিই। এই লুকোচুরি খেলতে খেলতেই হয়তো একদিন নিঃশব্দে পৃথিবী থেকে হারিয়ে যাব। হাসিমুখের আড়ালে একটা মানুষ যে প্রতিদিন তিল তিল করে মরে যাচ্ছিল, তা কেউ টেরও পাবে না।


নাটক বা সিনেমার রঙিন পর্দায় অভিনয় করা আর নিজের বাস্তব জীবনের সাথে লড়াই করে অভিনয় করার মধ্যে বিশাল ব্যবধান। শুটিংয়ের সেটে দৃশ্য শেষ হলে পরিচালক যখন 'কাট' বলেন, তখন অভিনেতা তার মেকআপ ধুয়ে নিজের আসল সত্তায় ফিরে এসে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলতে পারেন। কিন্তু আমার এই যাপিত জীবনের অভিনয়ের কোনো 'কাট' নেই, কোনো বিরতি নেই। আমার এই ক্লান্তিহীন অভিনয় জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত চলতেই থাকবে। ভালো থাকার অভিনয়, মিথ্যে ভালোবাসার নাটক, চারপাশের অযৌক্তিকতার সাথে মানিয়ে নেওয়ার লড়াই—এসব করতে করতে ভেতর থেকে একেবারে নিঃশেষ হয়ে যাচ্ছি। এই অভিনয় জীবনের সবচেয়ে বড় ট্র্যাজেডি হলো, এখানে চরিত্রটাই বেঁচে থাকে কিন্তু মানুষটা ধীরে ধীরে নিঃশেষ হয়ে যায়।


বুকের ভেতরের এই নীরব বিষাদ যখন সহ্যের শেষ সীমা ছাড়িয়ে যায়, তখন হয়তো কেউ কেউ জীবনের সবচেয়ে নিষ্ঠুর সিদ্ধান্তের দিকে ধাবিত হয়। পৃথিবীর মানুষ জানতেও পারে না, এই শান্ত আর হাসিখুশি চেহারার আড়ালে একটা মানুষ প্রতিদিন কতটা প্রলয়ংকরী তুফান নিজের মধ্যে বয়ে বেড়াত। সবাই শুধু ঝিনুকের পরিপাটি রঙিন খোলসটাই দেখে; কিন্তু তার বুকের ভেতর চেপে রাখা বিষের বালির খবর কেউ রাখে না।
এই মন কেমনের কোনো মহৌষধ নেই আসলে। তাই অভিনয়টুকু সম্বল করেই দুর্গম পথে গন্তব্যহীন হেঁটে যাচ্ছি। না-বলা কথাগুলো বুকের গভীরেই চাপা দিয়ে রাখছি পাছে কেউ টের পেয়ে যায়।


এই একাকিত্ব, এই শূন্যতা আর এই গন্তব্যহীন পথ চলা—এগুলোই এখন আমার জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাই মন কেমনের দিনে কোলাহল ছেড়ে নির্জনতাকে আঁকড়ে ধরতেই বেশি ভালোবাসি। যেখানে কোনো মিথ্যে অভিনয় নেই, কারো কাছে কৈফিয়ত দেওয়ার বাধ্যবাধকতা নেই—আছে শুধু আমি আর আমার বিষাদ। এই বিষাদ হয়তো আমাকে নিঃশেষ করে দিচ্ছে, আবার হয়তো এই বিষাদই আমাকে মনে করিয়ে দিচ্ছে যে আমি এখনো বেঁচে আছি। মন কেমনের এই প্রহরগুলো তাই আমার কাছে একাধারে অভিশাপ এবং নিজের একান্ত সত্তার সাথে মোলাকাতের একমাত্র উপলক্ষ।


হয়তো কোনো এক স্নিগ্ধ ভোরে বুকের এই হাজার বছরের গুমোট মেঘ কেটে গিয়ে সত্যিই অঝোর ধারায় বৃষ্টি নামবে। হয়তো সেদিন কান্নার নোনা জলে ধুয়ে যাবে ভেতরের সব ক্লান্তি, সব না-বলা অভিমান। হয়তো সেদিন আর 'ভালো থাকার' এই ক্লান্তিকর অভিনয়ের কোনো প্রয়োজন পড়বে না, চারপাশের চেনা জগৎটাকে আর অচেনা মনে হবে না। কিংবা কে জানে, হয়তো এমন কোনো দিন কখনোই আসবে না; এই বিষাদকেই চিরকালের সঙ্গী করে পাড়ি দিতে হবে অনন্তের পথে।
তবুও, অন্ধকারের বুক চিরে যেমন ভোরের আলো ফোটে, তেমনি হৃদয়ের গহিনেও কোথাও একটা ক্ষীণ আশা বেঁচে থাকে—একদিন সব ঠিক হয়ে যাবে, একদিন এই ক্লান্ত পথিক কাঙ্ক্ষিত প্রশান্তির খোঁজ পাবে। আর ঠিক সেই দিনের অপেক্ষায় আপাতত এই মন কেমনের দিনের না বলা কথাগুলোকে সঁপে দিলাম নিজেরই একান্ত ব্যক্তিগত ডায়েরির পাতায়।
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৩:৫৫
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

"কর্পোরেট_ফ্যাক্টসমুহ"

লিখেছেন মামুন রেজওয়ান, ২৮ শে জুলাই, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৪

"কর্পোরেট_ফ্যাক্ট_২১"



সব সময় ইন্টার্ভিউ দেওয়ার অভিজ্ঞতা আমরা জানতে পারি অনলাইনে। কিন্তু যারা ইন্টার্ভিউ নেন বিভিন্ন পজিশনের জন্য তাদের অভিজ্ঞতা খুব একটা জানা হয়না আমাদের। তাই আমরাও যারা মোটামুটি এক্সপেরিয়েন্স... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা: (দ্বিতীয় পর্ব)

লিখেছেন মৃত্যুঞ্জয়, ২৯ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ২:০০

কোথায় হারিয়ে যাচ্ছে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম?

দ্বিতীয় পর্ব: মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষার বিভাজন এবং অসম প্রতিযোগিতা

একটি শিশুর শিক্ষাজীবন শুরু হয় প্রাথমিক স্তর থেকে। কিন্তু মাধ্যমিক পর্যায়ে পৌঁছানোর পর থেকেই শুরু... ...বাকিটুকু পড়ুন

দেবদাস, কালজয়ী উপন্যাস এবং চিত্রনাট্যের পটভূমি

লিখেছেন মেহবুবা, ২৯ শে জুলাই, ২০২৬ সকাল ১১:২৮


প্রথম ১৯২৮ সনে নির্বাক "দেবদাস" মুক্তি পায় ফনী বর্মা এবং তারকবালা অভিনীত ছিল সেটি। এরপর প্রমথেশ বড়ুয়া এবং যমুনা বড়ুয়া অভিনীত সবাক দেবদাস মুক্তি পায় ১৯৩৫ সনে। তারপর... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে হৃদয় বিলিয়ে দেয়, বিশ্ব চরাচরে

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ২৯ শে জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১:৪৩




যে হৃদয় বিলিয়ে দেয়, বিশ্ব চরাচরে
শান্ত গৌরবে, সেই আত্মারা কোথায় বেঁচে রয়।
দয়ার প্রতিটি বীজ সর্ন্তপণে বপন করা হয়,
সপ্তাকাশে উজ্জ্বল ফসল তবে অবধারিত রয়।

সাত আকাশের চরাচরে , ছায়া... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন কেমনের দিনে

লিখেছেন শাওন আহমাদ, ২৯ শে জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৩:৫৫



মাঝেমধ্যেই মনের ক্যানভাসটা কেমন যেন বিবর্ণ হয়ে যায়। পৃথিবীর সমস্ত রং হারিয়ে যায় অচেনা পথের বাঁকে। কোনো সংকেত ছাড়াই একরাশ এলোমেলো বিষণ্ণতা এসে জেঁকে বসে মনের কার্নিশে। চারপাশের চেনা জগৎটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×