মাতাল বসন্ত রাত। পূর্ণিমার চাঁদ থেকে এক ঝাঁক জ্যোৎস্নার আলপিন বিঁধে গেলো চোখে। মান্দারের বনে নিশির কুহকে আটকে ছিলে তুমি। অন্ধ চোখে কী করে পেরুবো পরকীয়া বেড়া! পচা শামুক কাদায় পায়ে বেঁধে চোরাকাঁটা। মাঝপথে কাজলা দীঘির কালো জল জ্যোৎস্নার ঢেউয়ে তোলে ঝড়। তোমার আকুল ডাক নিশি-পাওয়া আমাকে করে পথভ্রান্ত।
এক ঝাঁক মাছ উঠে আসে নিকানো উঠানে। দূরে কোথাও ঝোঁপের আড়ালে ডাকছে নিশাচর। দু'চোখে টর্চের আলো, জিভ চাটে শৃগাল-হায়েনা যতো। শিমুল-পলাশ ডালে নিশিজাগা পাখির ফুরুত। ভাঙে ঘুম, উঠে যাই সন্তর্পণে। তোমার কুহক অঙ্গে খেলে ঢেউ ডাকাতিয়া সুরে।
এলোচুলে জ্যোৎস্নার তন্দ্রায় মেঘেরা বালিশ পাতে। বাস্তবের উঠানে জীবন কেন যে পরাবাস্তব! মানি না মানবো না কখনো দ্বিধার দেয়াল। লাত্থি মারি পরাবাস্তবের পুচ্ছদেশে। ছুটে যাবো আমি, গাইবো গান আঁধার চিরে শাহ্ আবদুল করিমের গলায়...বসন্ত বাতাসে সইগো, বসন্ত বাতাসে...
26.06.2006
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




