স্রোতের উজান বৈঠা হাতে কানত দেহে শীতল হাওয়া
ভিতর বাগান উজাড় ক'রে হাস্না-হেনার প্রাণছোঁয়া মৌ
ফুলতলা যাই! ফুলতলা যাই!! ফুলতলা যাই!!! ফুলতলা যাই!!!!
শীতের শেষে সবুজ বনে পাখির কুজন কুহু কুহু
কখন জানি পরাণ পাখি ডাকলো হঠাৎ হায় জানি না!
কেমন ক'রে কাল-বোশেখী খড়ো-চালা উড়িয়ে নিয়ে
ভেঙে গেলো উপাস্য-ধ্যান কেউ জানেনি কেউ বলেনি।
এখন আমার মগজ-জমিন চোত-নিদাঘে শূন্য খাঁখাঁ
ঘরের কোণে একলা একা দুখের শিথান উদাস দুপুর।
বুকের খাঁচায় পোষা পাখির ব্যথার বেহাগ উজান অথই
হায় থামে না! পোষ মানে না!! কী যে করি? কোথায় দাওয়াই??
এইতো এলো আশার প্লাবন- ফুলতলা যাই! ফুলতলা যাই!!
মনের বীণায় অঝোর ধারায় নিপূণ হাতের একটানা সুর।
ফুলতলা যাই- রক্তস্রোতে ছলকে ওঠা সুরের নূপুর
ফুলতলা যাই- দুখের ক্ষেতে সোনাফলা একমুঠো সুখ!।
16.12.84
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




