রূপালী নক্ষত্রের এই যে রাত যাচ্ছে চলে!
অভিমানে এ বুকের আঙিনায় কেবলই সন্দেহ
কেবলই অবিশ্বাসের ধোঁয়া ছেয়ে যায় চোখ।
কামুক শকুনেরা খুবলে খাবে হৃদয় তোমার
এক এক করে উড়ে যাবে প্রণয়ের মধুকর;
গলিত শবের থেকে অ্যামোনিয়ার দুর্গন্ধ
তোমার শরীরে ছড়াবে অঢেল ঘৃণা!
তুমি তো অতীত নও, নও কোনো মৃত্যুর মহিমা
প্রাণহীন, সপর্শহীন জড়তার অভিজ্ঞান কেন পুষে রাখো বুকে?!
এই দেখো বর্তমান-
এক তাল ঢেউয়ের আনন্দে উছলে ওঠে এ বুকের সাগর!
শিশুর হাসির মতোন এনে দেবো পূর্ণিমা চাঁদ
দুরনত কৈশোর থেকে তোমাকে দেবো উচ্ছল দিন
বাড়নত যুবক নীল প্যাকেটে যেমন জমিয়ে রাখে ভালোবাসার চিঠি
এই বুক তো তারই প্রতিজ্ঞা, তারই পোস্টবক্স
স্বচ্ছ করতোয়ার সুসি্নগ্ধ জলে ভিজিয়ে নিয়ে ঐ বুক
এক এক করে লিখে যাও তাতে অমিতাভ শব্দাবলী
এইভাবে লিখতে-লিখতে-লিখতে তোমার
প্রণয়ের পাণ্ডুলিপি পরিপূর্ণ হলে-
নিঃসংকোচে পাঠিয়ে দাও রেজিস্টার্ড ডাকে
আমি হৃদয়ের প্রেসনোটে লিখে নেবো প্রিয় সেই নাম
এই শতাব্দীর অহঙ্কার-
সোনা বউ- সে নাম তোমার!
27.11.92
ছবি: নেট থেকে নেয়া
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




