ভালো লাগে বড়ো মানুষদের সাথে কথা বলতে। ভালো লাগে তাঁদের জীবনের খুঁটিনাটি জানতে। তেমনি এক সাদা মনের মানুষ সর্বজন শ্রদ্ধেয় মুস্তাফা মনোয়ার স্যার। বিটিভি বা অন্যান্য টিভি চ্যানেলে যারা স্যারের পাপেট শো দেখেছেন তারা নিশ্চয়ই মনে রাখবেন তাঁর কথা। পুরোপুরি রাবীন্দ্রিক ঘরানার মানুষ মুস্তাফা মনোয়ার স্যার। বিভিন্ন কথায়, আলাপ-আলোচনায় রবীন্দ্রনাথের উদ্ধৃতি বা গল্প বলেন তিনি। শুনলাম তাঁর বাবার সাথে রবীন্দ্রনাথের সখ্যতার কথা। আরও শুনলাম কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের সাথে কবি গোলাম মোস্তফার আড্ডার কথা। সত্যি বলতে কী, মুস্তাফা মনোয়ার স্যারের বাবা যে কবি গোলাম মোস্তফা তা আগে জানতাম না আমি। সেদিন আমার অফিসে লাঞ্চ খেতে বসে গল্পের ফাঁকে ফাঁকে এসব কথা শুনলাম তাঁর কাছ থেকে।
কবি আসাদ চৌধুরীর কথা কী আর বলবো? ভীষণ সদালাপী ও হাসিখুশি মানুষ তিনি। আমার সাথে পরিচয়ের প্রথমেই বললেন- উনি আামার লেখার সাথে পরিচিত। স্মৃতি হাতরালাম আমি- আশির দশকের পুরোটাই আমার লেখা প্রকাশ পেতো পত্র-পত্রিকায়। ছাপার অক্ষরের ছড়া-কবিতা হয়তো পড়েছেন তিনি। ময়মনসিংহে থাকাকালীন বিভিন্ন অনুষ্ঠানে কয়েকবার তাঁর সাথে সাক্ষাতও হয়েছিলো।
শেষ হলো খাওয়া-দাওয়া। ভালো মানুষদের সাথে কাটলো একটি বিকেল। যাবার আগে সদ্রপ্রকাশিত আমার কবিতার বই 'নিশীথে তোমার কুহক' দুজনের হাতে ধরিয়ে দিলাম। সাদরে গ্রহণ করলেন তাঁরা আমার এ ক্ষুদ্র উপহার। বড়ো ভালো সময় কাটলো সেদিন সোমবার 12.03.2007 তারিখ বিকেল বেলা।
14.03.2007
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



