জোকস – ১
বল্টু রাস্তায় হাঁটছিল , হঠাত্ তার পায়ের সাথে একটা পুরোনা দিনের প্রদীপ ঠোকর খেল। বল্টুর বুকটা আশায় দুলে উঠল! আশপাশে এক নজর তাকিয়ে দ্রুতপ্রদীপটা পকেটে পুরে ফেলল।
একটু সামনে গিয়ে একটা নিরিবিলি জায়গা পেয়ে প্রদীপটাতে জোরে ঘষা দিল ! এসব ক্ষেত্রে যা হয় আর কি ! সাথে সাথেই. . .
↓↓ ↓↓
↓↓
↓↓
↓↓
↓↓
↓↓
☆。★。☆。★
。☆ 。☆。☆
★。\|/。★
বুম! বুম! বুম! বুম!
★。/|\。★
。☆。 。☆。 ☆。 ★。 ☆ ★
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত বল্টু সদর হাসপাতালে চিকিত্সাধীন আছে ! আলাদীনের যুগ কি আর আছে রে ভাই! দেশের
অবস্থা ভালো না , রাস্তাঘাটে বেওয়ারিশজিনিস দেখলে হাত না দেয়াই ভালো!
জোকস - ২
তিন বন্ধুর চাপাবাজি:
প্রথম বন্ধু: আমার দাদা দৌড়ে চ্যাম্পিয়ন ছিলেন। তীর ছুড়ে দিলে সেটার আগে লক্ষ্যে পৌঁছে যেতেন।
দ্বিতীয় বন্ধু: আমার দাদা আরও বড় দৌড়বিদ। গুলির পাশাপাশি ছুটতে পারতেন তিনি।
তৃতীয় বন্ধু: ধুর বেটা...... আর আমার দাদা সময়ের আগে চলতে পরতেন। তিনি সরকারি চাকরি করতেন। অফিস
ছুটি হতো পাঁচটায়, কিন্তু উনি রোজ তিনটার সময়ই বাসায় চলে আসতেন।
জোকস – ৩
১০বছরের এক বাচ্চা অনেক গুরুত্বের সাথে একটা বই পড়ছে। যার 'Title' ছিলো "বাচ্চাদের সঠিক ভাবে লালনপালন"।
,
,
,
,
,
,
,
মাঃ তুই এই বইটা কেন পড়ছিস???
,
,
,
,
,
,
বাচ্চাঃ আমি এইটা বইটা পড়ছি কারন, আমি দেখছি আমার লালনপালন ঠিক মতো হইতেছে কি না???
জোকস – ৪
এক প্রবীণ শান্ত মেজাজের ভদ্রলোক হঠাৎ খেপে গিয়ে বাসে এক ভদ্রমহিলার মাথায় গাট্টা মারলেন। এ নিয়ে আদালতে মামলা উঠেছে।
বিচারক বললেন, ‘আপনাকে দেখেশুনে তো মনে হয়না আপনি এমন বাজে কাজ করতে পারেন। কিন্তু বাসের সবাই সাক্ষী। এ কাজ আপনি করতে গেলেন কেন?’
অভিযুক্ত ভদ্রলোকটি বললেন, ‘হুজুর, শুনুন তবে কেন এমন স্বভাববিরোধী কাজটা করেছি।ভদ্রমহিলা ¬র সামনেই দাঁড়িয়েছিলাম আমি। বাসটা যাচ্ছিল মতিঝিল থেকে মিরপুর। সিটে বসেই তিনি হাতের বড় ব্যাগটাখুললেন, তা থেকে একটাছোট ব্যাগ বের করলেন। তারপর বড় ব্যাগটা বন্ধ করে ছোট ব্যাগটা খুললেন উনি। তাথেকে একটা ১০ টাকার নোট বের করে ছোট ব্যাগটি বন্ধ করলেন। তারপর বড়ব্যাগটি খুলে ছোট ব্যাগটি তার ভেতর পুরে বড় ব্যাগটি বন্ধ করলেন।কন্ডাক্টর ¬ ¬ ইতিমধ্যে দূরে সরে যাওয়ায় ভদ্রমহিলা আবার বড় ব্যাগটি খুললেন, ছোট ব্যাগটি বের করলেন। বড় ব্যাগটি বন্ধ করলেন, ছোট ব্যাগটি খুলে টাকাটা ছোট ব্যাগে পুরলেন। তারপর ছোট ব্যাগটি বন্ধ করলেন, বড় ব্যাগটি খুললেন—!’
বিচারক অধৈর্য হয়ে বললেন, ‘কী একশবার ছোটব্যাগ-বড়ব্যা ¬ ¬গ, বড়ব্যাগ-ছোটব্যা ¬ ¬গ করছেন! ইয়ার্কি পেয়েছেন?’
অভিযুক্ত লোকটি বলল, ‘হুজুর, আপনি দুই মিনিট শুনেই ধৈর্য হারিয়ে ফেললেন? ঝাড়া আধঘণ্টা ধরে দুই শত একত্রিশ বার চোখের সামনে এই জিনিস দেখার পর আমি গাট্টাটা মেরেছি।’
বিচারক রায় দিলেন, ‘কেস ডিসমিসড।’
* অসাধারণ এই জোকসগুলো নেওয়া হয়েছে এই সাইট থেকে। আরও জোকস দেখতে চাইলে এখানে দেখুন ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




