যে ছবিটি দেখতে পাচ্ছেন তা হচ্ছে নাগাসাকি বোমবিংএর সময় বেঁচে যাওয়া একজন মহিলা। ছবিটি ১৯৪৫ সালের।

৬ই অগাস্ট, ২০০৬, মন্টানা, আমেরিকা। সমগ্র বন ঢাকা পড়েছে ভয়াবহ আগুনে। বনের মাঝে বয়ে চলা সরু স্রোতধারায় বাঁচার জন্য আশ্রয় নিয়েছে বন্যপ্রাণী।

এডিনবার্গ দুর্গটি স্কটল্যান্ডের সবচেয়ে ভয়ানক জায়গা হিসেবে পরিচিত। এই অসাধারণ সুন্দর স্কটিশ দুর্গে ভূত দেখা যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে বহুবার। এই দুর্গে অনেক বন্দী রাখা ও টর্চার করার জন্য ছিল বিশেষ স্থান তা ছাড়া প্লেগ রোগে মারা যাওয়া মানুষের জন্য আছে কবরস্থান। এই দুর্গে লেডি গ্লামিস নামের একজন কালো জাদুকর মহিলা ছিলেন, তাঁর জাদুর বিষয়টি তাঁর ছেলে দেখে ফেলেছিল বলে তিনি তাঁকে পুড়িয়ে মেরে ফেলেন ১৫৩৭ সালে।

এটি কোনো গণ বেডরুম নয়। থাইল্যান্ডের একটি মুভি থিয়েটারের ভিতরের দৃশ্য এটি।

ফিলিপিনসের বোহোল অঞ্চলে গেলে অদ্ভুত দৃশ্য দেখতে পাওয়া যায়। ছোট ছোট পাহাড়ের ঢিবির সারি। প্রশ্ন হচ্ছে, পাহাড় দেখে অবাক হব কেন? পঞ্চাশ স্কয়ার কিলোমিটার বিস্তৃত এ অঞ্চলে একসঙ্গে ১ হাজার ২৬৮টি একই রকমের, একই আকৃতির পাহাড় দেখা যাবে। তার ওপর তাদের রঙ আবার চকোলেটের মতো। লাইমস্টোনের তৈরি এ পাহাড়গুলোর উচ্চতা ৩০ থেকে ৫০ মিটার। লাইমস্টোনের ওপর পুরু ঘাসের স্তর গ্রীষ্মকালে শুকিয়ে গেলে বাদামি রঙ হয়ে চকোলেটের মতো হয়ে যায়। তাই এদের নাম চকোলেট পাহাড়।

Karen Padaung (কারেন পাদায়েং) উপজাতির আবাস বর্তমান মায়ানমার ও থাইল্যান্ড সীমান্তের Mae Hong Sorn এবং Phrae প্রদেশে। এই উপজাতির মেয়েদের গলা অস্বাভাবিক লম্বা। এটাই এই উপজাতীয় মেয়েদের সৌন্দর্যের প্রতীক। এসব মেয়েদের বয়স যখন বয়স ৫ থেকে ৬ তখন থেকেই এই উপজাতির পুরুষরা তাদের গলায় একটি তামার স্প্রিং পরিয়ে দেয়। এই স্প্রিং-এর টানে এসব মেয়েদের গলা বয়ঃবৃদ্ধির সাথে সাথে আস্তে আস্তে লম্বা হয়। পরিপ্রেক্ষিতে একটি যুবতী মেয়ের গলা প্রায় ১৬ ইঞ্চি পর্যন্ত লম্বা হয়।তারা এই স্প্রিং সবসময় পরে থাকে তাদের বিশ্বাস স্প্রিং খুললেই তাদের ঘাড় যে কোন সময় মটকে যাবে। বিয়ের পূর্ব পর্যন্ত এই উপজাতির মেয়েরা কানের দুল পরেনা!

* এ ধরনের আরও অনেক সুন্দর সুন্দর ছবির সংগ্রহ রয়েছে এই লিংকে

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




