আজ এক জুনিয়র স্ট্যাটাস দিলো ''আগামি বার জীবনের প্রথম ভোটটা আপনারা পাচ্ছেন না।'' ভালই লাগলো।
প্রজন্ম থেকে এর বেশি কি ই বা আশা করা যেতে পারে? প্রেমিকার সাথে দেখা করার পর প্রজন্ম পুরো উদ্যমে প্রজন্ম চত্বরে যায়। স্লোগানের ঝর তোলে। একজন লাকি আক্তারের দিকে আড়চোখে তাকায় আর সব ভুলে গিয়ে মনে মনে তুলনা করতে থাকে ভালবাসার মানুষেটির সঙ্গে।
ঘরে ফিরে জুকারবারগের নীল জগতকে আশ্রয় করে প্রজন্ম কীবোর্ডে ঝর তুলে। এততুকুই তাঁর সম্বল।
প্রিয় প্রজন্ম, প্রথাবিরোধী হতে খুব ভালবাসে। যারা ৪২টা বছর পর গো জম দের বিচারের কাঠগড়ায় দাড় করিয়েছে প্রজন্ম তাদের দেয়া পুলিশ প্রহরায় থেকে তাদের গালি দিতে পেরে বিপ্লবির সুখ অনুভব করে।
প্রজন্ম আমার বড়ই অদ্ভুত। যে কোন আন্দোলনের দ্বিতীয় দিন থেকেই সমানুপাতিক হারে কমতে থাকে। প্রজন্ম আমার যত দ্রুত উত্তেজিত হয় তাঁর থেকেও দ্রুত গতিতে ঠাণ্ডা হয়ে পড়ে, যেন পদার্থ বিজ্ঞানের তাপগতিবিদ্যা ও অবাক চোখে দীর্ঘশ্বাস ফেলে।
পাঁচ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে প্রজন্ম তুমি প্রমান করতে পারো নি 'স্বাধীনতার চেতনা' জিনিসটা কি। আড়ালে আবডালে ব্যাবচ্ছেদ করেছো ক্ষমতাসীনদের রাজনীতি, তাদের ভুলসর্বস্ব প্রমান করতে পারাই ছিল তোমার বিজয়।
অথচ এই তোমাদের ভরসায় একটি দল চেয়েছিল জাতিকে কলঙ্ক মুক্ত করতে। মাঝ পথে এসেই দেখা গেল তোমরা প্রথাবিরোধীর লেবাস ধরে তোমাদের সদ্য গজানো গোঁফে তেল দিচ্ছ।
এই অবস্থায় এসে আওয়ামীলীগ যদি এইটা ভেবে থাকে দেশের বেশিরভাগ মানুষ যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চায় না, তাহলে কি তাঁর মস্ত বড়ো ভুল হয়ে যাবে?
আরেকটা ২১ আগস্ট তৈরি হলে প্রজন্ম ফেসবুকেই থাকবে তোমার চোখের জল। প্রিয়তমার হাসির উচ্ছাসে ভুলে যাবে বাঙ্গালির ইতিহাস। এক অভিশপ্ত জাতির ইতিহাস।
যদি আওয়ামীলীগ রাজনীতির চিন্তা করে এই সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে তবুও আমি তাদের পূর্ণ সমর্থন দেই। কারণ ফেসবুক বিপ্লবীরা তাদের রক্ষা করতে পারবে না। পারে নি পাঁচ সিটিতে। পারবে না আরেকটি ১৫ আগস্ট থেকে রক্ষা করতে।
জয় বাংলা,জয় বঙ্গবন্ধু।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


