বিশ শব্দের গল্পসমগ্র- এক
এক
-ভাইজান আমি আব্দুল মান্নান কিন্তু বন্ধুরা আদর করে ডাকে স্বামী বিদেশানন্দ!
-মানে?
-কারো স্বামী বিদেশে থাকলে আমি বড়ই আনন্দে থাকি!
দুই
- একটা জিনিস খেয়াল করলাম…
- কি বলতো।
- বৃষ্টি হলে পুরো শহরটা কেমন যেন হুট করেই বদলে যায়!
- হুম ঠিক তোমার মতোই!
তিন
- মাইয়া মাইনষে সুন্দরী হইলে সাত খুন মাফ।
- আর সুন্দরী না হইলে
- খুন খারাবী খুব খারাপ... এইগুলান মাইয়া মাইনষের কাম না!
চার
-ডাক্তার সাহেব আমার প্রচন্ড ভয় লাগছে!
-একদম ভয় পাবেন না, নো কাঁপাকাঁপি যদিও স্বয়ং হিটলারও একমাত্র তাঁর ডেন্টিস্টকেই ভয় পেতেন!
পাঁচ
শেষ মুহুর্তের সিদ্ধান্ত বদলানোয় আনিকার আত্মহত্যা করা হয়নি!
ভাগ্যিস সিদ্ধান্ত বদলেছিল কেননা পরের দিনটিই ছিল আনিকার জীবনের সবচেয়ে স্মরণীয় দিন।
ছয়
-পাহাড় না সমুদ্র?
-সমুদ্র
-কেন?
-সমুদ্রের বিশাল ঢেউ বুকের উপর আছড়ে পড়লে মনে হয় প্রেমিকা হাগ দেবার জন্য ঝাঁপ দিয়েছে!
সাত
আইবিএতে এমবিএ করা বসের সব গল্পই ছিল আইবিএর!
স্কুল-কলেজ-অনার্স লাইফে বলার মত কোন গল্পই তার কখনো ছিল না!
আট
-বুঝিনা মেয়েরা এত লাভ রিএক্ট দেয় কেন আমার প্রতিটা পোস্টে!
-দিলে সমস্যা কি?
-নাহ্ মানে ইয়ে বউ খুব রাগ করে...
নয়
করোনায় অর্ধেক বেতনে স্বল্প টাকায় চাকুরীরত কাজিনের দেখাদেখি সিক্স ডিজিটের বেতন পাওয়া ছেলেটিরও একই স্ট্যাটাস, বেতন যাই হোক বেকারতো নই!
দশ
- একদিন সবকিছু নষ্টদের অধিকারে যাবে কথাটা ভুল!
- কেনরে?
- এদেশে সবকিছু নষ্টদের অধিকারে ছিল,নষ্টদের অধিকারে আছে, নষ্টদের অধিকারে থাকবে ফুলস্টপ!
এগারো
পাশের কলিগকে ইন্টারভিউর বিষয়টি গোপনীয় রাখতে বলে সময়মত বেরিয়ে গিয়েছিলাম। পরদিন পিয়ন বাদে অফিসের সবাই ইন্টারভিউ কেমন হয়েছে জানতে চেয়েছিল!
বারো
- বুঝলি দাদুভাই,ক্যাম্পাসে সিঙ্গেল সিনিয়র ভাই ছিল দুই ধরনের- তোদের দাদীকে পেছনে বসিয়ে সাইক্লিংয়ের সময় হিংসা করত অথবা করত না!
তেরো
লিংকডইনে ঢুঁকলেই সহজসরল সামী লো ফিল করে কারণ লিংকডইনে যার প্রোফাইলেই ঢুঁ মারে তাকেই তার গরীবের স্টিভ জবস মনে হয়!
চৌদ্দ
লিফটের ভেতর ছবিসহ স্টীকার লাগানো,বাচ্চাদের খেলাধুলা নিষেধ।
কি অদ্ভুত!
যতটুকু জানি লিফটে সবচেয়ে বেশী খেলাধুলা করে প্রাপ্তবয়স্ক প্রেমিক প্রেমিকারা!
পনের
বহুদিন পর ব্লেজারের দুটো বোতামই লাগাতে পেরে খুশীতে লাফ দিতেই অতিরিক্ত চাপ সহ্য করতে না পেরে বোতামগুলো খুলে পড়েই গেল!
Moral of the story: যে কোন অর্জনেই এত দ্রুত এত বেশী খুশী হতে নেই
ষোল
টাইট প্যান্ট পরে ওযুতে বেসিনে পা তুলতে নেই,আমি নিরুপায় হয়ে একবারই তুলেছিলাম,মুহুর্তেই অদ্ভুত আওয়াজে পেছনের সেলাই খুলে যায়!
সতের
-সেলসের জব! প্রেসার লাগেনা?
-নাহ্,ম্যানেজার চাকরি হারানোর ভয় দেখালেই মনেমনে বলি, তোর বাপের চাকরি করি নাকি বাপে চাকরি দিসে!
Moral of the story: Never ever feel low inside because of bad people.
আঠারো
- আপনি নিজেই এত দুষ্ট, বিশ্বাসই হয়না এত বড় দুষ্ট বাচ্চার বাবা আপনি!
- আরেহ্ বইলনা, দুষ্টামি করতে করতেইতো বাবা হয়ে গেলাম।
উনিশ
রাত দেড়টায় ছেলের প্রশ্ন, বাবা আমার কোন ভাইবোন নাই কেন?
-বাপ তুই প্লিজ ঘুমা,তাড়াতাড়ি ঘুমাসনা বলেই তোর ভাইবোন নাই!
বিশ
*** শুরুর গল্প ***
কল দিতে নিষেধ করায় স্রেফ মনেমনে কথা বলি প্রতিদিন।
বেরসিক মেয়েটির রিপ্লাই, ফোনেফোনে কিংবা মনেমনে কোনভাবেই কোনরকম কথা বলা যাবেনা!
#Shista©
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে জানুয়ারি, ২০২১ রাত ৮:১০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


