সারাদিন নেটে বসে থেকে হাবিজাবি ঘাটাঘাটি করতে করতে হঠাৎ হিটলার সাহেবকে নিয়ে একটু জানতে ইচ্ছে হল। তার সম্পর্কে মোটামুটি common কিছু তথ্য সবারই জানা। তাই সেগুলো বাদ দিচ্ছি। কয়েকটি মজার অজানা তথ্য পেলাম। সেগুলোই নাহয় একটু শেয়ার করিঃ
১। হিটলার ১৯৩৯ সালে নোবেল শান্তি পুরষ্কারের জন্য মনোনীত হয়েছিলেন। (কস কী মমিন!!)
২। হিটলার পুরুষদের জন্য এক ধরনের সেক্স টয়ের আবিষ্কারক (Blow-up sex dolls)। জার্মান সেনাদল ফরাসি পতিতাদের সাথে মিলিত হবার কারণে সিফিলিসে আক্রান্ত (এক ধরনের যৌনব্যাধিবিশেষ) হবার ফলে হিটলার এই আবিষ্কার করেন।
৩। হিটলার ১৬ বছর বয়সে প্রথমবারের মত এক ইহুদী মেয়ের প্রেমে পড়েছিলেন। কিন্তু সাহসের অভাবে সেই মেয়ের সাথে তার কখনো কথা হয় নি। (মিস্টার বিশ্বযুদ্ধেরও সাহসের ঘাটতি ছিল!! তাহলে আমি আমার নিজের প্রেমের তো কোন ভবিষ্যতই দেখতে পাচ্ছি না!!)
৪। আধুনিক যুগে হিটলার সাহেবই সবার আগে জনসচেতনতায় ধূমপানবিরোধী অভিযান শুরু করেছিলেন। (খাইসে রে!!)
৫। হিটলার ভেজিটেরিয়ান ছিলেন। এমনকি তিনি প্রানীদের হত্যার বিরূদ্ধে একটি আইনও প্রণয়ন করেছিলেন।
৬। মাত্র চার বছর বয়সে হিটলার সাহেব বরফঠান্ডা জলে পড়ে গিয়ে প্রায় মরতে বসেছিলেন। তখন তাকে বাঁচায় প্রায় তারই সমবয়সী আরেক পিচ্চি।
৭। প্রথম বিশ্বযুদ্ধে এক ব্রিটিশ সৈন্য পুরো হাতের নাগালে গুলি করার সুযোগ পেয়েও এক আহত জার্মান ছেলেকে ছেড়ে দেন (আহারে! কী দয়ালু!!)। সেই জার্মান ছেলেটা ছিল অ্যাডলফ হিটলার।
৮। হিটলার তার প্রচন্ড ক্ষমতাবলে অসংখ্য যুদ্ধবন্দীদের আটক করে রাখলেও তিনি কখনোই এরকম কোন যুদ্ধবন্দী ক্যাম্পে যান নি। তিনি এ ব্যাপারে মাশাল্লাহ ভালোই সতর্ক ছিলেন। এমনকি, হিটলার ব্যক্তিজীবনে যাবতীয় নোংরা কাজকর্ম থেকে নিজেকে দূরে রাখতে সচেষ্ট ছিলেন।
৯। হিটলারের মাত্র একটি অণ্ডকোষ (আমার বেশ অস্বস্তি নিয়ে এই শব্দটা লিখতে হয়েছে। তারপরেও লিখলাম) ছিলো। অপরটি তাকে এক যুদ্ধের পরে তলপেটের নিচে প্রচন্ড যন্ত্রণার কারণে সার্জারি করে বাদ দিতে হয়েছিলো।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




