কাহিনী : নায়োক একজন আ্যকাউন্ট ম্যানেজার। তার মহিলা বস তাকে দিনরাত ঝারির উপর রাখে। ঝারি খেয়ে নায়ক এর হয়ে যায় মাথা গরম। নায়ক এর মাথার ভেতর ঢিপ ঢিপ শব্দ হয়। মাথা গরম হয়ে যায়। এবং মাথার রগ ফুলে উঠে। তখন নায়ক কে ওষুধ খেয়ে ঠান্ডা হতে হয়।
এদিকে নায়ক এর কলিগ ব্যারি নায়ক এর গার্ল ফ্রেন্ড এর সাথে নায়ক এর বাশায় সহবাস করে (ডগি স্টাইল)। তা নয়ক জেনেও না জানার ভান করে। একদিন সেই কলিগ নায়ক এর পয়সায় কনডম ও কিনে। কিন্তু আমাদের নায়ক তখন ও কিছু বলে না। বাংলাদেশের পাবলিক এর সাথে নায়ক এর কি কোন মিল পাচ্ছেন?
তো সে যায় হোক। প্রথম ষিন এই দেখা গেল এক মধ্য বয়স্ক লোক এক রুম এর ভিতর একটা বুলেট নিয়ে গবেশনা করছে। এমন সময় তাকে গুন্ডারা পাশের বাড়ির ছাদ থেকে গুলি করে মারার চেষ্টা করল। কিন্তু মধ্য বয়স্ক লোক অনেক বেশি সেয়ানা। সে এক লাফ এ পাশের বাড়ির ছাদ এ চলে গেল। যাওয়ার পথে আকাশ এ থাকতেই গুন্ডা গুলিকে গুলি করে মেরেও ফেললো। এই সেয়ানা পাবলিক এর অবশ্য শেষ রক্ষা হল না। ছাদ এ থাকতে তার কাছে ফোন আসলো। ফোন এ মধ্য বয়স্ক সেয়ানা লোক বেশ বড়াই করে বলল “আমারে তো মারতে পারলি না। বিড়াল দিয়ে বাঘের কাম করান যায় না” (বিসিবি শুনছেন তো??)। উত্তর আসলো “ওরা তো তরে মারবার যায় নাই। গেসিলো তোরে এই ছাড এ আনবার লাইগা। বলেই কমপক্ষে ৫ মাইল দুর থেকে গুলি করে মধ্য বয়স্ক সেয়ানা লোক কে মেরে ফেল্ল এর চেয়েও বেশি সেয়ানা আরেক জন। কাজের সুবিধার্থে এর নাম দিলাম বেসা (বেশি সেয়ানা)
এই ঘটনার সাথে আমাদের ছাগল নায়ক এর সমপর্ক কি? আসছি সেখানে…
একদা নায়ক গেল বাজার করতে। কাউন্টার এর সামনে সে দারিয়ে আছে। হঠাৎ তার সাথে ধাক্কা লাগলো ফক্স (এন্জেলিনা জুলি) নামের এক চিকনা মেয়ের। ফক্স বার বার তার গায়ের উপর এসে পরতে লাগলো। তাতে নায়ক বেশ মাইন্ড করছে বলেই মনে হল। আমি জানি আপনারা হয়ত ভাবছেন এন্জেলিনা জুলি গায়ের উপর এশে পরলে সমস্যা কি!! আমরা হলে তো খুশি ই হতাম। কিন্তু এই এন্জেলিনা জুলি আর সেই এন্জেলিনা জুলি নেই। একে দেখে মনে হয়েছে আফ্রিকা থেকে আসা কোন পোলিও রোগি। কারো হাত এর চেয়ে চিকন হওয়া সম্ভব নয়।
নয়ক নায়িকা ঠেলা ঠেলি করছে এমন সময় সেখানে চলে এলো বেসা। এসেই গোলা গুলি। ফক্স আমাডের নায়ক কে বাচিয়ে নিয়ে গেলো তার হেড কোয়ার্টার এ। এই পর্যায় বুঝা গেলো যে নায়িকা আসলে একটি অ্যাসাসিন ব্র্রাদারহুড এর সদস্য যার অধিনায়ক এর নাম স্লন। সেখানে নিয়ে নায়ক কে বলা হল যে সে আসলে মহা ক্ষমতার অধিকারি। এবং চাইলে সে গুলি করে মাছির পাখা ছিরতে পারে। এতো কঠিন ক্ষমতা থাকার পর তো আর আ্যকাউন্ট ম্যানেজার থাকা যায় না। সুতরাং নায়ক কে অ্যাসাসিন ব্র্রাদারহুড এর মেম্বারশিপ এর অফার দেয়া হল। নায়ক কে আরো বলা হোল যে সিনেমার শুরুতে যেই সেয়ানা পাবলিক কে বেসা খুন করেছে সে আসলে আমাদের নায়ক এর বাবা।
কিছু দিন ধানাইপানাই করে নায়ক অফার নিলো। তখন তাকে কঠিন ট্রেনিং দেয়া হল। ট্রেনিং এর বেশির ভাগ সময়ই নয়ক কে মাইর দেয়া হল। বেচারা নয়ক! অবশেষে নায়ক এর ট্রেনিং শেষ হয়। তখন তাকে পাঠানো হয় তার প্রথম টারগেট কে মারতে। টারগেট নির্ধারিত হয় কেমন করে? এখানেই এই ছবির সবচেয়ে বড় চমেতকার!
এক বিশাল কাপড় বুনার মেশিন এ ২৪ ঘন্টা কাপড় বুনা হতে থাকে সেই কারড় এ সুতার বুনন এ বাইনারি কোড এ লেখা থাকে টার্গেট দের নাম। স্লন সেইটা ডিকোড করে টার্গেট এর নাম বের করে। এটা নাকি ফেইট বা ভাগ্যর নির্দেশ। এর চেয়ে হাস্যকর মেথড কি আর খুজে পাওয়া যায় নি?
আতপর নায়ক কাপড় এর সুতার মধ্যে বাইনারি কোড খুজে বেরানো বেকুব স্লন (আমি নিশ্চিন স্লন ধর্মগ্রন্থে বিগ্গান খুজে বেরায়!) এর নিরদেশ মুতাবিক কিছু নিরিহো মানুষ মারে। এদিকে বেসা এর এখনো মেজাজ গরম। সে এসে নায়ক কে গুলি মারে। নায়ক গুলি খেয়ে ও মরে না। বরং গুলি বের করে সেই গুলির নির্মাতা কে খুজে বের করে। এবং তাকে বলে বেসা কে ধরিয়ে দিতে।
ণায়ক এর সাথে বেসার আরো কিছু গুলোগুলি হয় এবং বেসা নায়ক এর হাতে মারা যায়। তার পর নায়ক কে আমাদের গুলি ইন্জিনিয়ার জানায় যে বেসাই আসলে তার বাবা। আর নায়ক তার বাবা কেই মেরে ফেলেছে। বেকুব নায়ক কে আরো বলা হয় যে বেসা আগে ব্রাদারহুড এর সদস্য ছিল। স্লন এর নাম কাপড় মেশিন এ আসলে স্লন এই মেশিন বাদ দিয়ে নিজে নিজে টার্গেট মেনুযেক্চার করা শুরু করেছে। বেসা সেটা জানত তাই বেসা কে মারার জন্য নায়ক কে ট্রেনিং দেয়া হয়। কারন নয়ক ই একমাত্র মানুষ জাকে বেসা মারবে না (যদিও প্রথম থেকেই মারার চেষ্টা করছে…. এই যুক্তির অর্থ বুঝলাম না)।
নায়ক পিতার হত্যার বিচার করার জন্য (না কাপড় মেশিন আঈন প্রতিষ্ঠার জন্য সেটা জানি না), স্লন কে এটাক করলো। এবং সব মেরে সাফ করল। খেলা শেষ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



