আমরা পিছনে কেন যাচ্ছি?
আমাদের দেশ এর যখন প্রতিশ্ঠা হয় তখন আমরা ছিলাম সেকুলার। আর আজকে আমরা কাগজ কলম ছাড়া সকল ভাবেই একটা ইসলামি দেশ। আমি যখন বলি ইসলামি দেশ তখন আমি এটা বলছি না যে এই দেশ এর সবাই ইসলামি নিয়ম খুব সুন্দর মানা শুরু করেছে। তা বেশির ভাগ ই করে না। কিন্তু পলিটিক্যালি এই দেশ এর ইসলামাইজেসন প্রচন্ড।
এই দেশ এ এখন কার্টুন প্রকাশ করলে জেল জরিমানা হয়। বাহ! ধর্মানুভুতি দেশ এর কোন আঈন এ আছে আমার জানার বড় ইচ্ছা করে। একজন হিন্দুর দেব দেবি নিয়ে এই দেশ এ আজীবন গালাগালি শুনছ। স্কুল কলেজে অনেক আবাল পোলাপাইন দেকছি হিন্দু দেখলেই আড়ালে মালাউন ডাকতে। সামনা সামনি ডাকে না কারন তাতে নাকি ভদ্রতা থাকে না। যেন আড়ালে কাউকে গুষ্টি শুদ্দা গালি দেয়াই ভদ্রতার চরম শিখর।
আমাদের দেশ রে মুসলমানি করানোর এই চেষ্টা থামায় আমরা কবে সভ্য হব আমি সেই অপেক্ষা্য় ই আছি। প্রবলেম হল আমরা বুঝতে পারছি না যে দেশ এর কোন পুরুষাঙ্গ নেই। কাজেই দেশ এর মুসলমানি করানো যাবে না। ধর্ম হল যার যার ব্যাপার। সুতরাং নিজেরটা কাটার পড় আর কিছু করার নাই। সেকুলারিজম মানে ধর্ম হীনতা বলে যারা গলা ফাটায় তাদের বুঝা উচিত যে এই ধর্ম হীনতা টা রাষ্ট্রের ধর্ম হীনতা। ব্যক্তির না। যার অর্থ হল রাষ্ট্র কারও ধর্ম নিয়া মাথা ঘামাবে না। তার মানে এই না যে রাষ্ট্র সকল মুসলমানেরে ধরে আবার ফোরস্কিন জোড়া লাগায়ে দিবে।
অব্শ্য আমাদের দেশের নিজামি আজমি আর খালেদারা যে তা বুঝে না এত বোকা তাদের ভাবলে ভুল হবে। তারা আসলে চায় না সেকুলারিজম কি তা মানুষ বুঝুক কারন বুঝলে আরিফ দের বিরুদ্ধে এরকম ছোট ছোট জিহাদ তারা কেমনে করবে। আফটারঅল কার্টুন এর বড় করে ধর্মানুনুভূতিতে আঘাত আর কিসে দেয়?
ইসলাম তো চলেই যাচ্ছিল। আল্লাহর গযব ও প্রায় নেমে যাচ্ছিল। শেষ ভুহুর্তএ ভারতীয় আর ইয়াহুদি ষড়যন্ত্র আরিফ মিয়ারে জেল জরিমানা করাতে এ না দীন ই এসলাম রক্ষা পেল।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



