দক্ষিণ কোরিয়ায় ফেরিডুবিতে তিন শতাধিক মানুষের প্রাণহানির ঘটনায় দেশটির প্রধানমন্ত্রী চাং হং উন পদত্যাগ করেছেন। উল্লেখ্য, গত ১৬ এপ্রিল দক্ষিণ কোরিয়ার উপকূলে ওই ফেরি ডুবে যায়।
নিউজটা শুনে খুব অবাক হলাম। কারন আমরা সাধারনত এই ধরনের মন্ত্রীসভার সাথে পরিচিত নই।
এতে তিন শতাধিক মানুষের প্রাণহানি ঘটে।
★নিহত ব্যক্তিদের অধিকাংশই ছিলেন স্কুলশিক্ষার্থী।
চাং হং-উন পদত্যাগ করেছেন কারন উনি দেশের ও দশের উন্নতিকল্পে প্রধানমন্ত্রীর দায়ীত্ত্ব
নিয়েছিলেন। যদিও এই এক্সিডেন্টটির দায় তার উপর বর্তায় না তারপরেও তিনি তার দায়বদ্ধতা থেকেই পদত্যাগ করেছেন।
কিন্তু আমাদের দেশের প্রধানমন্ত্রীরা শত শত মানব প্রানের বিনিময়ে প্রধানমন্ত্রীত্ত্ব টিকিয়ে রাখেন। তারা সকল ঘটনাকে দূর্ঘটনা বলে চালিয়ে দেয়।
প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগত দূরে থাক সংশ্লীষ্ট মন্ত্রানলয়ের মন্ত্রীরাইতো তার দায় স্বীকার নাকরে উদাসীনতা দেখায় আর সেখানে পদত্যাগতো তামাসা মাত্র। আমাদের দেশেওতো গক কয়েক দিন।আগে কয়েকশ যাত্রী নিয়ে একটি লঞ্চ ডুবে গেলো।
তাতে কার কি হল?
ক্ষতিগ্রস্তদের আত্নিয়-স্বজনরা চোখের জল ফেলল। কেউ বিধবা।হল কেউবা এতিম, সন্তান।হারা এই আরকি।
আর তাতে সরকার বা প্রশাসন দু-এক দিন এদিক-ওদিট ছুটোছুটি করল।
তারপর থেকে তারা নিশ্চুপ। নীরবতা পালন তারদের দায়ীত্বের মধ্যে পড়ে। তাছাড়া এই রকম।ঘটনা বা দুর্ঘটনা হলেতো তাদের।জন্য সুসংবাদ বয়ে আনে। কারন সেটাকে কেন্দ্র।করে যে সাহায্য বরাদ্দ হয় সেটা আত্মসাদ করার সুযোগটাতো আর।হাতছাড়া করা যায়নারে ভাই।
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই জুন, ২০১৪ রাত ১২:০৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



