
একটা জাতি যখন ক্রান্তিকাল পার করে তখন সে দেশে হাজারো অনাচারের পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ জাতিয় সম্পদও চুরি হতে থাকে, খোয়া যায় কিংবা নষ্ট হতে থাকে এবং এটাই স্বাভাবিক । কয়লার ক্ষেত্রেও সেটাই হয়েছে ।
দিনাজপুরের বড় পুকুরিয়া কয়লা খনি থেকে বিগত ১৩ বছর ধরে কয়লা চুরি হয়েছে । খনির কাগজপত্র অনুযায়ী সেখানে ১ লাখ ৪৭ হাজার টন কয়লা থাকার কথা থাকলেও অাছে মাত্র ৩ হাজার টন । এখন প্রশ্ন হলো, এ কয়লা যদি ট্রাকে করে সরিয়ে নিয়ে থাকে তাহলে দরকার হয় ১৫,০০০ ট্রাক । বছরে ১,০০০ ট্রাকে করে নিলেও সময় লেগেছে ১৫ বছর । তাহলে কর্তৃকক্ষ কি এতদিন নাকে সরিষার তেল দিয়ে ঘুমিয়েছিল ? নাকি চুরির মূল হোতা'ই তারা ?
এখন স্বাভাবিক কারণেই বর্তমান সরকার বলার একটা সুযোগ পাবে এবং অলরেডি বলতে শুরু করে দিয়েছে যে, এই চুরিটা শুরু হয়েছিল বিএনপির অামল থেকে । তার মানে চুরির পুরো দায় বর্তমান সরকারের উপর দেওয়া যাবেনা ।
এবার চলতে থাকুক উভয় পক্ষের কথার বাণ... । এখন বর্ষকাল । বৃষ্টিও ভাল হচ্ছে । রাস্তা-ঘাটের যা অবস্থা তাতে কাদারও অভাব হবেনা । কথা এবং কাদা চলুক এক সাথে ছোড়াছুড়ি নাকি কথা দিয়ে কাদা ছোড়াছুড়ি ?
অার দূর্নীতি দমন কমিশন এবং পেট্রোবাংলাকে তো অালাদাভাবে দায়িত্বই দেওয়া হয়েছে কয়লা চুরি তদন্তের । নিশ্চয় তারা এ মহান দায়িত্ব পালনে এখন ব্যস্ত...
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে জুলাই, ২০১৮ রাত ১১:০৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


