
র্পিপড়েগুলো ছোট ছিল, আস্তে আস্তে বড় হচ্ছে, আগে কেউ গর্তের বাইরে আসার সাহস পেতো না, এখন আসছে, একা নয়, দল বেঁধে অাসছে, ফুটপাথ থেকে রাস্তায় তারপর রাজপথে...
কেউ কি ওদের কু-মন্ত্রনা দিচ্ছে ? কানে কানে বলছে- তোরা আগে হাঁটা শুরু কর, আমরা পিছনে আছি। এই আমরা কারা ? কোন মরা খেকো শুকুনের দল ? দীর্ঘ দিন মরা না পেয়ে পেয়ে শরীর শুকিয়ে হাড্ডিসার ! এখন কি তারা আবার নতুন করে খাওয়ার ধান্দা খুঁজছে ?
না, এরা কেউ না, পিছনের এরা সবাই হলো নিহত দিয়া খানম ও আব্দুল করিম এর বাবা-মা। এরা সবাই উদ্বিগ্ন তাদের কোমলমতি সন্তানদের ভবিষ্যত নিয়ে। তাই তাদের সন্তানদের এই পথ চলতে দিতে কোন বাঁধা নেই, ওরা আরো বেশি বেশি করে শ্লোগান দিক, দাবী আদায় করে নিয়ে ঘরে অাসুক, সুন্দর ভবিষ্যত কে নিশ্চিত করুক।
ওরা তো বায়ান্ন দেখেনি, ওরা একাত্তর দেখেনি, ওরা নব্বইও দেখেনি। ওরা দেখেছে বিনা ভোটে এমপি হতে, অবৈধ্য সরকার গঠন করতে, খুন, গুম, জুলুম, নির্যাতন করতে, রাষ্ট্রীয় সম্পদ চুরি করতে, নির্বাচনের নামে তামাশা করতে, বিচারের নামে প্রহসন করতে...
তাই ওরা অন্তত: এটুকু জানে, ওদের এই অহিংস আন্দোলন দমনে মজুতদারী শক্তি হিসেবে প্রথমে ব্যবহার করা হবে পুলিশ কে, তারপর আরো বেশ কয়েকটি সংগঠন কে, যার ব্যবহার ইতোমধ্যে শুরু হয়ে গেছে।
তবে এটা ঠিক যে, চেতনা বিক্রি করে যারা ব্যবসা করে, কথায় কথায় জামাত-বিএনপি'র তকমা লাগিয়ে দেয় এবং সব শেষে রাজাকার বানিয়ে দেয়; আন্দোলনরত কোমলমতি এই সব ছেলে মেয়েদের ক্ষেত্রে হয়ত সেটা সম্ভব হবে না।
অতএব, এদেরকে নিয়ে আমরা আলোকিত বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখতেই পারি।
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা আগস্ট, ২০১৮ রাত ১০:৫৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


