
ক্রিকেটের ক্ষেত্রে বরাবরই অামরা খুব অাবেগ প্রবণ জাতি, সাধারন একটা ম্যাচ হলেই যেখানে অামরা গুরুত্বপূর্ণ সব কাজকাম ফেলে, নাওয়া খাওয়া ছেড়ে খেলা দেখতে দৌড়ায়, অার যারা যেতে পারিনা তারা টিভির সামনে বসে পড়ি । এবার ফাইনাল খেলা হলে বুঝুন অবস্থা, দু'হাত উঠিয়ে প্রার্থনা করা শুরু করি, বাংলাদেশ যেন জিতে । অামরা ভুলে যায় অামাদের সামর্থের কথা । তাইবলে, অামরা যে একেবারেই জিততে পারিনা, তা না । পারি এবং লড়াই করেই জিতি, অন্য কোন পক্ষ্যের সাহায্য নিয়ে নয় ।
কিন্তু প্রতিপক্ষ্যের মধ্যে যখন হেরে যাওয়া মানে ইজ্জত হারানোর শংকা কাজ করে তখন অামাদের জেতাটা খুব কঠিন হয়ে যায়; কারন তারা খেলার পাশাপাশি তাদের ক্ষমতাকে কাজে লাগায়, যেটা ইতোপূর্বের মত গতরাতের ম্যাচটিতেও অামরা লক্ষ্য করলাম লিটন দাসকে বিতর্কিত অাউট দেয়ার মধ্য দিয়ে । যে কি না অপরাজিত ১০০ রান করার পরও টিকে ছিল । তাকে এভাবে অাউট না দিলে ২২২ রানের সাথে হয়ত অারো কিছু রান যোগ হতো এবং অামাদের জেতার সম্ভাবনাটা উজ্জ্বল হতো ।
লিটন দাসকে এভাবে বিতর্কিত অাউট দেয়ার বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার ঝড় উঠেছে । অনেকে অনেক রকম মন্তব্য করছে, এদের মধ্যে একজন লিখেছে, গতকালও ভারত ১৪ জন প্লেয়ার নিয়ে খেলেছে । প্রথমে ব্যাপারটা অামি বুঝে উঠতে পারিনি, পরে একটু ভেবে বুঝলাম, বাড়তি কয়েকজন প্লেয়ার বলতে অাম্পায়ারদের বোঝানো হয়েছে । এতে অামার একটু হাসি পেলো । অাসলে এসব সমর্থকদের দোষ দিয়ে লাভ নেই; এরকম উত্তেজনা পূর্ণ ম্যাচে অাগেও তারা এরকম বিতর্কিত অাউট দেখেছে এবং সেটা অাম্পারদের কল্যাণেই হয়েছে । এবং সে সময় অাইসিসি'র পক্ষ্ থেকে সম্ভবতঃ একটা ব্যাখ্যাও অামরা শুনেছি যে, অাইসিসি'তে সব চেয়ে বেশি অর্থের যোগান দেয় ভারত; তাই তাদেরকে দূর্বল টিমের কাছে হারিয়ে দিলে ক্রিকেটের ক্ষতি হবে । এই যদি হয় অবস্থা, তাহলে এত ঢাক-ঢোল পিটিয়ে এসব ম্যাচ বা সিরিজের অায়োজন করার দরকার কি ?
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:২৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




