
কেউ কারো কপালে আগুন দেয়না, তবু আমরা মাঝে মাঝে বলি, ওমুকের কপাল পুড়েছে। তার মানে আগুন ছাড়াও মানুষের কপাল পোড়ে । সহজ কথায় বলা যায়, একজন আরেক জনের দ্বারা বড় ধরণের কোন ক্ষতিগ্রস্থ্য হলে কিংবা উদ্দেশ্য মূলকভাবে তাকে ধ্বংস করার চেষ্টা করলে । অন্য ভাবে বলা যায়, কারো পাকা ধানে মই দিলে। যদিও বাস্তবে পাকা কিংবা কাঁচা ধানে কেউ'ই কখনো মই দেয়না।

সাধারণতঃ ব্যক্তির দ্বারা কোন ব্যক্তির ক্ষতি হলে তার খেশারত ঐ ব্যক্তিই কেবল বহন করে, কিন্তু একটা গোষ্ঠীর দ্বারা রাষ্টের ক্ষতি হলে তার খেশারত বহন করতে হয় পুরো জাতিকে। এর দায় কে নিবে? অবশ্যই ক্ষমতাশীল সরকারকে নিতে হবে। এখানে সরকার বৈধ না অবৈধ সেটা বড় কথা নয়।

লেখাটা শুরু করেছিলাম কপাল পোড়া দিয়ে। যদিও বড় ধরনের দূর্ঘটনা ছাড়া বাস্তবে কারো কপাল পোড়ে না। তবে এবার সত্যি সত্যিই মনে হয়, এ জাতির কপাল পুড়তে চলেছে। কারণ গতকাল থেকে বিভিন্ন বয়সী মানুষের শুধু কপালে নয়; চোখে, মুখে, নাকে, কানে এমন কি শরীরে বিভিন্ন অংশে, পোশাকে পোড়া মবিল মাখিয়ে দেওয়া হয়েছে বা এখনো হচ্ছে । আমরা সবাই জানি যে, মবিল একটি দাহ্য পদার্থ । এখন শুধু একটু আগুনের স্পর্শ দরকার, মানে একটা দিয়াশলাই এর কাঠি। ব্যস। শুরু হয়ে যাবে দাউ দাউ করে আগুন। তারপর ঘাড়ের রগ খাড়া করে কেউ কেউ হয়ত স্লোগান দেওয়া শুরু করবে, অমুকের গদিতে, মবিল ঢালো এক সাথে...

এখনকার মত তখন আর হয়ত আমাদের মহা-মান্য নৌ-পরিবহন মন্ত্রী মোঁচে তা দিয়ে সাংবাদিকদের একটা গ্লুকোজ হাসি উপহার দিয়ে বলতে পারবে না কিংবা বলার সময় পাবেনা - আমি তো এসবের কিছুই জানিনা।

কারণ, উনার তখন অারো ব্যস্ততা বেড়ে যাবে। গতবার যেমন শুধু বালির ট্রাক দিয়ে ঠ্যাক দেওয়া হয়েছিল, এবার ইট, কাঠ, চুন, শুরকির, পাশাপাশি বুলডোজারও লাগতে পারে। আর এগুলো তো সবাই জোগাড় করতে পারবে না কিংবা সবাই জোগাড় করার ক্ষমতাও রাখেনা।

অার এ কারনেই উনি খুব ভাল করেই জানে, উনার কদরটা আসলে কোথায়।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


