জাহাঙ্গীর স্যার সমাজ পড়াচ্ছেন। ক্লাস সেভেনের সমাজ বই। পুরো ক্লাসরুম নীরব। আমি ঠিক পিছনের বেঞ্চের আগের বেঞ্চে বসেছি। স্যার একটি করে লাইন পড়েন আর একটু থামেন। তারপর আবার পড়েন। "সম্রাট শাহজাহান স্ত্রী মমতাজকে উৎসর্গ করে নির্মান করেন তাজমহল।"
ঠিক সেই সময়, স্যারের পড়ার সুরের সাথে সুর মিলিয়ে কে যেন বলে উঠলো, "না!"
আর সাথে সাথে হাসির রোল। স্যার আবার একটি লাইন পড়েন, একই কণ্ঠ বলে ওঠে, "না!"
পুরো পড়ার অর্থই বদলে যাচ্ছে। স্যার কিন্তু সেই "না" শুনতে পাচ্ছেন না। পাচ্ছে পুরো ক্লাস। বিষয়টা এতো মজার, আমি নিজেকে সংবরণ করতে পারলাম না। আমিও বলে ফেললাম, না!" কিন্তু বিধি বাম। পুরো ক্লাস হেসে উঠলেও আমার কণ্ঠ হয়ে গেল জোড়ালো। স্যার উঠে এসে ঠাস করে গালে একটা থাপ্পড় বসিয়ে দিলেন। বললেন, "এতোক্ষন ধরে তুই বেয়াদবি করছিলি, নাহ!"
আমি থাপ্পড় খেয়ে পিছনে তাকালাম। যে ছেলেটি এতোক্ষণ এই দুষ্টুমিটা করছিল, দেখি, একটি নতুন ছেলে। শব্দ না করে আমাকে দেখে হাসছে। আমার রাগ লাগলেও মন খারাপ করলাম না। কারণ, হাইস্কুল জীবনের এই ক্লাসেই আমি পেয়ে গেলাম, একটি সম্পূর্ণ আশ্চর্য একটি বন্ধু৷ মধু মিয়া। সেই ২০০২ সালের কথা!
পৃথিবীর এমন কোন বিষয় নেই, যা সে হাস্যরসাত্মক করে বলতে পারে না।
নামও মধু, কথাতেও যেন মধু ঝরে।
সেভেনের ক্লাসগুলোতে, আমি আর সামনে বসি না৷ ওর সাথে পিছনে বসি। আর এমন সব উদ্ভট গল্প শুনি, যা কোনদিনও শুনি নি।
"আশা হলে সিনেমা দেকপার গেছনু। আইত নয়টার শো। সে আইত সাড়ে নয়টা বাজে, দশটা বাজে সিনেমা আর শুরু হয় না, বুঝছিস।"
আমি জিজ্ঞেস করি, "তুই এতটুক একনা চেংড়া। এই বয়সে একলা গেছু সিনেমা হলে?"
সে বলতে থাকে, "আরে শোন। সিনেমা যখন আর চালু হয় না, দর্শক সগলি শুরু করলো ভাঙ্গাভাঙ্গি। হলের বেঞ্চি, চেয়ার। ভাঙাভাঙি ছোড়াছুড়ি। আর চিল্লাচিল্লি।"
"তুইও ভাঙছিস?"
"মুই ক্যা ভাঙিম? ট্যাকা দিয়া টিকিট করচোম না! এখান বেঞ্চি ঘাড়োত করি বাড়িত চলি আইচ্ছোম।"
ওর বলার ঢঙ দেখে আমি হাসতে হাসতে শেষ। একটা ছেলে, ক্লাস সেভেন পড়ে, সে গেছে সিনেমা দেখতে, রাত নয়টা থেকে বারোটার শো। সিনেমা দেখায় নি জন্য, রাগ করে একটা বেঞ্চ সে বাড়ি নিয়ে চলে এসেছে!
কী এডভেঞ্চারাস ওর জীবন। বিষয়টা ফানি। কিন্তু রোমাঞ্চকরও তো। আমার খুব হিংসে হত ওর এসব গল্প শুনে।
ক্লাস নাইনে ওঠার পর মধু স্কুলে আসা বাদ দিলো। একদিন স্কুলে এসে আমাকে ওর হাত দেখালো। "দেখ দোস্ত! এই দিয়া মুই আর লেখপার পাম না! "
আমি অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলাম, "কী হইচে রে তোর! হাতোত তো কোন সমস্যা দেখোম না!"
"তুই বুঝবো না। মোর অভিশাপ নাগছে। মোর আর লেখাপড়া হবি না!" বলে সেই যে চলে গেল মধু। আর ফেরে নি। কী অভিশাপ যে লেগেছিল, তাও জানা হয় নি।
#রশীদ স্যার
ক্লাস এইটে উঠে, আমরা বৃত্তি শাখার জন্য আলাদা রুমে ক্লাস করি। আমাদের সাথে দুজন মাত্র মেয়ে। উপমা আর তহমিনা। বাকিসব ছেলে।
রশিদ স্যার অংক ক্লাস নেন। আসতেন মোটর সাইকেলে। শুনেছি, স্যারের বাড়ি অনেক দূরে। হেডস্যার একদিন আমাদের ক্লাসে এসে বললেন, "তোদের গণিতের জন্য এক্সট্রা ক্লাস হবে৷ স্কুল ছুটির পর, রশিদ স্যার সেই ক্লাস নিবেন।"
আমরা তো মহাখুশি। স্যার অনেক ভালো পড়ান। আবার মানুষও ভাল। রাগ করেন না কখনো। স্যারের কেবল একটাই অনুযোগ, বাড়ি যেতে দেরি হয়ে যায়। কী আর করা।
একমাস পড়া শেষে, আমরা সবাই পঞ্চাশ টাকা করে চাঁদা তুললাম। টাকার কথা হেডস্যার আমাদের বলে দিয়েছিলেন প্রথম দিনই। সেই টাকা রশিদ স্যারকে দিতে গেলাম৷ স্যার অবাক হয়ে গেলেন। "কিসের ট্যাকা বাহে?" আমরা হেডস্যারের কথা স্যারকে বললাম। রশিদ স্যার সেদিন টাকা নিতে নিতে বলেছিলেন, "আমি তোমাক পড়ামো, আবার তোমরা ট্যাকাও দিবেন? ভালোই তো!"
স্যারের ঐ কথাটি আজও কানে বাজে। একজন শিক্ষক, যিনি টাকার আশা না করে এক্সট্রা পড়িয়ে যাচ্ছেন, এযুগে সেটা বিশ্বাস করা যায়?
#প্রতিদ্বন্দ্বী
মারুফের সাথে আমার বন্ধুত্বটি যেন কেমন। ওর দুই রোল আর আমার এক—এই জন্য? কী জানি! ক্লাস এইট পর্যন্ত আমরা দেখাদেখি করে পরীক্ষায় লিখতাম। দেখাদেখি বলতে, আসলে মিলিয়ে দেখা, ও আমার থেকে বেশি লিখেছে কিনা। কিংবা আমি। খাতা পুরোটাই বিনিময় করতাম।
কোন নতুন গাইড কিনলে ও আমাকে আগে দেখাতো— কোন প্রকাশনী। নতুন কোন প্রাইভেট পড়লে, আমাকে সাথে নিবে। আমিও স্কুলে কোন সাজেশন দিলে, প্রথম মারুফকে দিই। এটা নিশ্চিত করি, সেও সাজেশন মোতাবেক পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
সাধারণত ফার্স্ট আর সেকেন্ড বয়ের মাঝে ভাল প্রতিযোগিতা থাকে। তাহলে আমরা এমনটা কেন করতাম? এক হিসেবে তো গাইড, প্রাইভেট, সাজেশন এসব শেয়ার করার কথা না। আসলে ব্যাপারটা অন্য খানে। মারুফ যে স্যারের কাছে প্রাইভেট পড়ে, আমি যদি তার থেকেও ভাল স্যারের কাছে পড়ি? ওর থেকে ভাল গাইডটা আমি যদি কিনি? সাজেশনের ব্যাপারটাও এমন। একবার কোন এক পরীক্ষায়, মারুফ সাজেশন পায় নি। সে, ঐ বইয়ের সব পড়ে ফেলেছে। মানে সাজেশন ছাড়া সব পড়ে সে আমার থেকে এগিয়ে গেল না? এটা আমি হতে দেবো কেন? এই হল ব্যাপার।
মারুফ স্কুলের নতুন বই পেয়েই মুখস্থ শুরু করে৷ ওর মুখস্থ বিদ্যা ভাল। এটা নিয়ে আমি কী যে যন্ত্রণায় থাকতাম। ক্লাস এইটে, যখন আমরা স্কুলের বোর্ডিংএ থাকি, তখনকার কথা। অশ্বিনী স্যার সন্ধ্যায় এসে সমাজ বইয়ের পড়া দিলেন। মারুফ কয়েক মিনিটের মধ্যে সব গুলো উত্তর মুখস্থ করে ফেললো। এবং স্যারকে পড়া দিল। আমি তো দেখি, আমার আরো ঘন্টাখানেক লাগে। পরে আবিষ্কার করলাম, বোর্ডিংএ সবাই যখন ঘুমায়, মারুফ কাথার নিচে গাইড নিয়ে পড়া মুখস্থ করে। কোন পড়া? যেটা পরের দিন আমরা শুরু করবো। ভাবা যায়?
ক্লাস নাইনে এসে কী হল। মারুফ আর পরীক্ষায় আমার খাতা দেখতে চায় না। আমি ওর দেখি, ও আমারটা দেখে না। আমারও ইগোতে লাগলো। ঐ বয়সের ইগো। আমিও আর ওর খাতা দেখি না। আমি কেন ওর খাতা দেখবো? একদম, এসএসসি পরীক্ষার আগ পর্যন্ত আমরা আর কোনদিন কারো খাতা দেখে উত্তর মিলাই নি।
#তিন রোলের গল্প
আতিকুরের রোল ছিল তিন। ক্লাস এইট পর্যন্ত ভালোই ছিল। নাইনে এসে কিছুদিন ক্লাস করে আতিকুর আর স্কুলে আসে না। আমরা খোঁজ নিয়ে জানতে পারলাম, আতিকুর আর পড়াশুনা করবে না। পরিবারের আর্থিক অনটন। ব্যবসা করবে। বাবার ব্যবসায় সহযোগিতা করবে। উমেশ চন্দ্রের থার্ড বয়, পড়াশুনা বাদ দিয়ে বাবার সাথে ব্যবসায় নামবে— কী অদ্ভুত কথা! আমাদের যেন বিশ্বাসই হচ্ছিল না। আমরা স্যারদের কাছে গেলাম। ওর যেন স্কুলের বেতন না নেয়া হয়, পরীক্ষার ফি যেন না নেয়া হয়। স্যাররাও আশ্বাস দিলেন। এমনকি বই কিনতেও স্কুল থেকে সহযোগিতা করবে।
কিন্তু আতিকুর ফিরবে না।
সেদিন হরতালের কারণে স্কুল বন্ধ।
মারুফ ওর সাইকেল নিয়ে এলো আমাদের বাড়ি। বলল, "চল, আতিকুরের সাথে দেখা করি।"
আমি মারুফের প্রস্তাব শুনেই বুঝলাম, আমি যেভাবে আতিকুরকে ফিল করি, তার থেকে বেশি ফিল করে ও। একটা ছেলে, এতো মেধাবী, শুধু শুধু কেন অর্থের কষ্টে পড়াশুনা ছেড়ে দিবে?
সেদিন সাইকেলে করে আমরা আতিকুরের বাড়ি গিয়েছিলাম।
একটা ছোট দোকান ঘর থেকে ও যখন বের হয়ে আসছিল, চেনাই যাচ্ছিল না। গায়ের জামা-কাপড় ময়লা। চুল উস্কো খুস্কো। এতো অল্প সময়ে একটা ছেলে এত বদলে যায় কিভাবে? এই ছেলেটার সাথে আমরা একসাথে ক্লাস করতাম?
আমরা আতিকুরের মা আর বড় বোনকে পেলাম৷ একটু পর ওর বাবাও আসলেন। উনাদের সবার কথা, কেউই চান না আতিকুর পড়াশুনা ছেড়ে দিক। ও নিজ উদ্যোগে দোকানে বসতে চাচ্ছে। আমরা অনেক বুঝালাম। অতোটুকুন বয়সী ছেলে আমরা। কতই আর বুঝাতে পারি।
আতিকুর কেঁদেই ফেললো। আমাদের সামনে। ওর বাবা মা আর বড় বোনের সামনে।
আমরা, মারুফ আর আমি নির্বাক হয়ে গেলাম। নিজেদের মধ্যে পরিণতবোধ অনুভব করছিলাম। হয়তো আতিকুরের জায়গায় নিজেদেরও কল্পনা করে ফেললাম। সেই পরিণতির কথা ভেবে অজান্তেই চোখ ছলছল হলো।
সেদিন, আতিকুরের কাছে শপথ নিয়ে আমরা ফিরে এসেছিলাম। আতিকুর আবার ক্লাসে ফিরবে। আমাদের স্কুলের থার্ড বয়। একটা আত্মতৃপ্তি ছিল মনে। আমরা তাহলে ওকে, ওর বাবা মাকে বুঝাতে পেরেছি। এসএসসিতে নির্ঘাৎ এ প্লাস পাবে। আর পড়াশুনা ছেড়ে দিলে, স্কুলেরও একটা এ প্লাস কমে যাবে।
আতিকুর আর ক্লাস ফেরে নি।
জেনারেল পড়াশুনা আর করা হয়ে ওঠে নি কখনো ওর।
###
ক্লাস সিক্সের অংক ক্লাস। হেডস্যারের রুমের পাশে পুরনো ভবনে ক্লাস হয়। ক্লাস নিচ্ছেন খুব স্মার্ট একজন স্যার। বয়স বোঝার উপায় নেই। ক্লিন শেভ, মাথার চুল মসৃণ আর আচড়ানো। ফুল হাতা সাদা চেক শার্ট, আর কালো ফরমাল প্যান্ট। স্যার বসে কথা বলছেন। পায়ের উপর পা রেখে। এমন ব্যক্তিত্ব তাঁর, কোন ছাত্র টু শব্দ করছে না। পুরো ক্লাস উনার গাম্ভীর্যের সামনে স্তব্ধ হয়ে গেছে।
স্যার একটা গল্প শুরু করেছেন। হাসির গল্প। অংক ক্লাসে স্যার হাসির গল্প করছেন। অংক পড়াচ্ছেন না। এ তো অদ্ভুত কথা।
কোন এক গবেট ছাত্রের গল্প। যার সাথে বাজি ধরেছিলেন, সে পাশ করলে, স্যারের হাতের তালুতে লোম গজাবে। গল্প বলছেন আর হাসছেন। সাথে পুরো ক্লাস হাসা শুরু করেছে। তারপর স্যারের হাসি যেন মাঝপথে থেমে গেল। অসমাপ্ত হাসি৷ আমরা থামলাম। স্যারকে পর্যবেক্ষণ করছি।
আমার পাশে সম্ভবত আলম বসা ছিল। ও বলল, "আইজল বিএসএসি স্যার হে!"
স্যারের নাম শুনেছি। আজিজুল বিএসসি স্যার। অনেক সিনিয়র। কিন্তু দেখি নি আগে। ক্লাসেই স্যারের সাথে পরিচয় হল। এমন ব্যক্তিত্বসম্পন্ন স্যার বিশ্ববিদ্যালয়ের আগে পর্যন্ত আর পাই নি।
ক্লাস সেভেনে স্যার ইংরেজি নিতেন। এর মধ্যে স্যারের সাথে বেশ খাতির হয়েছে। এখন স্যারকে ভয় লাগে না। উনার ক্লাসের জন্য উন্মুখ হয়ে থাকতাম। স্যারের ক্লাস মানেই পড়ার বাইরে নতুন কিছু জানা। আইনস্টাইনের গল্প, নিউটনের গল্প করতেন। তাদের আবিষ্কারের কথা বলতেন।
একদিন টিফিন পিরিয়ডে আমরা স্কুলের মাঠে ক্রিকেট খেলছিলাম। আজিজুল বিএসসি স্যার আমাদের দেখে এগিয়ে আসলেন। ব্যাট ধরে বললেন, সবচেয়ে ভালো বল কে করে?
মারুফ, জোসেফ, সুব্রত। যারা বোলিং স্পেশালিষ্ট। বল করতে লাগলো। স্যারকে আর আউট করা যায় না। অনেকক্ষণ পর স্যার নিজেই খেলা থামিয়ে বললেন, "বয়স হয়েছে, কিন্তু খেলা ভুলিনি, বুঝছিস? ইয়ং বয়সে ক্রিকেট ফুটবল সবই খেলতাম।"
ক্লাস এইটের অংক পরীক্ষা দিচ্ছিলাম। সামনের বেঞ্চে সিট। এক ঘন্টা না পড়তেই বিএসসি স্যার আসলেন ভিজিটে। আমার সামনে এসে হাসিমাখা মুখে আমার নাম ধরে কী যেন বললেন। আমি স্যারের সাথে মজাচ্ছলে একটা ভুল কথা বলে ফেললাম। মুহুর্তেই স্যার রেগে গেলেন। আর সশব্দে একটি থাপ্পড় বসিয়ে দিলেন গালে। পুরো পরীক্ষা রুম নিস্তব্ধ হয়ে গেল। স্যার শুধু বললেন, " বেয়াদবির জন্য এই চড়। এটার কথা তোর সারাজীবন মনে থাকবে।"
সেই চড়ের কথা ভুলিনি আজো।
অনেকদিন পর।
আমি আর আলম সাইকেল নিয়ে বেড়াতে বেরিয়েছিলাম। আসার পথে বন্ধু আতিকুরের সাথে দেখা। দশলিয়া বাড়ি৷ বাড়ির সামনে দোকান। কত বদলে গেছে সে।
ওর দোকান ছাড়িয়ে আমরা অন্য একটি দোকানে থামলাম। সাদাকালো একটি টিভি আছে। ভারত-শ্রীলংকার ক্রিকেট ম্যাচ হচ্ছে। মহেন্দ্র সিং ধোনি নামে নতুন একটি প্লেয়ার খুব ভাল ব্যাট করছে। ওর মাথায় কাধ পর্যন্ত চুল।
মূলত খেলার স্কোর দেখার জন্যই থামা।
দোকানের মাচার উপর একটি লোক বসা। বড় একটি চাদরে গা তার ঢাকা। লোকটির মুখে সাদা দাড়ি।
হঠাৎ উনি বলে উঠলেন, "শাহীন, ধোনি তো সেঞ্চুরি করবে রে!"
কণ্ঠ শুনে আমি অবাক হয়ে গেলাম। আজিজুল বিএসসি স্যার! স্যার স্কুল থেকে রিটায়ার্ড করেছেন অনেক দিন হলো। কিন্তু, একী! স্যারকে চিনতেই পারি নি! স্যার আমাদের দেখেই চিনে ফেলেছেন।
"আলম তো দেখি আরো লম্বা হোছিস!" স্যার বললেন। আমরা স্যারকে সালাম দিলাম। দোয়া চাইলাম।
পৃথিবীতে কত অবাক কান্ড ঘটে। আমাদের ঐ বয়সে, স্যার আমাদের চমকে দিয়ে সত্যি অবাক কান্ডই করেছেন।
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই জুলাই, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৩৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


