
উন্নয়নের ধারা অব্যাহতের মাঝেই ঢাকা শহরের বিভিন্ন এলাকায় বাসা বাড়ির সামনে হঠাৎ বেড়ে গেছে টু-লেট এর সংখ্যা ।
ধারনা করা হচ্ছে, এসব বাসা থেকে কেউ ফ্যামিলি নিয়ে চলে গেছে আরো সস্তা কোন বাসায়, কেউ একেবারে গ্রামের বাড়ি, কেউ কেউ আবার মূল ঢাকা সিটির বাইরে আশে-পাশের কম খরচের জীবনে ।
তার চেয়েও বড় কথা, যাওয়ার সময় কেউ কেউ নাকি বাড়ির মালিকের সাথে ঘর ভাড়া, দেনা-পাওনা মিটিয়ে যায়নি । যাওয়ার আগে ঘরের দামী মালামাল রাতের অন্ধকারে সরিয়ে ফেলেছে । গোপনে । তারপর বাকী সস্তা মালামাল ঘরে রেখে সটকে পড়েছে, ঘরে তালা লাগিয়ে ।
এসব পত্রিকার খবর ।
ভাবছে, তিন মাসের বকেয়া ঘর ভাড়া না দিয়ে যদি সেই টাকা দিয়ে দুই মাস চলা যায় সস্তার বাসায় - মন্দ কি এই মহামারী কালে ?
বেচারা এসব বাড়ির মালিক হয়ত হন্যে হয়ে খুঁজছে তার পালিয়া যাওয়া ভাড়াটিয়াকে, আর ভাবছে পালিয়ে যাবে কোথায় ?
কারণ এদের তো আর কানাডা, অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকত্ব নাই । দূর্যোগে, অভাবে, অনটনে এই দেশেই কোথাও আশ্রয় নিতে হবে কোন কোণা- কাঞ্চিতে
বেঁচে থাকার তাগিদে ।
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে জুন, ২০২০ রাত ৯:০৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


