somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আমাদের সেনাবাহিনী ও সড়ক-দুর্ঘটনা নিয়ে একটা প্রস্তাব

২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১:২৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

যারা সেনা আইন কিংবা সামরিক শাসনকে শুধু অপছন্দই করেন না বরং সহ্য করতে পারেন না, তাদের জন্য আমার লেখা কষ্টদায়ক হতে পারে। তাই তাদের কাছে প্রথমে ক্ষমা চেয়ে করুণা পাবার নিমিত্তে বলতে চাই যে এটা শুধুই আমার প্রস্তাব, আমার একান্ত ব্যক্তিগত চিন্তা ভাবনা, আপনার ভাল লাগতেও পারে নাও লাগতে পারে, তবে খারাপ লাগার অপবাদ দিতে চাইলে পুরো লেখাটা পড়েই দিবেন। অনুরোধ রইল। প্রস্তাবটা বলার আগে একটা বিষয় বলি। আমার বর্তমান নিবাস রংপুরে ক্যান্টনমেন্টে আমি কয়েকবার গিয়েছি। এতে লক্ষ্য করেছি, দৈনিক হাজারো সাধারণ মানুষ এর ভিতরের রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করলেও এর নিয়মনীতি কখনও ভঙ্গ করে না(আমার এই নিবন্ধে নিয়ম নীতি বলতে শুধু চলাচলের নিয়ম বুঝবো)। শুধু এখানে নয় আমার মনে হয় বাংলাদেশের যে কোন ক্যান্টনমেন্টে অথবা সেনাবাহিনীর পরিচালনায় এরিয়াতে মানুষ নিয়ম ভঙ্গের চেষ্টা তুলনা মূলক কম করে। এই কমের পরিমাণটা আসলেই অনেক কম! আমার ধারণায় এর কারণ কয়েকটা হতে পারে। সম্ভাব্য কয়েকটা কারণ হতে পারে-
১। এখানে অর্থাৎ সেনা বাহিনীর এরিয়ায় অনিয়ম মানা হয়না।
২। এদের অর্থাৎ সেনাবাহিনীর লোকজনকে সবাই ভয় পায়। অথবা
৩। এদের অর্থাৎ সেনাবাহিনীর লোকজনকে সবাই সম্মান করে।
তবে আমার মনে হয় সব গুলোই এর কারণ। আমি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর দালালি করার জন্য বলছি না, তবে সম্মানের সাথেই বলতে পারি বাংলাদেশের সকল আইন শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর মধ্যে সেনাবাহিনী এখনও সেরা। দেশে এবং বিদেশে এদের কর্মকাণ্ডের অনেক সুনামও আছে। আমরা পশ্চিমা বিশ্বের দেশগুলোর দিকে তাকালে দেখতে পাবো, সেই দেশগুলোতে সবাই(তুলনামুলকভাবে) ব্যক্তি সচেতন। ঠিক আমাদের দেশের সেনা এলাকাগুলোর মত। ভয়ের কোন কারণ নেই। আমি সেনা আইনের পক্ষে নই। তবে মনে হয় আমাদের দেশের অনিয়মে চলতে অভ্যস্ত সাধারণ মানুষগুলোর জন্য শুধুমাত্র স্কুল কলেজেই নিয়ম শেখানোতে যথেষ্ট নয়। তাই আমাদের দেশের বিশাল ব্যয়ের এই রিজার্ভ বাহিনীকে আমরা কাজে লাগাতে পারি।
তবে হ্যাঁ, এটাকে কিভাবে ব্যবহার করা যায় এ নিয়েই আমার আজকের প্রস্তাব। যারা এর আগের অংশটুকুর সাথে একমত নন তাদের জন্য পরবর্তী অংশটুকু বিরক্তির কারণ হতে পারে। আমার প্রস্তাবে প্রথম পর্যায়ে দেশের নগর ও বিভাগীয় পর্যায়ের শহর গুলোর নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব সেনাবাহিনীকে দেয়া যেতে পারে। বলতে পারেন ট্রাফিক পুলিশের কাজ। পরবর্তী সময়ে ফলাফল ভাল হলে সাড়া দেশের ট্রাফিকের দায়িত্ব সেনাবাহিনীর হাতে দেয়া যেতে পারে। এতে করে আমার ধারণা, অসচেতনতার কারণে যেই সড়ক দুর্ঘটনাগুলো ঘটে সেগুলো ঘটার সুযোগ কম থাকতো। জানিনা, হয়তো আমরা প্রতিবছর হাজারো মিশুক মুনির, তারেক কে হয়তো হারাতাম না, হয়তো নববধূ বাসরের স্বপ্ন নিয়ে স্বামীর সাথে ক্ষণিক পথ পাড়ি দিতে গিয়ে অসীমের পথে যেতো না। হয়তো একঝাক দস্যি ছেলেরা ফুটবল খেলে আসার পথে জীবনের শেষ খেলা খেলত না।
তবে হ্যাঁ, তখন সেনা সদস্যদের অবস্থাও পুলিশের মত হবে না যে, এটা নিশ্চিত বলা মুশকিল।
১৩টি মন্তব্য ৬টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মহাজন জিন্দা হ্যায়!!!

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ০৮ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৭



মনে পড়ে, ঠিক এক বছর আগে গত বছর এই সময়ের দিকে ফেসবুক বা সোশ্যাল মিডিয়া ভেসে যাচ্ছিল 'মহাজন স্যারকে আরও ৫ বছর বাংলাদেশের সরকার প্রধান হিসেবে দেখতে চাই' টাইপের... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধর্ম অটুট, মৌলভিরা নন: সমালোচনা মানেই অশ্রদ্ধা নয়

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ০৮ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২৬



নবী ইউসুফ (আ.)-এর সময় মিসরীয়রা 'আমুন' দেবতার পূজা করত। মিসরের শাসক আপোফিসকে তার পিতা তৎকালীন পুরোহিতদের কুচক্রী স্বভাব সম্পর্কে সতর্ক করেছিলেন। এই পুরোহিতরা ধর্মের দোহাই দিয়ে রাজ্যসভা থেকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

শৈশব- কৈশোর বেলার গল্প

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৮ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪৭



আমাদের শৈশব ছিলো অতিশয় প্রাণপ্রাচুর্যময় যদিও শৃঙ্খলাপূর্ণ।
একালের মতো বিলম্বিত শয্যা ত্যাগ রীতিমতো গর্হিত অপরাধ! শয্যা ত্যাগ করেই বিশেষত অবকাশের দিন গুলোতে নিয়মিত গন্তব্য ছিলো কারো কারো খেলার... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবিতাঃ পাখির জগত

লিখেছেন ইসিয়াক, ০৯ ই মে, ২০২৬ সকাল ৭:০০



টোনাপাখি লেজ নাচিয়ে গাইছে মধুর গান।
গান শুনে টুনিপাখি আহ্লাদে আটখান।

টোনা যখন উড়ে ঘুরে অন্য ডালে বসে।
টুনি এসে ঠিক তখনই বসে তারই পাশে।

বুলবুলিদের পাড়ায় আজ দারুণ শোরগোল।
নানা শব্দের... ...বাকিটুকু পড়ুন

মোহভঙ্গ!

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ০৯ ই মে, ২০২৬ সকাল ৭:৪৮



পদ্মা সেতু নিয়ে কত অপবাদই না দেয়া হয়েছিলো! বলা হয়েছিলো- বাংলাদেশ কখনো নিজস্ব অর্থায়নে এত বড় প্রকল্প করতে পারবে না। দুর্নীতির অভিযোগ তুলে বিশ্বব্যাংক সরে দাঁড়ায়। অথচ শেষ পর্যন্ত... ...বাকিটুকু পড়ুন

×