somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

রাসেল

২১ শে মে, ২০১৪ বিকাল ৩:৩২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

#‎পর্ব_১‬
ছেলেটির নাম রাসেল ।
নিদারুন বান্দর । বন্ধুদের সাথে দিনে ১৮ ঘন্টা কাটানো , লাফালাফি , মারামারি সাইতানিতে মোটামুটি সে বস । খেলাধুলাই ভালো।
ছেলেটা শুকনা , গায়ের রঙ শ্যমলা , দামী জামা-জিন্স পড়লে মনে হয় ভালো ঘরের ছেলে, আবার একটু সস্থা পোশাকে মনে হই - রিকশাওলার ছেলে
ছেলেটার HSC - 2nd ইয়ারের ছাত্র । SSC তে D গ্রেড পেয়ে যে মজা করেছিলো, তা মানুষ ডবল A+ পেলেও তা করে না ।
ছেলেটার হটাথ একটা মেয়ে কে দেখে বেশ পছন্দ হল । মেয়েটা সবে মাত্র নিউ ফাস্ট ইয়ার, পাশের কলেজের । তারপর বব্ধুত্ত। মেয়েটার আগ্রহ বেশী ছিলো । এক পর্যায়ে শুরু হল প্রেম । সবই মোবাইল ফোন আর চোখে চোখের ইশারাই । ছেলেটির জীবনের প্রথম প্রেম ।

মেয়েটা ছিলো সম্ভ্রান্ত ঘরের মেয়ে । মেয়ের বাবা - চাচা- মামারা ছিলেন শহরের নামী-দামী রাজনীতিবীদ । বেশ ক্ষমতাবান । সে তুলোনায় ছেলে ছিলো অতি এবং অতি সাধারন ।

মেয়েটার সাথে দেখা করা , কিনবা সরাসরি কথা বলা বেশ অসম্ভব ছিলো , কারন তার বাসার লোক জন যখন তখন জেনে ফেললে অনেক সমস্যা হতে পারে ...
প্রেমের কয়েক মাস পর একটা বুদ্ধি বের করল । বুদ্ধি টা কিছু টা এমনই- রাত ১২-১ টার দিকে মেয়ের বাসার সবাই ঘুমিয়ে পডবে ,তখন ছেলেটা পাচিল টপকিয়ে – মেয়ের ঘরে আসবে , তারপর ফজরের আজান দিলে , ছেলেটা চলে যাবে । এভাবে চলবে সপ্তাহে ২-১ বার ।

শুরু হলো বুদ্ধিকে বাস্তব করা । ছেলেটা সপ্তাহে ২-১ দিন বন্ধুর ছূতা- এ ছূতা দিয়ে চলে যেত । তারপর সারা রাত গল্প, মাঝে মাঝে রোমান্টিকতাও তাদের মধ্যে চলে আসত ... ;*!

এভাবে চলল দেড় মাসের মত ।

একরাতে মেয়েটার ফোন পাবার পর,ছেলেটা বাসায় কোন একটা ছুতা দেখিয়ে , বেরিয়ে গেলো রাত ১২ টাই বাসা থেকে ।তারপর পাচিল টপকালো , যখন মেয়েটার ঘরের সামনে আসলো , তখন দেখলো , মেয়েটা কল করেছে । প্রায় সে ফোন দিত – “আর কত দূর, কই তুমি “ এমন ধরনের কথা শোনার জন্য ।
প্রতিবার মেয়েটার রুমের কাছে যাবার পর, ছেলেটা আসতে আসতে রুমের দরজা খুলত । তারপর মেয়েটা ছেলেটাকে ঘরে ঢূকিয়ে ,দরজা বন্ধ করত । প্রতিবারের মত , এবারো সে তাই করলো ।
কিন্তু এবার ঘটল ব্যতিক্রম কিছু ।
ছেলেটা দরজা খোলার সাথে সাথেই ভক ভক করে সিগারেটের ঘন্ধ বেরিয়ে আসলো । ;O তার ভেতরে বসা একজন লোক তার দিকে তাকালো। চোখা-চুখি হল... ছেলেটা স্তব্ধ হয়ে গেলো। Oo কি করবে বুঝতে পারলো না । ভয়ে কাপতে শুরু করলো । দৌড়াবে , নাকি কি করবে কিছু ভেবে ওঠার আগেই, লোকটা বল্লো ... ওই দাড়া ।

পাথর হয়ে গেলো ছেলেটা । মুখ বন্ধ হয়ে গিয়েছিলো ।
বিদ্যুতের গতিতে লোকটা এসে , সজোরে চড় কষে দিলো ............ !
‪#‎পর্ব_২‬
আমি ছেলেটার গল্পটা এখানেই শেষ করলাম ।

এবার আসি রাসেলের বন্ধুদের গল্পে ।

সকাল থেকে রাসেলের কোন খোজ নেই ।
রাসেলের বাসা থেকে ফোন , রাসেল রাতে বের হয়েছে, এখনো ফিরে নি ।
রাসেলের বন্ধুরা এত দিন জানতো না, রাতে ওরা দেখা করে । রাসেলকে খোজা খুজি শুরু হলো । কোথাও পাওয়া যায় না ।
সকাল গড়িয়ে দুপুর ।
থানায় খোজ নেওয়া হলো , পেলো না ।
হাসপাতালে খোজ নেওয়া হলো , তাকে পাওয়া গেলো ।

হাত-পা কোথাও কোথাও নীল হয়ে রক্ত জমে গেছে , কোথাও বা ফেটে গেছে । হাতের আংগুল গুলো আর হাতের কবজি ভেঙ্গে গেছে । ঠোট ফেটে, , দাত ভেঙ্গে গেছে । সারা পিঠ আর পায়ে রক্তের জমাট বেধে কালো হয়ে গেছে । এখনো জ্ঞান ফেরেনি । একটা জীবন্ত লাশ শুয়ে আছে, হাতে পায়ে ব্যন্ডেজ, মেঝেতে একটা সাদা চাদরে ।

তার দিকে কিছুক্ষন তাকিয়ে থাকলে চোখের পানি কেউ ধরে রাখতে পারবে, এমন শক্ত মনের মানুষ হয়ত নেই ।

ডাক্তরদের জিঙ্গাসা করলে বলে - কে যেন মাঝ রাতে হাসপাতালের বারান্দায় ফেলে গেছে ওকে ।

এখনো পর্যন্ত শুধূ বন্ধুরাই ওকে খুজে পেয়েছে । তার পরিবারকে কিভাবে জানাবে কিচ্ছু বুঝতে পারলো না ।
তারপরেও সাহস করে জানালো । রাসেলের বাবা মা আসলো , তারপর যা হই , মা বাবা পাগলের মত হয়ে গেলো ।

‪#‎পর্ব_৩‬
রাসেলের ২ দিন পর জ্ঞান ফিরলো । রাসেল কথা বলতে পারছে না ।
এত আস্তে আস্তে কথা বলছে আর এত কষ্ট করে যে , তা বোঝাই যাচ্ছে না ।
সে কারণে , সেদিন রাতে কি হয়েছিলো এ কারণে তাকে কেউ জিজ্ঞাসাও করছে না ।
তাছাড়া, রাসেলের বয়স্ক মা - খালারাদের কেউ কেউ তথাকথিত কুসংষ্কার ধরে বসে আছে,- "জিনের আসর, পেতনির জুলুম, ইত্যাদি " ।
আবার কেউ কেউ ছিনতাইকারীর আক্রমন , ইত্যাদি ইত্যদি ।

কিন্তু রাসেলের মা চেরেকে ফিরে পেয়েছেন - এতেই খুশি । আর বন্ধুরা এটাও জানে য়ে রাসেলের এমন কোন শত্রু নেই যে, এর হাল এমন করবে ।

কয়েকদিন পর রাসেল সামান্য সুস্থ । এখনো সে হাসপাতালে । রাসেল চুপচাপ থাকে , কাওকে কিচ্ছু বলে না । তাকে কি হয়েছিলো - জিজ্ঞাসা করলে , চুপ করে থাকে । কখা বলতে কষ্ঠ হচ্ছে , এমন একটা রূপ ভেসে ওঠে ।

হাসপাতালে থাকতে থাকতে, সেদিন বন্ধুরা রাসেলের বেডের পাশে বসে , মাথাটা কোলের উপর রেখে , জিজ্ঞাসা করলো আবার ।

রাসেল কিচু সময় চুপ করে থেকে - চি্থকার করে কেদে উঠলো । হাওমাও বন্ধুদের জঢ়িয়ে ধরে কেদে উঠলো । বাচ্চাদের মত করে কেদে বলে উঠলো - "আমি ওকে কোনদিন মাফ করবো না, কোনদিন না ।"
বার বার একই কথা বলতে থাকলো, কিছুসময় কেদে কেদে, সে বলতে শুরু কররো ....

‪#‎পর্ব_৪‬
এবার আর কারোর গল্প না , না সেই কলেজের বা না সেই মেয়ে বা বন্ধুদের কথা ...
এবার রাসেল কেদে কেদে যা বলেছলো ...

ঘরের মধ্যে ছেলেটাকে দেখার পর , সে দেৌড়াবে নাকি দাড়াবে , সেটা ভাবার আগেই, লোকটা জামার কলার ধরে ফেললো ।

প্রথম চড় খাবার পর হমভম্ভ হয়ে গিয়েছিলো রাসেল। জীবনের প্রথম এমন ধরনের পরিস্থিতিতে সে কি করবে বা করা উচিত সে বুদ্ধিঞ্জান হারিয়ে ফেললো ভয়ে ।

লোকটি তার জামার কলার চেপে ধরে-
“ কি রে ? চুরি করতে এসেছিস???”
না , আমি চোর না , শুনেনে …
কুত্তার বাচ্চা এত রাতে কি ? কি করে ঢুকলি????
না, মানে ………….
( সে সব বলতে গেলো , কিন্তু কি বলবে সে , আপনার বাসার মেয়ের সাথে আমি দেখা করতে আসি … , বলতে যেয়েও সে বলতে পারলো না , মুখ বন্ধ হয়ে গেলো লজ্জায় )))
চুপ কেনো … বলে লাগিয়ে দিলো সজরো আরো দু একটা চড় …

রাসেল পুরো হকচকিয়ে গেলো ।
রাসেল হঠাথ চিন্তা করলো , চুরি বেশী অপরাধ , নাকি তার বোনের সাথে যেৌনতা ??? সেকি বলবে ,
কিন্তু কাজগুলো এত দ্রুত হচ্ছে যে কোন ভাবনায় শেষ করতে পারছে না ।

ততক্ষনে বাড়ির আরো ৩-৪ জন পুরুষ চলে আসলো ,
কি হয়েছে রে ,
চোর পাইছি …
মার শালারে …
কেমন যেন , তারা বিদ্যুতের গতিতে ছুটে এলে । পাগলা কুকুরের মত তাকে নিয়ে টানা হেচড়া শুরু করলো । কেউ কেউ তাকে চড়-কেউ গালি, যে যার মত ব্যবহার করতে শুরু করলো ।

এমন সময় রাসেল মেয়েকে এক পলক দেখলো , সে বারেন্দায় এসেছে । তাকে দেখে সে কিছুটা সস্থি পেলো ।
কিন্তু মুহূর্তেই মেয়েটা দেৌড়ে আবার ভেতর চলে গেলো ।

রাসেল এই সময় দেখলো কে যেন ওর দিকে ক্রিকেট খেলার ষ্টাম্প নিয়ে বেশ গতিতে আসছে ।

রাসেল ভয়ে বলে উঠলো – “ আমি লিজার কাছে ……………….
কথা শেষ করার আগেই , ষ্টাম্প দিয়ে সজরো বাড়ি মাররো রাসেলের পায়ে , আর বলে উঠলো , “ নেশা করিস খা**কির পো*….

রাসেল কথাটা আর শেষ নামাতে পারলো না আর “নেশা করিস” এর কথার তীব্রতায় হারিয়ে গেলো , তার সত্যতা …

রাসেল মাটিতে লুটিয়ে পড়েছে…

রাসেল মাটিতে লুটিয়ে পড়েছে… শুরু হলো অত্যাচার
রাসেলের গায়ে একটার পর একটা বাড়ি পড়ছে । রাসেলের মুখ বন্ধ হয়ে গেলো । হাজার চেষ্ঠা করেও রাসেলের মুখ দিয়ে শব্দ উচ্চারণ করতে পরছে না । তার শরীল যেন সব কাজ বন্ধ করে দিয়েছে ভয়ে আর আঘাতে…

একটা চোর কে যেভাবে মারা হয় সেভাবে সেভাবে একটা সাধারণ ১৮-১৯ বছরের ছেলেকে মারা হলে , তা সহ্য করা সম্বব নয় । আরো শুনেছি , চোরেরা চুরি করার আগে , একপ্রকার নেশা করে , যাতে সে ধরা পড়লে , কেউ মারলে ব্যথা কম লাগে । আর রাসেল তো সেন্ট্রাল ফ্রুট খেতে-খেতে আসিছিলো ।

রাসেল আর্তনাথ করতে থাকলো , লিজা , আমাকে বাচাও, আমি মরে যাবো …
কিন্তু সে শব্দ এতই ক্ষীর্ণ যে, নিজের কানে , লাথি, চড় আর ষ্টাম্পের শব্দই ছিলো তীব্র ।
রাসেলের একসময় আর কিছু মনে নেই ।


‪#‎পর্ব_৫‬
রাসেল , লিজার অনেক কথা হলো , এবার আমার কথা বলবো ।

রাসেলের মোটামুটি সুস্থ হতে ৪-৫ মাস লেগে গিয়েছিলো ।

সেদিন ভেবে নিয়েছিলাম , মেয়েকে দেখে নিবো । প্রতিটি চোখের পানির হিসাব নেব ।
কিন্তু কিছুই করতে পারিনি , কারণ মাত্র ৩ মাসের মধ্যে লিজার বিয়ে হয়ে যায় র্যছবের এক উদ্ধতন কর্মকর্তার সাথে । একজন সম্ভ্রান্ত রাজনৈতিক পরিবার এবং ব্যবের এক উদ্ধতন কর্মকর্তার সাথে আমাদের মত সাধারণ ছেলেরা কখনোই পারবো না ।

রাসেলের অনেক প্রশ্নের উত্তরে উঠে এসেছিলো, রাসেল যখন প্রথম লোকটাকে দেখেছিলো , টোবিলে তখন কয়েকটা ফেনসিডিলের বোতল ছিলো ।
তাতে বুঝেছিলাম , লোকটা সম্পূর্ন নেশার ঘোরে ছিলো ।

রাসেলের কথায় যুক্তি পাচ্ছিলাম না , কারণ ঐ দিন মেয়েটা কেনো ওকে দেখে চলে গিয়েছিলো , মেয়েটা তো ওকে বাচাতে পারতো । আবার মেয়েটা তো কল করেছিলো , তাহলে রাসেলকে কি মারা হয়েছিলো কোকন শত্রুতার কারণে ।

খুব রেগে আর সাহস করে , একদিন লিজাকে প্রশ্নের সম্মুখীন করেছিলাম …
মানুষ এতটা আত্নকেন্দ্রিক আর স্বর্থপর হতে পারে , সেদিন আমি প্রথম বুঝেছিলাম ।

লিজা বলেছিলো ,
তাকে কল করার পর , ওর ভাই ওকে বলেছিলো কিচ্ছুক্ষন উপরের ঘরে থাকতে । মাঝে মাঝেই ওর ভাই এভাবে বাইরে যেতে বলে – নেশা করত, ২-১ টা সিগারেট টেনে আবার চলে যেত । কিন্তু লিজা আবার কল করেছিলো রাসেলের কাছে, কিন্তু রাসেল ফোন ধরে নি ।

রাসেল কে যখন প্রথম ধরা হয় , লিজা ভেবেছিলোম ২-১ টা চড় মেরে হয়ত ছেড়ে দেবে ।সব সমস্যা মিটে যাবে ।

কিন্তু ওর পরিবারের এমন কান্ড দেখে সে নিজেই ভয় পেয়েছিলো । তার বাবা-মা – পরিবারের সবাই তাকে অনেক আদর আর অঘাত বিশ্বাস করে । তাই সে লজ্জায় কিছু বলতে পারি নি ।
সে নিজের যেৌনতার কুর্মের কথা কাউকে জানাতে চাচ্ছিলো না আর যদি সবাই জেনে যাই , তাহলে সে মুখ দেখাবে কি ভাবে … তা্ই সে চুপ করেছিলো , কিন্তু সে অনেক কষ্ট পেয়েছিলো ।

---- এই ছিলো লিজার কথা এর পর আর কিছু শুনতে চাইনি আমি ।

পরবর্তী রাসেলের প্রতিবাদে কোন বিচার হয়নি …
কারণ, ক্ষমতাবানদের একটা ক্ষমতা থাকে , সেটা হলো – “যা হয়েছে, হয়ে গেছে, এখন একটা ভূল তো হয়ে গেছে বাবা, এই নাও কিছু টাকা , সব বাদ দাও”…. ক্ষমতাবানদের এই সামান্য কথাই - অনেক কথাকেই নিমিশেই হারিয়ে যায় । …

রাসেলের মত হাসিখুশি ছেলেগুলোর ভালোবাসার যন্ত্রনা, হেরে যাবার যন্ত্রনা, লজ্জায় নিস্থব্ধ হয়ে যায় , ধুলোই চাপা পড়ে যায় সব কিছু । যেৌনতা মানুষেরই সৃষ্টি, আর মানুষের জন্যই সৃষ্টি , থাক না লিজার মত সুন্দরীরা যেৌবনের সম্মান নিয়ে আর
রাসেলরা মারা যাক, তাতে এমন ভালোবাসা আর সৃষ্টি হবে না ।

সবাই যখন মারছিলো, তখনো রাসেল লিজার ঘরের দরজার দিকে ঝাপসা দৃষ্টিতে তাকিয়ে আশা করেছিলো ছিলো যে, লিজা এসে ওকে জড়িয়ে ধরবে, আর সবাইকে বলবে, আমি রাসেলকে ভালোবাসি …
_______________________________
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কোয়ান্টাম হৃদয়ে বিগ ব্যাং : স্পেস-টাইমের প্রেমকাব্য (আধুনিক ও রোমান্টিক)

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২০

কোয়ান্টাম হৃদয়ে বিগ ব্যাং : স্পেস-টাইমের প্রেমকাব্য (আধুনিক ও রোমান্টিক)
.................................................................................................................



কক্ষপথে ঘোরে আমার একলা মনের ইলেকট্রন,
নেগেটিভ চার্জে মেঘ জমেছে, খুঁজছে আজি কার্বন মাখা অন্যমন।
তুমি যখন পজিটিভ এনার্জিতে, এ... ...বাকিটুকু পড়ুন

পোড়ামাটি নীতি (Scorched Earth Policy).....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:৫৮



পোড়ামাটি নীতি (Scorched Earth Policy).....

একটি একটি সামরিক কৌশল। কোনো সামরিক বাহিনী যখন পিছু হটে বা শত্রুর আক্রমণ প্রতিহত করতে চায়, তখন তারা নিজেদেরই ফেলে যাওয়া এলাকার সমস্ত ফসল,... ...বাকিটুকু পড়ুন

জনগণের দীর্ঘমেয়াদি কল্যাণের পরিকল্পনাটা কোথায় ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৫ ই নভেম্বর, ২০২৬ রাত ১:১০


ডা. জাহেদ উর রহমান। জুলাই আন্দোলনে শেখ হাসিনা বিরোধী ছিলেন এবং তাঁকে চেনেন না, এমন মানুষের সংখ্যা খুবই কম। মানুষটি অ্যাক্টিভিজম ছেড়ে নতুন সরকারের মুখপাত্র হয়েছেন। এতে আমার মতো... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপনাদের আমরা পরিষ্কার করে বলি, ভয় ভেঙে রাজপথে নেমে আসুন

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ০৫ ই নভেম্বর, ২০২৬ সকাল ৯:২৫

[মানুষ এতো দুষ্ট কেন? পুরনো কথা ভিডিও সহ ফেসবুকে এভাবে না ছাড়লে হয় না। ]

“আপনাদের আমরা পরিষ্কার করে বলি, ভয় ভেঙে রাজপথে নেমে আসুন"

২৫ হাজার টাকার মজুরি আন্দোলন আর... ...বাকিটুকু পড়ুন

ঝাল্লাগে- ভাল্লাগে!

লিখেছেন শেরজা তপন, ০৫ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৭


আমাদের ঝাল খাওয়ার ইতিহাস হাজার বছরের নয়, তবুও কেন আমরা ঝাল পাগল জাতি হলাম এইটা নিঃসন্দেহে গবেষনার বিষয়। পর্তুগীজেরা না আসলে আমরা হয়তো কাঁচা লঙ্কা বা শুকনো লঙ্কা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×