এই শোন,
বলো
এই চাঁদের গ্রহণলাগা ছায়াছায়া অন্ধকরে; একটা কথা বলতে চাই
কী কথা?
তুমি গান করছিলে টপ্পা, আমি চোখ মুদে দুলছিলাম তালে।
চোখের পাতায় ছবি ছিল গাছের ছায়ার
মনোমোহনী কথাগুলো সুরে সুরে উড়ছিল মন জুড়ে, কোজাগরি জোছনা হয়ে
মনে আছে তোমার?
খুব আছে।
এতকাল পরেও?
হুম
তোমার এলো চুল বাতাসের নদী বয়ে উড়ছিল।
আঁচল হয়েছিল পতাকা। আর তুমি যেন পেলব ভূমি।
ঠিক চাঁদের ঢেকে যাওয়ার মতন আমি ঢেকে যাচ্ছিলাম তোমার আবহে-
আর আমি তোমার সুরের মায়াজালে।
সেদিনের সেই সময়
সেদিনের সেই ক্ষণ
আমাদের এক হয়ে মিশে যাওয়া
এতদিন কোথায় ছিল?
এত ভালোবাসা এত চাওয়া, কেমন করে হারালো অন্ধকারে?
জনারণ্য আর জীবন বড় বেশী আপন হলো।
সময়ের সীমাহীন ব্যস্ততা-
কেড়ে নিল আমাদের মুগ্ধতা
আমাদের কাছে থাকা।
আমাদের এক হয়ে থাকা।
তাড়িয়ে নিয়ে গেল দূর থেকে দূরে
অচেনা নগরে, আর্শির ছায়া ছিলনা।
ছিলনা বন্দনা সোনালী সময়ের।
কাকাতাড়ুয়া হয়ে ঘুরে বেড়ানো, অদেখা যন্ত্রনায় পিষ্ট হয়ে।
ঝাড়বাতির আলো নিভে অন্ধকারে ঢেকে দিয়ে ছিল মধুময়, মোহময় সময়
অস্থির বাতাস,তার মতন ধাই ধাই চলা, ভাবনার সময় ছিল কই?
-ভাবনার সময় ছিল কই?
মায়াবী সময় ভাবার। দুটি অপলক স্থির কালো দীঘি চোখে, চোখ রাখার।
টপ্পার সুর অথবা পতাকার উড়ালে ভাসার,
ভুতুড়ে হাওয়ার ঘূর্ণি মতনে ছুটে ছুটে চলা।
আনাবিল মুগ্ধতার একতারা হারিয়ে ফেলা-
তবু অবশেষে; আরেকবার দেখা হলো অযুত সময় পেরিয়ে
আবার দেখা হলো অবশেষে, এই গ্রহণ লাগা ছায়াছায়া সময়ে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



