দুই প্রান্তে বসে,একই মালায় মুক্ত গুজে দেয়া
হীরক কণার মতন জ্বলজ্বলে ভালোবাসায়,
হৃদয়ের আলপনা আঁকা-
এক সময় হৃদয়ের কাছে আসা, জীবন ঢেউয়ের দোলায় দোলে।
হোক না সে তীব্র সূর্যালোক বা রঙধনু মেদুর গোধূলীবেলা
সূক্ষ্ম অনুভবের জাল বোনা, মেরাবের দেয়াল রয়ে যাবে ।
ধূলির সংসার ভালোবাসায় ভরা খোলা আকাশের সীমানায়।
আমি তোমার চোখের তারায় অপলক তাকিয়ে থাকব।
বসব তোমার মুখোমুখি
চুল বাঁধব পেছনে টেনে,
বাতাসে চোখের পাতায় খুচরো চুলের এলোমেলো উড়ে আসা কাম্য নয়।
বন্ধ করতে চাইনা- এক মুহুর্তের জন্য দৃষ্টি।
যখন পড়ব তোমার হৃদয় চিঠি- মুখোমুখি বসে।
আঁকব না কাজল চোখের পাতায়।
মুছে দিব সিঁদুরের টিপ, কপাল থেকে ঝুরে পরা বাঁধা চাইনা
যখন পরছি, তোমার চোখের ভাষা, চোখের তারায় তারায়।
হৃদয়ের কেন্দ্রবিন্দু থেকে উঠে আসা ঢেউ
এতটুকু ভুল না করে পাঠ করতে চাই।
হারাতে দিব না ভালোবাসার জলকণা এক বিন্দু, তুমি ভেবো না।
হয়তো বা এই প্রথমই হবে শেষ
অথবা অনন্ত পথ চলার শুরু আমাদের ......
চোরকাটা বেঁধা শাড়ির আঁচল, মেঘ ডুম্বর আকাশ,
নদীর জল তরঙ্গ, তীব্র বিদ্যুৎ চমক
কিছুতেই চোখে পলক পরবে না।
মিথুন বলয় ডাকে আয় আয় -
শ্বাশত স্রোতধারা অর্নিবান শিখা মাঝখানে পেখম মেলা।
জল আকাশের কুয়াশা ছাওয়া চাদর,
মিহিন হয়ে জমে থাকে বুকের এক কোণে।
আশার বিদ্যুৎ চমক ঢেউ তুলে হৃদয় গহীনে।
প্রার্থনা জেগে থাকে একবিন্দু শিশির হয়ে ঠোঁটের ভাজে,
অপলক চোখের কোলে গভীর অনুভবে
বাতাসের গায়ে অচেনা ঘ্রাণ আবিষ্ট করে অনুভব।
কল্পতরু গাছে ফসল ফলেছে ময়ুরাক্ষি অমরাবতীর
তোমার দেখা পাব বলে বসেছিলাম বাতায়ন খুলে চন্দ্রলোকে
জন্ম জন্মান্তরের এই অপেক্ষা জলসীমানার দিগন্ত ছোঁয়া
ভালোবাসায় মালা গাঁথার।
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৪ দুপুর ১২:৫৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


