somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

রোকসানা লেইস
স্রোতের অজানা টানে সমুদ্র বালিয়াড়ি বেয়ে বোহেমিয়ান- গৃহকোন, জীবন যাপন ফেলে চলে যায়। তুমি দুহাত বাড়িয়ে আলিঙ্গনে বাঁধতে চাও জোছনা গলে হারিয়ে যায় সুখ । আছড়ে পরা ঘূর্ণিজল মনে বাজায় অচেনা সবুজ দিগন্ত ..

প্রশ্নবিদ্ধ মার্ক জুকারবার্গ

১২ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১:০৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আহারে বেচারা মার্ক জুকারবার্গ! নিজের বন্ধুদের মধ্যে যোগাযোগের মাধ্যম তৈরি করে বেচারা ভাবেও নাই তখন, এমন একটা বিশাল ব্যবসা হয়ে যাবে ফেসবুক যোগাযোগ মাধ্যম । কাউকে তো সে ডেকে ফেসবুক ব্যবহার করতে বলেনি বরং সবাই নিজের প্রয়োজনে ব্যবহার করছে তার ফেসবুক। ব্যক্তিগত থেকে অফিসিয়াল, কর্মাশিয়াল সবাই হয়ে গেল ফেসবুকের মাধ্যমে যোগাযোগ।
৮৭ মিলিয়ন মানুষের ব্যক্তিগত তথ্য সমৃদ্ধ ভান্ডার নিজের ব্যবসার স্বার্থে সংরক্ষন না রেখে সত্যি কি তুলে দিয়েছে অন্যদের হাতে প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মার্ক জুকারবার্গ।
চারঘন্টা ব্যাপী যৌথ শুনানির মধ্যে সেনেট বিচার বিভাগ এবং কমার্স কমিটির প্রশ্নের উত্তর দিতে হচ্ছে এখন আমেরিকায় বসে। যখন তাকে জিজ্ঞেস করা হলো কোন হোটেলে উঠেছে সে সেটা জানাতে চাইল না। নিশ্চয়ই ব্যক্তিগত নিরাপত্তার জন্য। অথচ মানুষের ঠিকানা অনায়াসে দিয়ে দিল অন্যদের কাছে। যা শুধুই ফেসবুক কে দেয়া হয়েছে।
কখন খেলাম কখন ঘুমালাম কার সাথে কেমন জীবন যাপন আত্মিয় বন্ধুদের দেখানোর সাথে দেখিয়ে দিচ্ছি আমরা চেনা অচেনা সব মানুষকে। একজন মানুষ এবং তার চরিত্র বৈশিষ্ট তার যোগাযোগের সম্পর্ক সব তাদের হাতের মুঠোয় এখন। একাউন্ট ডিয়েক্টিভ করলেও থেকে যাবে তথ্য। কখন কোন ডিভাইস, কোন জায়গা থেকে লগ ইন করা হয়েছে। কার সাথে কি কথা বলা হয়েছে।
গোপন ম্যাসেজে বলা গোপন কথাগুলো খোলা আমজনতার কাছে অনেকে সেটা বুঝতে পারে না।
আর সব ডাটা সংগৃহিত থাকছে মার্ক জুকারবার্গের অফিসে। ভাবছি আমার নাম থেকেও কি একটি ভোট দেওয়া হয়েছে ট্রাম্পকে! যা আমি জানতেই পারব না হয় তো কোন দিন। কেউ তো এমন অধিকার দেয়নি ফেসবুককে।
কিন্তু মানুষের ডাটা নানা ভাবে ব্যবহার হয়ে যাচ্ছে এখন ।
এক সময় টেলিফোন কোম্পানি মানুষের ফোন নাম্বার বিক্রি করে দিত অন্য ব্যবসায়িদের কাছে। সেই সব কোম্পানির ফোন আসত নানা কিছু বিক্রি বাড্ডার চাকচিক্যময় আহ্বান নিয়ে। সারাদিনের কাজ সেরে ঘরে ফিরে এইসব ফোনের অত্যাচারে অতিষ্ট ছিল মানুষ। ব্লক করার সিস্টেমও আসল সাথে কিছুটা স্বস্থি পাওয়া গেল অবাঞ্চিত ফোনের থেকে কিন্তু ফোন নাম্বারটি চলে গেল ব্যবসায়ি থেকে ব্যবসায়ির হাতে।
মার্ক জুকারবার্গ সরি বলে, তথ্য সঠিক ভাবে সংরক্ষন না করার কথা জানাল। খেলার মতন একটা বিষয় এত্ত বিশাল আকার ধারন করবে তাকে এত্ত নিয়ম মানতে হবে সে হয় তো সত্যি ভাবেনি।প্রতিদিন এখন কঠিন করছে কিছু নিয়ম। আইসিসদের ফেক একাউন্ট বাতিল করেছে। ইলেকশনের আগেও অনেক একাউন্ট বাতিল করেছে বলে জানাল। আমরাও ছিলাম না সতর্ক নিজেদের তথ্য পরিবার পরিজন ঠিকানা ফেসবুকের কাছে তুলে দিতে। আজকাল এত সহজ হয়েছে ফেসবুক কোন লেখা, কোন ছবি নিজের ডিভাইসে সংরক্ষণের চেয়ে ফেসবুকে রাখাটা যেন খুব সহজে খুঁজে পাওয়া যায়। কথা বলা যোগাযোগ নিমিশে হয়ে যায় ফেসবুকের মাধ্যমে।
কিন্তু খারাপ বিষয়গুলো সব সময় জড়িত ভালো সহজের সাথে। এখন কতটা কঠিন হবে ফেসবুক । দেখা যাক কি নতুন নিয়ম আসে। বিভিন্ন ভাষার লোকজন নিয়োগ পাবে মানুষের উপর গোয়েন্দগিরি করার জন্য। ভালো, কিছু কাজের সংস্থান হলো। কিন্তু ফলাফলে কত ভালো মন্দ ধরা পরবে সেটা জানার জন্য অপেক্ষা করতে হবে বেশ কিছুদিন।
বিভিন্ন দেশের সরকার ফেসবুকের ইনর্ফমেশন নিয়েছে বিভিন্ন ভাবে । সব কিছু মিলে গোবলেট অবস্থা। বিভিন্ন দেশের মধ্যে মনে হয় একমাত্র চীন কঠিন ভাবে ফেসবুক ব্যবহার করা নিষিদ্ধ রেখেছে তাদের দেশে।
গুগোলও তো ডাটা সংরক্ষন এবং মানুষের নাড়ি নক্ষত্রের হিসাব রাখার জন্য চেষ্টা করছে। ফোন নাম্বার এবং সব কিছু এক করে ফেলার জন্য আহ্বান তারা সারাক্ষণ দিচ্ছে তবে এখনও তারা অন্যদের কাছে তুলে দিয়েছে বলে কোন অভিযোগ আসেনি।



সর্বশেষ এডিট : ১২ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১:৩০
৭টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মন কেমনের দিনে

লিখেছেন শাওন আহমাদ, ২৯ শে জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৩:৫৫



মাঝেমধ্যেই মনের ক্যানভাসটা কেমন যেন বিবর্ণ হয়ে যায়। পৃথিবীর সমস্ত রং হারিয়ে যায় অচেনা পথের বাঁকে। কোনো সংকেত ছাড়াই একরাশ এলোমেলো বিষণ্ণতা এসে জেঁকে বসে মনের কার্নিশে। চারপাশের চেনা জগৎটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

"দুষ্টের দমন শিষ্টের পালন"- হলো একটি সনাতন নীতি...

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২৯ শে জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৭



"দুষ্টের দমন শিষ্টের পালন"- হলো একটি সনাতন নীতি, যার অর্থ খারাপ বা অন্যায়কারীকে শাস্তি দেওয়া এবং ভালো বা সৎ মানুষকে রক্ষা করা। এটি মূলত সমাজে শান্তি ও ন্যায়বিচার... ...বাকিটুকু পড়ুন

শুধু টুথপেস্ট নয়—মোড়ক ছেঁড়ার মুহূর্তেই ছড়াচ্ছে মাইক্রোপ্লাস্টিক

লিখেছেন মুনতাসির, ২৯ শে জুলাই, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৩০

টুথপেস্ট নিয়ে আলোচনা সবে শুরু হয়েছে, কিন্তু বাস্তবতা আরও অনেক বড়। আমাদের দৈনন্দিন জীবনের প্রায় প্রতিটি সিন্থেটিক পণ্যই এখন মাইক্রো বা ন্যানোপ্লাস্টিক তৈরি করতে পারে—এমনকি একটি চিপসের প্যাকেট ছেঁড়ার মুহূর্তেও,... ...বাকিটুকু পড়ুন

কারো নামে মিথ্যা অপবাদ কাম্য নয় তবে ....

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৯ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ১০:৩৯


ঘটনাটি মূলত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক এবি জুবায়ের এবং তার সঙ্গে থাকা এক সাংবাদিক বন্ধুকে ঘিরে। পরিবাগ ওভারব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় ট্রান্সজেন্ডার বা হিজড়া জনগোষ্ঠীর কয়েকজনের সঙ্গে... ...বাকিটুকু পড়ুন

কী-বোর্ড কাহিনী: ডেল কেবি২১৬

লিখেছেন ইফতেখার ভূইয়া, ২৯ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ১১:০০


আমি ১৯৯৬ সাল থেকে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন কী-বোর্ড ব্যবহার করছি। দেশে থাকতে কী-বোর্ড তেমন প্রয়োজন পড়েনি। মাঝে মধ্যে কেনা হতো। একবার বাংলা লিখার জন্য "বিজয়" সফটওয়্যারের প্রলোভনে, বিজয় এর... ...বাকিটুকু পড়ুন

×