somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

স্প্যানকড
স্বপ্নের খোঁজে দেখি তোমায় /বাঁধি সীমাহীন ভালোবাসায়/দাও কিছু সুখের বৃষ্টি / ভিজি আমি /উড়াই দিগন্তের নীলিমায় তোমার নামে / স্বপ্নের এক বিশাল ঘুড়ি।

কমন দৃশ্য সর্বত্র ! আগডুম বাগডুম ছি ঃ !

২৯ শে মে, ২০২১ রাত ৮:৩৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ছবি নেট ।

খুব না প্যাঁচিয়ে সোজা করেই শুরু করছি। আমার এলাকায় একজন ছাত্রলীগের একটা গুরুত্বপূর্ণ পোষ্টে আছেন। অথচ তার শিক্ষাগত যোগ্যতা যতদুর জানি পঞ্চম শ্রেনী পর্যন্ত তাও কয়েকবার ফেইল করে।

তার পরিবার এর ব্যকগ্রাউন্ড দেখলে দেখা যায় তার বাবা একটা সিনেমা হলের টিকেট কাউন্টার এ জব করে মানে টিকেট বিক্রি করে।

বড় ভাই একজন মাদকাসক্ত ব্যক্তি।সেই নেতার উত্থান যেভাবে হইছে বলতে পারেন নায়ক মান্নার মতন। কয়েকবার মাদক সহ ধরা পড়ে জেলে গেছে আর প্রতিবার কোন না কোনভাবে বেড়িয়ে পড়েছেন।

উনি যে নেতার মুরিদ সেই নেতার প্রতি মিছিলে তিনি লোক সাপ্লাই দিতে পারে সেইরকম।এতে নেতার চোখে পড়ে।যার কারণে এই পোষ্ট মিলে গেছে।

আসেন চলি জানতে থাকি এর যোগ্যতা আর কি আছে? তিনি যাকে খুশী তাকে চড় থাপ্পড় দিতে পারে। এলাকার বাস স্ট্যান্ড, লেগুনা টেম্পু স্ট্যান্ড, রিক্সা স্ট্যান্ড থেকে চাঁদা তুলতে পারে।

গার্মেন্টস থেকে টি শার্ট এর লট নামাতে পারেন। এগুলি বন্টন করে দেন তার পরিচিত পার্টির কাছে। এলাকার চটপটি, বাদাম বিক্রেতা পর্যন্ত চাঁদা দেয়। এলাকায় কেউ নতুন বিল্ডিং করতে এলে চাঁদা দিতে হবে তারপর তার একটা দোকান আছে সেখান থেকে আপনাকে রড, সিমেন্ট, বালু, ইট কিনতে হবে। আপনি বাধ্য কারণ এ এলাকায় আপনাকে থাকতে হবে পরিবার নিয়ে। এই হলো তার বিশেষ গুণ বা যোগ্যতা !

এই যে এত কাম কাইজ করে এর মূল শক্তি কে দেয়? ঐ যে তার নেতা। যার মুরিদ সে তিনি।এই চাঁদাবাজির বিশাল অংশ নেতার পকেটে যায়।

নেতা তো আর এসে এসব ছোটলোকের কাজ করতে পারেন না। তিনি মুজিববাদ প্রতিষ্ঠা করতে মরিয়া গতরে সুগন্ধি মাখিয়া!

ইদানীং এলাকার কমিশনার এর সাথে রাস্তার কন্টাক্ট সহ ডিশ ব্যবসা ইন্টারনেট সেবা দেয়া এসব নিয়া দ্বন্দ্ব চলছে। দুই গ্রুপ আবার নেতার কথায় উঠেবসে।

নেতা কমিশনার এবং তথাকথিত সেই নেতাকে বুঝিয়ে দিয়েছেন কে কতদুর যেতে পারবে বা কার কতদূর এখতিয়ার বা সীমানা।

এই যে যাহা বলিলাম তাহা মিলাইয়া নিবেন। বাংলাদেশের প্রতিটি মহল্লায় এ চিত্র বিদ্যমান বিশেষ করে শহর উপশহর গুলিতে। সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো এরা আপনাকে আবার চারিত্রিক সনদ দিবে। সত্যি! কি বিচিত্র এ দেশ ও তার নিয়ম !

আমরা যতই ব্লগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লিখে উলটাই ফেলি না কেন। কোন লাভ নাই। তাদের একটা বাল ফালানো দূরে থাক বাঁকা করার ক্ষমতা কারো নাই। আসলে কি নাই?

প্রশাসন! আহ! তাদের কাছ থেকে সাপ্তাহিক খাবার পায়। সুতরাং তারা বেঈমানী করে কেমনে?

একবার সে নেতার সনে কথা বলার সুযোগ হয়েছিল। কোন একটা কাজের পার্পাসে কথায় কথায় বলল,  " ভাই এইডা কোন কাম!আচ্ছা কইরা দিমু কিছু দেওন লাগব না। এসব ম্যাজিস্ট্রেট, ডিসি, আই জি পুলিশ পকেটে লইয়া ঘুরি "! 

অবশ্য বলার কারণ কি জানি না বা আমাকে এত সম্মান দেয়ার কারণ কি?হয়তো ওকে জন্মাইতে দেখছি। ওর মহল্লার অনেক সিনিয়র ভাই আমার বন্ধু।সাংস্কৃতিক অনেক কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত আছি তাই হয়তো!

সে যাই হোক এত কথার একটাই কারণ দেশ ততদিন পর্যন্ত ঠিক হবে না যতদিন না এসব নেতাদের মগজ সঠিক হবে না।

আরেক টা কমন সিন এসব নেতা যখন বড় কোন আকাম ধরেন খুন বা ধর্ষণ করেন। তখন নেতা করে কি তাকে দল থেকে বহিষ্কার করেন আর হাসি মুখে বলেন,

" সে আমাদের দলের কোন অংশ নয়। আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে ইত্যাদি আগডুম বাগডুম " ছিঃ!


সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে মে, ২০২১ রাত ৮:৪০
৭টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মাতৃভূমিকে ছোট করে প্রতিবেশী দেশকে মহান দেখানোর উদ্দেশ্য কি?

লিখেছেন ভুয়া মফিজ, ০৮ ই জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১২:২১



বহুদিন ব্লগে ঘোরাঘুরি করা হয় না। গত সপ্তাহে কি মনে হলো, ভাবলাম একটু ঘোরাঘুরি করি। তো ঘুরতে ঘুরতে কিছু পোষ্ট পড়লাম; কিছু মন্তব্যও নজরে আসলো, বিশেষভাবে দুইটা মন্তব্য।... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবিতাঃ নিত্য তোমার অন্বেষণে

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ০৮ ই জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১২:২২

জানি,
তুমি ছড়িয়ে আছো চতুর্দিকেই,
তবুও,
মন খারাপে তাকাই আমি আকাশপানেই
দিনে তাকাই, রাতেও তাকাই,
আলোয় তাকাই , কালোয় তাকাই,
তাকাই মানে তোমায় খুঁজি,
খুঁজতে খুঁজতে চোখ বুঁজি।... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজকের ডায়েরী- ১৯৩

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৮ ই জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৩:৫০



আর্জেন্টিনা দুই গোল খেয়ে গেছে!
মেসি পেনাল্টি মিস করেছে। এদিকে খেলা অর্ধেক শেষ। তখনও আমি বলেছি, আর্জেন্টিনা জিতবে। কোনো চিন্তা নাই। প্যারা নাই। চিল। হ্যা আমার কথাই সত্য হয়েছে। আর্জেন্টিনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

এদেরকে না রুখলে চড়া মূল্য দিতে হবে

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ০৮ ই জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৩:৫৬



মাহবুব আজিজ, আনিস আলমগীর, সোমা ইসলাম, শাওন, মঞ্জুরুল পান্না, শম্পা রেজা, কালচারাল ফ্যাসিস্ট ফরিদুর রেজা শাইখ সিরাজ এদেরকে এখনই বন্ধ করতে হবে না হলে বাংলাদেশকে চড়া মূল্য দিতে হবে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

সব দোষ গাজী সাহেবের!

লিখেছেন মাথা পাগলা, ০৯ ই জুলাই, ২০২৬ রাত ২:৫৩



ধরেন, এখন আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আছে। শেখ হাসিনা সংসদ ভবনের সামনে ভারতের স্বাধীনতা দিবস জাঁকজমক করে পালন করলেন। ভারতের শীর্ষ নেতা এলেন, ভারতের পতাকা উড়ল...

এখন চুপ করে থাকা পাকিস্থানপন্থীরা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×