
একটা দৃশ্য শুধু চিন্তা করেন। আপনার পরিবার এর কেউ করোনায় আক্রান্ত বা আপনি নিজে।
এখন এম্বুলেন্স ছুটছে এ হাসপাতাল থেকে ও হাসপাতাল কারণ সিট খালি নেই।রোগীতে ঠাসা। এমন ঘুরতে ঘুরতে আপনি হাসপাতালের বারান্দায় মারা গেলেন অথবা এম্বুলেন্স এর ভেতর !
এমন মৃত্যু কেউ কামনা করে?কে? বড় ক্লিনিকে যাওয়ার ক্ষমতা নেই অনেক টাকা লাগে।সরকারি হাসপাতালে সিট নেই!
আপনি, আমি এই যে গরীব মধ্যবিত্ত আছি না আমরা শুধু একটা সংখ্যা হয়ে এ দেশের ভুমিতে বিচরণ করছি।কথায় কথায় শুনি গরীব দেশ! এইবার মুখ নাপাক না কইরা পারছি না। গরীব দেশের কিছু খানকির পুতদের কেমনে অন্যদেশের ব্যাংকে এত টাকা জমা হয়? অন্য দেশ সেকেন্ড হোম হয়? আলিশান বাড়ি, গাড়ি হয়? কেমনে? আসলে গরীব বানিয়ে রাখা হয়েছে আমাদের।
কি করল সরকার!কোটি টাকা খরচ করে ভ্রাম্যমাণ হাসপাতাল নির্মাণের পর রোগী নেই বলে ভেংগে ফেলা হলো। কেন? যা ইচ্ছে তাই আপনাদের মন মতো। টাকা কি গাংগের জলে ভেসে আসে?
ভেকসিনের জন্য ছুটে মরছে। কয়জন পাবে ভেকসিন?অনেকে টাকা দিয়ে ভেকসিন নিয়ে নিচ্ছে। ক্ষমতা দেখিয়ে নিচ্ছে।লকডাউন দেয় গরীব আরও মরে। কেন এত শ্রেণী বৈষম্য?
আমার তো মন চায় প্রতিটা এম, পি, মন্ত্রীর বাসায় করোনা রোগী পাঠিয়ে দেই একটু রঙ তামাশা দেখতাম!
এই যে আপনি, আমি এমনভাবে মারা গেলাম এতে বলেন তো কোন এম, পি, মন্ত্রী দুঃখে একটু দুঃখিত হবেন? কে হবেন? নামটা বলেন? কেউ নাই!
আমরা মরলে তাদের শরীর থেকে একটা লোম ও খসে পড়বে না। এই হলো বাস্তবতা।
এসব চুতমারানির আসলে লজ্জা নাই! যদি থাকত টিভিতে বড় বড় বুলি দেয়ার আগে অন্তত একটিবার সরি বা দুঃখিত বলত!
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে জুলাই, ২০২১ রাত ৯:৫৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


