somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

রবিন্দ্রনাথ ঘাপলা রেখে গেছেন !

০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২২ সকাল ৯:২৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ছবি নেট ।

রবিন্দ্রনাথ জাতীয় সংগীতে একটা বিশাল ফাঁক রেখে গেছেন অথবা জিনিসখান ভুলে লাগাতে ভুলে গেছেন। কি ধরতে পারছেন না। আচ্ছা বলছি, ঠাকুর ভক্তরা উত্তেজিত হবেন না প্লিজ ! মাথা ঠান্ডা করুন। জায়গা মতো উত্তেজনা ঢেলে দিবেন। এনার্জি ধরে রাখেন।

যাক সেসব কথা আসি আসল কামে। রবিন্দ্রনাথ বলেছেন,

" আমার সোনার বাংলা / আমি তোমায় ভালোবাসি। "

এই খানে উনি ভুল করেছেন বা ফাঁকি দিয়েছেন। বলা উচিত ছিল

" আমার সোনার বাংলা / আমি তোমায় সত্যি সত্যি ভালোবাসি । "
আজকাল সবকিছু দূষিত ! প্রেমের বেলায় আরো। এত গভীরে আজকাল প্রেম চলে গেছে যে, বলা মুশকিল তাই মাঝেমধ্যে ভিডিও ক্লিপ হয়ে ধরা দেয়।

তো যা বলতে ছিলাম, ভালোবাসা সত্যি হতে পারে আবার মিথ্যে হতে পারে মানে লোক দেখানো। ঠাকুর যুগে হয়তো সত্যি ছিল তাই এই " সত্যি  " শব্দটি উনি লাগানোর দরকার মনে করেন নি কিন্তু আজ এ শতকে লাগিয়ে নেয়া উচিত।

অন্তত ভেতরে যতই গলদ থাকুক মুখে তো বলা হবে " আমার সোনার বাংলা /আমি তোমায় সত্যি সত্যি ভালোবাসি "।

কেন এগুলা বললাম জানেন এখন কেউ সত্যি সত্যি দেশকে ভালোবাসে না। ভালোবাসে নিজেকে নিজের পরিবারকে আর তার ভেতরে জমে থাকা অসুস্থ জন্তুটা কে। অমন বিষয় নিয়ে আলোকপাত আর কি ! ইহা কি দেশপ্রেম? না, আকাম বুঝি না! সত্যি মগজে ধরে না ।

আর এসব কাজে প্রথম সারিতে আছেন দেশের নেতাগন। এরা যতই দেশকে ভালোবাসি বলুক না কেন ভেতরে ভেতরে বেশীরভাগ দস্যু ডাকাত !

মাঝেমধ্যে ভাবি দেশ স্বাধীন না হইলে ভালো হতো। কেন ভাবি জানেন যখন হিসেব করি বৃটিশ লুটেছে ১৫০/২০০ বছর এর পর পাকিস্তান কিছু বছর এখন কে লুটে চলেছে ? এর উত্তর জেনে।

সেদিন দেখলাম কোটি টাকার ব্রিজ বছর না যেতেই সিজদা দিয়ে মাটিতে পড়ে আছে। কারণ সস্তা মেটারিয়েল দিছে তাই এই হাল! মাঝেমধ্যে ভাবি কোন মন্ত্রী অমন ব্রিজ দিয়ে যাবার কালে কেন যে ব্রিজ সিজদা দেয় না বড্ড অবাক হই ! যদিও কোন ইনসানের ক্ষতি কামনা করা উচিত নয় কিন্তু এরা তো ইনসান নয় জানোয়ার !

১০০ কোটি টাকা গচ্চা গেল শুধু বুলেট ট্রেন চালু করবার পরিকল্পনায়। এরপর বছরের পর বছর প্রশ্ন ফাঁস করে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে হত্যা করা হয়েছে তাই দেশে ভারতীয় কত লোক কাজ পায় নিজের দেশের লোক বেকার ইয়া বাবা ! শিক্ষা মন্ত্রী এতে একটু বিচলিত ছিলেন না। এমন কি দুঃখিত শব্দটা পর্যন্ত বলেন নি !

আরেকটা বিষয় দেশে লক্ষ্যনীয় এই যে,আওয়ামীলীগের আমলে আওয়ামী প্রেমি কয়েক লাখ গুন বেড়ে গেছে। ১০/১৫ বছর আগেও এসব আওয়ামী প্রেমির মুখ দেখি নাই। এখন দেশের সব আওয়ামীলীগ ! দেশপ্রেমিক ! ইহা বড় বিপদের লক্ষণ।

আল্লাহ না করুক যদি কোনদিন আওয়ামীলীগ ক্ষমতা হারায় দেখবেন কি সিনারি ! যে মুখ গুলি এত এত মুজিববাদ বা হাসিনা প্রেমি না এরাই তখন গালি দিয়ে অন্য কথা বলবে ১০০ ভাগ আমি নিশ্চিত !

দেশকে যদি তারা ভালোবাসতো তাহলে দেশের এত টাকা বাইরে পাচার হতো না। বেগমপাড়া গড়ে উঠতো না। কে কারা মানি লন্ডারিং করে সরকার কি ধরতে পারে না ? নাকি ধরবার ক্ষমতা নাই ?

এই যে এফ ডি সি আছে সেখানে কয়টা মান সম্মত ছবি হয় ? সব অভিনেতা এখন রাজনীতিবিদ ! কেন ? উত্তর ছবি করে আর কয় পয়সা আসবে ? এর চেয়ে রাজনীতি কর মুজিববাদ আর হাসিনা প্রেমি হয়ে লুটে নাও ! এইতো চলছে।

অবস্থা এমন মুখে তো কালেমা পড়ছি এখন যত খুশী ঘুষ খাও, সুদ খাও চিন্তা কম ডু ফুর্তি !

তাই বলছিলাম লাইন টায় " সত্যি  " শব্দটা যোগ করে দিতে যদি এতে হুশ হয়। হবেনা ২০০ ভাগ নিশ্চিত থাকুন। চোর ডাকাত কচুরিপানার মতন বেড়ে যাবে নিশ্চিত থাকুন।

আমার সোনার বাংলা
আমি তোমায় সত্যি ভালোবাসি ।
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২২ সকাল ৯:৩৭
৭টি মন্তব্য ৭টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

একান্ত ভাবনা

লিখেছেন মেহেদি হাসান শান্ত, ২২ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৯:৪০

একবার রিয়েক্টর ফিজিক্স ক্লাসে আমাদের একজন শিক্ষক বলেছিলেন, "এই দেশে আসলে সবাই সবার সঙ্গে বাটপারি করে।" কথাটা শুনে প্রথমে একটু অবাক হয়েছিলাম। কিন্তু যতদিন গেছে, চারপাশটা যতটুকু দেখেছি, ততই মনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

দুর্ভিক্ষের আওয়াজ কি আমরা বাংলাদেশিরা শুনতে পাচ্ছি?

লিখেছেন মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ, ২২ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১০:৪৩

মুচলেকা দিয়ে, গোপন সমঝোতা করে মীর জাফর কিংবা মীর কাসিমের মতো “কথিত ক্ষমতার” সিংহাসনে বসা যায় ঠিকই কিন্তু বসে বসে জনগণের সর্বনাশ দেখা ছাড়া তাদের বিশেষ কিছু করার থাকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

সম্ভাবনার বন্দি

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ২২ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:১৮



বান্দরবান জেলা কারাগারের চারপাশে পনেরো ফুট উঁচু পাথর ও কংক্রিটের নিরেট প্রাচীর। তারও ওপরে পেঁচানো ধারালো কাঁটাতারের জাল।

বর্ষার কুয়াশাচ্ছন্ন সকালে ৩ নম্বর ব্লকের সংকীর্ণ সেলে শান্ত হয়ে বসে... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাজার থেকে নৌকাবাইচ- এরপর কোথায়?

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২২ শে আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১০

মাজার থেকে নৌকাবাইচ- এরপর কোথায়?
মাজার বিদ্বেষ, বাউলগান বিদ্বেষ, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে আপত্তি- এরপর কিছুদিন ধরে দেশের বিভিন্ন জায়গায় কলেমা লেখা পতাকা টানানো; আর এখন সিলেটের বিয়ানীবাজারে ‘তৌহিদী জনতা’র ব্যানারে ঐতিহ্যবাহী... ...বাকিটুকু পড়ুন

ঢাবিতে "মব সায়েন্স" পড়তে হলে কী কী যোগ্যতা লাগে?

লিখেছেন মাথা পাগলা, ২২ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ৮:১৮



- রাজনৈতিক সুবিধার জন্য তৌহিদী জনতার ব্যবহার করা জানতে হবে।

- রাষ্ট্রের নিরাপত্তা বাহিনী চোখের সামনে থাকা সত্ত্বেও মবকে থামাতে না পারলে সেটাকে রাষ্ট্রের ব্যর্থতা না বলে "জনতার শক্তি" বলতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×