
শরত ভুলে বসে আছে তার স্বভাব।উষ্ণতা যখন চেপে বসে শরীরের প্রতিটি কণায়,ঠিক তখন জঙ্গী একদল মেঘ ধেয়ে আসে ঢাকার আকাশে।তীব্র ঠাডায় ভয় দেখায় বৈষয়িক উষ্ণতাকে।
ঠিক ওভার ব্রীজটার নীচে,চায়ের দোকানগুলিতে পথ চলতি মানুষের মেলা।অবশ্য সাময়িক সময়ের জন্যে।বয়ে চলা বৃষ্টির শাস্ত্রীয় সংগীতে সবাই কেন যেন সম্মোহিত।এই আমার কথাই ভাবুন।চায়ের স্টলে বসে আছি চুপ করে আর শুনছি বৃষ্টির মায়াবী সুর।আর খালি পেটে দুপুর দুটোয় চায়ের কাপে নিজেকে ভিজিয়ে নিচ্ছি।
কেমন হতে পারে একটি আচমকা পড়ে পাওয়া বর্ষণ মুখুর দুপুর।বাতাসের শীতলতা ভেদ করে পুরুষের দুই চোখ আটকে থাকে নারীর ভেজা শরীরে।চোখ তো নয় যেন পাথরে খোদাই করা – স্থির অপলক।আর ওয়েলকাম হতে নেমে দৌড় দেওয়া মধ্যবয়সী তরুনীর শরীরে সাগরের ঢেউ লেগে রয়।বৃষ্টির ফোঁটায় লেগে রয় তার রেশ।
গল্পে গল্পে একজন বলছিল-ঠাডা(বজ্রপাত)এখন জাতীয় দুর্যোগের খাতায় নাম লিখিয়েছে।ওদিকে ক্ষমতায় থেকে তেলবাজদের তেলেও বিষের প্রভাব প্রকট হচ্ছে।
এক সময় বৃষ্টি চলে যায়।রেখে যায় ভেজা স্মৃতি-ওভার ব্রীজের নীচে,কল্যাণপুরের ঝকঝকে দুপুরে।
০৬/১০/২০১৭
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই অক্টোবর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:০৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



