
স্বপ্নে সব নারীই উত্তেজক ভঙ্গিতে সামনে চলে আসে। যদিও
ওমন বয়স এখন আমার নেই।তাই কল্যাণপুরের রাস্তা দিয়ে আসার সময়
কসাইখানায় বাঁধা গরুটিকে দেখি।দেখি তার ম্লান চোখ।চোখ নয়
আসলে আমি টুকরো টুকরো গরুর মাংস দেখছি দোকানে।যেন চোরাবালি।
কোনটা সত্যি?-দাঁড়িয়ে থাকা গরু, নাকি টুকরো টুকরো মাংস।
রাত ৯.৩০ মিনিট।
মহেশাঙ্গন।কুমিল্লা।উচ্চ স্বরে গান গেয়ে চলেছেন এক গায়ক।
গান নয়।যেন কেওয়াজ।তাও হিন্দিতে।হরিবোল।হরিবোল।হরিবোল।অবশ্য এই
শব্দটি আমার মস্তিষ্কে বার্তা বয়ে আনে।শুনলাম গায়কটি ত্রিপুরার এবং মুসলমান।
আমি কবিতা লিখতে বসি,সামনে চলে আসেন শ্রী শ্রী অনুকূল চন্দ্র ঠাকুর এবং আমাকে
প্রশ্ন করেন-তিনি দেবতা কিনা,আর সবাই নির্জিবভাবে গান শুনছে কেন।আমি কোন
উত্তর দিতে পারিনা তবে কবিতা লিখতে শুরু করি।কবিতা আমাকে উত্তর দেয়-
প্রাণহীন কীর্তন গাইছেন ওই গায়ক।আর ঠিক সেই সময় গরুটির মায়াবী চোখে আলো চমকায়।
২৩/১২/২০১৭
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০১৭ রাত ১২:৩৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




