somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ডাক্তার ও ঔষধ কোম্পানির উপর অভিযান জোরদার করা হোক!

১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ রাত ১১:০৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

এবার একটা কাজের কাজ হয়েছে। কিশোরগঞ্জ হাসপাতালে ভ্রাম্যমাণ আদালত ও র‍্যাব-১৪ এর এক যৌথ অভিযানে বিভিন্ন ঔষধ কোম্পানির ৩২ জন বিক্রয় প্রতিনিধিকে ১৫ দিনের জেল ও ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। বর্তমানে তারা জেলা প্রশাসকের অস্থায়ী হাজতের অস্থায়ী বাসিন্দা হয়ে আছে।

দেশে বর্তমানে ঔষধ কোম্পানি গুলোর দৌরাত্ম্য এতই বেড়ে গেছে যে, তারা পাড়লে দেশের সব ডাক্তারকে স্ব স্ব নামে কিনে নেয়; আর ডাক্তার গুলোও এই সুযোগে তাদের আখেরে যা যা লাগে তা বাগিয়ে নিচ্ছে ইচ্ছামত। আমার জানামতে কিছু কিছু ডাক্তার মাসে ৫ লক্ষ টাকা করে মাসোয়ারা নেয় শুধু একটা কোম্পানির নির্দিষ্ট ঔষধ রুগীর প্রেসক্রিপশনে লিখবে বলে। এছাড়াও আছে বিদেশ ভ্রমণ, ছেলে মেয়ের লেখা পড়ার খরচ; এমনকি ছেলে-মেয়ের বিয়ের খরচও দিচ্ছে এই কোম্পানি গুলো তাও আবার কার আগে কে দিবে ভিত্তিতে। আর এর প্রভাব পড়ছে ঔষধের মূল্যের উপর যা বহন করছে দেশের অসুস্থ, গরীব, দুঃখী খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষ গুলো।

রিপোর্টটা পড়ে আমার আবার খারাপও লাগছে, কারণ যে ৩২ জনকে আজ জেল জরিমানা করা হল, এরা আসলে কতটুকু দোষী? এদের দোষ তারা হাসপাতালে ভিড় করে ডাক্তারের সাক্ষাতের জন্য বসে ছিল; বা তারা ডাক্তারের করা প্রেসক্রিপশন গুলো পরীক্ষা করছিল এটা জানার জন্য যে ডাক্তাররা তাদের প্রতিশ্রুতি মত তাদের কোম্পানির ঔষধগুলো লিখছে কিনা? নিতান্ত পেটের আর পেশার দায়ে এরা ওখানে নিয়োজিত ছিল; কারণ তাদের নিজ নিজ সেলস টার্গেট পূরণ না হলে যে তারা বেতন পাবে না, এমনকি চাকরীচ্যুত হতে পারে কেউ কেউ। উপরি পাওনা হিসেবে গালমন্দের কথা না হয় বাদই দিলাম।

আমি মনে করি, এই অভিযান চলতে থাকুক কোন আপত্তি নাই। কিন্তু সবকিছুর নাটের গুরু ডাক্তার আর ঔষধ কোম্পানির হেড অফিসে বসে বসে ছড়ি ঘোরানো বসদের না ধরলে এই অভিযান থেকে কোন ফল পাওয়া যাবে না। মধ্য থেকে কিছু নিরীহ শিক্ষিত ছেলেরা হয়রানীর শিকার হবে। অপদস্থ হবে সমাজে ও পরিবারে। এমনকি ধরা পড়ার দোষে চাকুরীও হারাতে পারে কেউ কেউ।

কারণ লোভী মানুষের কাছে কোন কিছুই অপ্রত্যাশিত নয়! এরা পারে না হেন কোন কাজও নাই, ছলনারও অভাব নাই !!!

১৪/১২/২০১৪ রাত: ১০.২৭
২টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আজ যদি টেলিফোন থাকত, তাহলে কেমন হতো?

লিখেছেন নাহল তরকারি, ২০ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:২৪

আজ যদি টেলিফোন থাকত, তাহলে কেমন হতো?

হয়তো আজ টেলিফোনও অ্যান্ড্রয়েড ফোনের মতো স্মার্ট হতো!



একসময় মানুষের দূর-দূরান্তে যোগাযোগের অন্যতম প্রধান মাধ্যম ছিল টেলিফোন। মোবাইল ফোনের মতোই টেলিফোন দিয়ে কথা... ...বাকিটুকু পড়ুন

শব্দের শক্তি, ভাষার মাধুর্য....

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ২১ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১:৫২

এমিরেটস, কাতার এয়ার লাইন্স ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্ট রিক্রুটমেন্টের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হচ্ছে গ্রুপ ডিসকাশন। গ্রুপ ডিসকাশনের সারমর্ম হচ্ছে—৬-৮ জন কয়েকটি গ্রুপে একটি নির্দিষ্ট টপিক নিয়ে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করবে। নিজের... ...বাকিটুকু পড়ুন

বলুন - "হ্যালো আল্লাহ্‌, আমি এখনো বেঁচে আছি!"

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২১ শে অক্টোবর, ২০২৬ ভোর ৫:৫৫

আপনার কাছে মনে হচ্ছে, আল্লাহ্‌ আপনার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন।
তিনি আপনার দোয়া কবুল করছেন না।
আপনার কাছের মানুষকে দূরে সরিয়ে দিয়েছেন।
আপনার কোন চাকরী নাই। রিজিক ছোট হয়ে এসেছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

উচ্চবংশীয় ছাগল!

লিখেছেন রাজীব নুর, ২১ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:০৯



এককালে কেবল ঘড়িতেই বাজতো টিক টিক- টিক টিক;
বারবেলায় এসে দেখছি টিক টিক বলে কিছু নেই আর ঠিক ঠিক!
বরং 'টিকটক'- এ আকণ্ঠ বুদ হয়ে আছে আবালবৃদ্ধবনিতা!
মানুষের লম্ফঝম্প... ...বাকিটুকু পড়ুন

কোন কিছুর অস্তীত্ব বিহীন মহাশূন্যে অস্তিত্বের প্রক্রিয়া কি ছিল?

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ২১ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২৭



কোন কিছুর অস্তীত্ব বিহীন মহাশূন্যে অস্তিত্বের প্রক্রিয়া হলো উদ্ভব। কারণ সৃষ্টি বা তৈরী কারক না থাকা। তাতে কী উদ্ভব হবে এটা অনিদৃষ্ট। কারণ এটা নিদৃষ্ট করার কেউ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×