somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

সাইয়িদ রফিকুল হক
আমি মানুষ। আমি ত্বরীকতপন্থী-মুসলমান। আমি মানুষ বলে আমার ভুলত্রুটি হতেই পারে। বইপড়তে আমার ভালো লাগে। সাহিত্য ভালোবাসি। লেখালেখি আমার খুব শখের বিষয়। বাংলাদেশরাষ্ট্র ও গণমানুষের জন্য আমি লেখনিশক্তিধারণ করেছি।

একজন রমিজ রাজা এবং পাকিস্তানীদের শয়তানীচেহারার নগ্ন-প্রকাশ

০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ সন্ধ্যা ৭:৫১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


একজন রমিজ রাজা এবং পাকিস্তানীদের শয়তানীচেহারার নগ্ন-প্রকাশ
সাইয়িদ রফিকুল হক

প্রশ্ন: পাকিস্তানীরা কবে ভালো ছিল?
উত্তর: জন্মলগ্ন থেকে এরা শয়তান। আর এরা সমানে সারাপৃথিবীতে শয়তানী করেই চলেছে।
প্রশ্ন: এদের পেশা কী?
উত্তর: শয়তানী, বোমাবাজি, জঙ্গীবাদী ইত্যাদি।
প্রশ্ন: এদের যোগ্যতা কী?
উত্তর: শয়তানী, শয়তানী এবং শয়তানী।

পাকিস্তানীদের রেকর্ড খুব ভালো! এরা সারাপৃথিবীতে সন্ত্রাসী-জঙ্গী-উপজাতি বলে চিহ্নিত। আর এরাই সারাবিশ্বে জঙ্গীসন্ত্রাসী রফতানিকারক। সন্ত্রাস আর জঙ্গীবাদের উৎসভূমি-লীলাভূমি-বিচরণভূমি এই পাকিস্তান। এরা ১৯৫২ সালের জুতাপেটা ভুলে গেছে। বাঙালি-জাতি এদের উর্দুভাষাকে কবর দিয়েছে। আর বাংলাভাষাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে বীর-বাঙালি-জাতি ঐক্যবদ্ধ হয়ে পাকিস্তানীনরপশুদের জুতাপেটা করে বাংলাকেই রাষ্ট্রভাষা হিসাবে প্রতিষ্ঠা করেছে। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে তারা ‘আমেরিকা-ইংল্যান্ড-চীনকে’ বাপ ডেকেও শেষরক্ষা করতে পারেনি। এইসময় তারা কতজনকে বাপ ডেকেছিলো। তবুও এখানে তারা পরাজিত হয়ে বাঙালির কাছে মাফ চেয়েছে। তাও আনুষ্ঠানিকভাবে। এই লজ্জা তো ভোলার কথা নয়। তাই বুঝি মাঝে-মাঝে ওদের মাথা গরম হয়ে যায়। আর ওরা এভাবে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ধৃষ্টতাপ্রদর্শন করে থাকে। কিন্তু এভাবে আর কত?

বাংলাদেশরাষ্ট্র এখন সবদিক দিয়ে শয়তানরাষ্ট্র-পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে। আর এটাই ওদের মনোকষ্টের কারণ। ওরা মনে করে: ছোট্ট একটা দেশ কেন এতো এগিয়ে যাবে! আর এই দেশের কাছেই ওরা ১৯৭১ সালে মাফ চেয়েছিলো।
রমিজ রাজা একজন পাকিস্তানী-সাবেক-ক্রিকেটার। বর্তমানে ধারাভাষ্যকার। আর এইসময়ে পাকিস্তানের ক্রিকেট-লীগে খেলতে গেছে আমাদের দেশের কয়েকজন খেলোয়াড়। তন্মধ্যে অন্যতম উল্লেখযোগ্য হচ্ছে তামিম ইকবাল।

পাকিস্তানীরা আমাদের দেশের খেলোয়াড়দের ‘হায়ার’ করে নিয়ে গেছে তাদের দেশে। আমাদের দেশের খেলোয়াড়রা পাকিস্তানের মেহমান। কিন্তু মেহমানের সঙ্গে তারা কী ব্যবহার করেছে?
আর-কোনো জাতি হলে লজ্জা পেতো। আর তারা দুঃখপ্রকাশ করতো এই ঘটনার জন্য। কিন্তু পাকিস্তানীদের কোনো লজ্জাশরম বলে কিছু নাই। তারা ভুল-পাপ-গোনাহ কোনোকিছুকেই স্বীকার করে না। এরা এজিদের মতো ভয়াবহ নিষ্ঠুর। এরা চশমখোর। আর এরা ইতিহাসের সেই কুখ্যাত এজিদবংশের প্রকৃত-উত্তরাধিকারী।

রমিজ রাজা আমাদের দেশের খেলোয়াড় তামিম ইকবালকে “আন্ডার-স্টিমেট” করেছে। আর সে বলেছে: “আমি তোমাদের ভাষা জানি না। আর তুমি কি ইংরেজি বলতে পারো? নাহলে...(উর্দু বলবে)।” সে ডাইরেক্ট তামিমকে উর্দুভাষা বলতে না বললেও তার প্রতিই ইঙ্গিত করেছে। বাংলাদেশের মানুষ ইংরেজি বলতে পারে না? একজন পাকিস্তানীপাপিষ্ঠ রমিজ রাজা কী বলতে চায়?
বাংলাদেশের মানুষ পাকিস্তানীদের চেয়ে ভালো ইংরেজি বলতে পারে। এই গোরুটা তা জানে না। রমিজ রাজার মতো অনেক গোরু পাকিস্তানে আছে। আর এদের স্বভাব শুধু গুঁতাগুতি করা। তাই, মাঠেই বা বাদ যাবে কেন?
এই তো কয়েক বছর আগেও বাংলাদেশে খেলতে এসে পাকিস্তানীরা জোরপূর্বক আমাদের বিজয় ছিনিয়ে নিয়েছিলো। আর আমাদের দেশের খেলোয়াড়দের “রান” নিতে বাধার সৃষ্টি করেছিলো। এই নিয়ে পরে আমাদের দেশ ‘আইসিসি’-তে অভিযোগও দায়ের করেছিলো। কিন্তু পাকিস্তানী-লবিস্টরা তা ধামাচাপা দিয়েছে। এদের পাপের শেষ নাই।
এরা দেশী-বিদেশী সাংবাদিক ও খেলোয়াড়দের সামনে আমাদের দেশের একজনকে অপমান করা মানে, গোটা জাতিকে অপমান করা। আর তাদের ধৃষ্টতার নমুনা কী! আমাদের দেশের খেলোয়াড়দের ‘উর্দু’ বলার জন্য ইঙ্গিত করে! এই উর্দুভাষাকে তো আমরা ১৯৫২ সালেই জীবন্তকবর দিয়েছি। আবার কেন এই উর্দুর প্রেতাত্মাকে আমদানি করা? রমিজ রাজারা আস্ত-শয়তান। এরা মাঝে-মাঝে আমাদের সঙ্গে একটুআধটু ভালোমানুষি দেখায়। আর আমরা অমনি গলে যাই। আমাদের দেশে কিছুসংখ্যক পাগল-ছাগল আছে, এরা পাকিস্তানী-খেলোয়াড় দেখলে তাদের চুমা দেওয়ার ও কদমবুসি করার জন্য রেসের ঘোড়ার মতো ছুটে যায়। এরা এই জাতির অন্যতম প্রধান শত্রু। এরা এই বাংলার অধস্তন ও নব্য মীরজাফর।

এখানে, শুধু একজন রমিজ রাজাকে দেখলে চলবে না। পাকিস্তানীদের চেহারাটাই আসলে এইরকম। ওরা কিছুতেই বাংলাদেশের ভালো দেখতে পারে না। আর বাংলাদেশ যে বর্তমানে ক্রিকেটবিশ্বে এশিয়ার উদীয়মান সিংহ, তাতে কোনো সন্দেহ নাই। তাই, রমিজ রাজারা ঘাবড়ে গেছে। আর এইসব আবোলতাবোল, আজেবাজে, আলতুফালতু ও শয়তানী কথাবার্তা বলে। কিন্তু ওদের এবার শিক্ষা দিতে হবে। ওরা বেশি বাড়াবাড়ি করছে। সবখানে পাকিস্তানীদের কালোথাবা!
এই পাপিষ্ঠ-পামর-পাকিস্তানীদের সূক্ষ্ম-মারপ্যাঁচে ঘায়েল করতে হবে। আর ১৯৭১ সালের মতো সবদিক দিয়ে ওদের পরাজিত করতে হবে।
জয়-বাংলা।

সাইয়িদ রফিকুল হক
মিরপুর, ঢাকা, বাংলাদেশ।


সর্বশেষ এডিট : ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ দুপুর ১:২৩
৪টি মন্তব্য ৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ব্যাটারিচালিত রিকশা , তিন-চাকার যানবাহন ব্যবস্থাপনা, অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ নিয়ন্ত্রণ, সড়ক নিরাপত্তা, কর্মসংস্থান ও জীবিকা সুরক্ষা এবং সিসা-দূষণরোধ বিষয়ে একটি সমন্বিত নীতিগত প্রস্তাব।

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৭:৪৮


বাংলাদেশের নগর ও শহরতলির পরিবহন ব্যবস্থায় ব্যাটারিচালিত রিকশা, ইজি-বাইক ও অন্যান্য বৈদ্যুতিক তিন-চাকার যান ইতোমধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ বাস্তবতা। নিম্ন ও মধ্যম আয়ের যাত্রীদের জন্য অপেক্ষাকৃত কম খরচের পরিবহন, বিপুলসংখ্যক চালক... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধানমন্ডি ৩২: মানুষের হৃদয়ে যে বাড়ি আজও দাঁড়িয়ে আছে

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৮:০৭



ধানমন্ডি ৩২: মানুষের হৃদয়ে যে বাড়ি আজও দাঁড়িয়ে আছে

ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের বাড়ি কেনা ও নির্মাণের টাকা কোথা থেকে এসেছিল-এই প্রশ্নটা মাঝেমধ্যেই অনলাইনে ঘুরেফিরে আসে। উত্তরটা আসলে লুকিয়ে নেই... ...বাকিটুকু পড়ুন

আওয়ামী লীগ দিয়ে উন্নয়ন সম্ভব নয় - দরকার বিকল্প সরকার

লিখেছেন মাথা পাগলা, ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৯:৫৪



জামাতকে সংগঠন হিসেবে নিখুঁত বলা যায়, আলেম হতে হলে দীর্ঘদিন পড়াশোনা ও প্রশিক্ষণের মধ্য দিয়ে যেতে হয় - মানে নেতা হবার আগে অবশ্যই পড়াশোনা করতে হবে, বিএনপি-লীগের এমন কোন... ...বাকিটুকু পড়ুন

বেলাশেষে

লিখেছেন নীল-দর্পণ, ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:৪৪

বাসায় আত্নীয় আসলে চলে যাবার সময় কিংবা তাদের বাড়ী থেকে ফেরার সময় ঘরের ছোট সদস্যের হাতে টাকা গুঁজে দেবার যে চল ছিল নিশ্চই আমরা কম বেশি সবাই সেটা সাথে পরিচিত।... ...বাকিটুকু পড়ুন

অসংখ্য মানুষের স্বপ্নের নায়িকা যিনি।

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ২:১২



একদিন যে বিয়েকে ঘিরে ছিল পাঁচতারকা হোটেলের ঝলমলে আলো, ক্যামেরার অসংখ্য ফ্ল্যাশ আর শত মানুষের করতালি, সেই সংসারের আকাশেই কয়েক বছরের মধ্যে জমেছিল বিচ্ছেদের মেঘ। ১৯৮৭ সালের মে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×